শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

২৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৪৮ পিএম | 105 বার পড়া হয়েছে
২৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ হাজার কোটি টাকা

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে ২১১ কোটি ৩১ লাখ (২ দশমিক ১১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৫ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি সেপ্টেম্বরের ২৮ দিনেই যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে, তা গত বছরের সেপ্টেম্বরের পুরো মাসের চেয়ে প্রায় ৭৮ কোটি ডলার বেশি। গত বছরের (২০২৩) সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩৩ কোটি ডলার। তার আগের বছর ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৪ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। এই হারে রেমিট্যান্স এলে মাস শেষে প্রবাসী আয় ২২৬ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৮ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৮ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯ কোটি ২৬ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪২ কোটি ৮৭ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

আলোচিত সময়ে সরকারি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, পু‌লি‌শের ক‌মিউ‌নি‌টি ব্যাংক, বিদেশি হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আ‌সে‌নি।

গত আগস্ট মাসে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২২২ কোটি মার্কিন ডলার (২ দশমিক ২২ বিলিয়ন)। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৬ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। যা আগের ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই হাজার ৩৯২ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রার যার পরিমাণ দুই লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। রেমিট্যান্সের এ অঙ্ক দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তবে দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে, দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।

দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৯ এএম
দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

আজ বৃহস্পতিবার ২৯ শে রমজান স্থানীয় উপজেলা মোড় খান ফার্মেসীতে দিঘলিয়া উপজেলার এস এস সি ৯৩ ব্যাচের উপস্থিতিতে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের আহবায়ক শেখ শামীমুল ইসলাম এবং পরিচালনা করে দিঘলিয়া উপজেলার ৯৩ ব্যাচের সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম শেখ, উপস্থিত ছিল উপজেলা ব্যাচ ৯৩ এর উপদেষ্টা আলী রিয়াজ কচি,ব্যাংকার বন্ধু মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ রবিউল ইসলাম মোড়ল,মোল্লা সালাউদ্দিন, মোঃ ররি, মোঃ মিজানুর রহমান, মোল্লা হাবিবুর রহমান, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ করির,মোঃ আমান,মোঃ কওসার হোসেন বিদ্যুৎ, খান শহীদ, মোঃ কুদ্দুস মোল্লা, মোঃ জিয়াউর রহমান, এ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মিলন শেখ, আহাদ গাজী, আরো অনেকে, ইফতার মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করে বন্ধু খান শহীদ প্রমুখ,মাগরিবের নামাজের শেষে আবারও উক্ত স্থানে ৯৩ বন্ধুদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয় সভায় সিদ্ধান্ত হয় – ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিনে রোজ সোমবার ২৩ শে মার্চ স্থানীয় দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে ঈদ পূর্ণ মিলনীর আয়োজন করা হবে, ঈদ পূর্ণ মিলনিতে সকল ৯৩ বন্ধুরা তাদের পরিবারের সকল সদস্য কে নিয়ে বিকাল ৫ ঘটিকায় বিদ্যালয়ের মাঠ উপস্থিত হবে এবং ঈদ পূর্ণ মিলনী রাত ১০ টা পর্যন্ত একটানা চলবে বিভিন্ন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গান,আবৃত্তি, বল বিতরণ,ছোট নাটিকার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

মামুনুর রশীদ মামুন: ময়মনসিংহ জেলা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ এএম
ঈদ উপলক্ষে জনগণকে শুভেচ্ছা ও সচেতনতার আহ্বান এসপি কামরুল হাসানের

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জেলার সকল পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বস্তরের জনগণকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। ঈদুল ফিতর আনন্দ,শান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে আসে। দীর্ঘ এক মাসের সংযম ও আত্মশুদ্ধির পর এই পবিত্র উৎসব আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করে। এই উপলক্ষে তিনি সকলের সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বলেন,জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের নিরাপত্তা ও সেবায় নিয়োজিত। ঈদের সময় যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে,সে জন্য ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। যানজট নিয়ন্ত্রণ,গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল বৃদ্ধি এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন,শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই যদি সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করে,তবে একটি নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি জেলা পুলিশের সকল সদস্যের কঠোর পরিশ্রম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসাথে তাদের পরিবারসহ সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
সবশেষে,তিনি ময়মনসিংহবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন—“ঈদ মোবারক। সবার জীবন সুখ,শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।”

জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞানের প্রকার ভেদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২০ এএম
জ্ঞানের প্রকার ভেদ

জ্ঞান দুই প্রকারঃ- আল্লাহর দেওয়া জ্ঞানের নামই অর্পিত জ্ঞান ও অর্জিত জ্ঞান বলা হয় বই , খাতা কলম শিক্ষার প্রতিষ্ঠান থেকে যেই

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি কুলের সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী হিসেবে সৃষ্টি করেন
এবং জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি জ্ঞান- একটা শক্তি। এই শক্তি মানুষের ভেতরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। একে জাগ্রত করাই প্রত্যেক সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের। সত্তার প্রথম কর্তব্য। কেউ তা জাগ্রত করে কেউ করে না। যার জ্ঞান জাগ্রত হয় সে এই জ্ঞান দিয়ে সত্য-মিথ্যা নিরুপণ করে অতঃপর সত্যের পথ অবলম্বন করে।
.
জীবন তো চলমান, বহমান। এক মুহূর্ত সে থামে না। এই চলমান জীবনে জ্ঞানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যে যত সম্মুখে অগ্রসর হয় তত তার জীবন উজ্জল হয়। চলতে চলতে একটা পর্যায়ে সে পরম সত্যে বিলীন হয় অর্থাৎ মার্গে পৌঁছে।
.
যে সত্তা সর্বাবস্থায় ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্বে ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বন করল সে সত্তাই প্রকৃত শক্তির অধিকারী অর্থাৎ জ্ঞানী। যে সমাজে সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্নীত হয় না সে সমাজই অন্ধকার, জাহেলী সমাজ। এমন স্থিতি যখন উপস্থিত হয় তখন হয় সেই জাহেলি সমাজ পরিত্যাগ করতে হবে নয়তো সেটা ধ্বংস করে নতুন সমাজ নির্মাণ করতে হবে। এই নবনির্মাণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখা উচিত জ্ঞানী ব্যক্তিদের।

মোঃ তালাত মাহামুদ
বিশেষ প্রতিনিধি
“দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকা”

error: Content is protected !!