রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

আমার মা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১২:১৮ পিএম | 211 বার পড়া হয়েছে
আমার মা

ঈশ্বর আমাকে পাঠাতে পারতো বিল গেটসের স্ত্রীর গর্ভে। নয়তো পদ্মার পাড়ের কোন জেলের স্ত্রীর গর্ভে আমার বেড়ে ওঠা হতো জল আর মাছের সাথে। কিন্তু ঈশ্বর আমাকে পাঠিয়ে দিলো এক নিন্মবিত্তের স্ত্রীর পেটে। এখানে আমার বেড়ে উঠা হয়েছে বন্ধুদের দামী কাপড়ের দিকে চেয়ে থেকে আর পাশের বাড়ীর ভালো তরকারির গন্ধে জোরে জোরে নাক টেনে টেনে।এই পরিবারে আমি ছোট্ট থাকতেই অনেক কিছু বুঝতে শিখে গেছি। কেমন করে আমার বুদ্ধিমতি মা নিজের প্লেটের ভাত বাবার প্লেটে দিয়ে বাবার প্লেটের ভাতগুলোতে পানি দিয়ে রেখে দেয়,সকালে তার সোনা মানিক খাবে বলে।উপোষ মা আমার রাত জাগে কখন সকাল হবে।মা আমার বই পড়তে পারেনা অংক করতে জানেনা।আমিতো পড়াশোনা করিনা তাই মাকে জোরে জোরে কবিতা পড়ে শুনানো হয়নি কখনো।পাশের বাড়ীর ছেলেমেয়ে গুলো সন্ধ্যা হলেই জোরে জোরে বই পড়তে বসে।আমার দিকে মা অবাক চোখে চেয়ে থাকে হয়তো মনে মনে বলে কিরে ইকবাল তরে বুঝি বই পড়তে ইচ্ছে করে?কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে বন্ধুদের সাথে দৌড় স্কুল যেতে ইচ্ছে করে।মা হয়তো এসব বলে আমি গুনিনা মায়ের মনের কথা।পাশের বাড়ীর কলেজ পড়ুয়া মিনু নামের মেয়েটা উঠোনে দাড়িয়ে কি যেন পড়ে ওনার পড়া শুনে আমার মায়ের চোখে জল টলমল করে আমার ইচ্ছে করে মেয়েটাকে ইচ্ছে মতো পিটিয়ে আসি।আবার ভাবি মেয়েটা বই পড়ছে হাসতে হাসতে কিন্তু আমার মা কাঁদে কেন?আমিও কান পাতি দেখি কি পড়ে।মেয়েটি পড়ে।ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্য ময় পূর্ণিমার চাদ যেন ঝলসানো রুটি।ধুরো ওনি কিচ্ছু বুঝেনা। পড়তেই জানেনা।আমি রাতে অনেক বার চাঁদ দেখছি কই রুটির মতো তো লাগেনি? আমার মাও কিন্তু জোরে জোরে বলতো।আমার কালো মানিক চাঁদের চেয়েও সুন্দর। আমি বুইজ্জা লাইছি ওনি হিংসা করে চাঁদকে রুটি বানিয়ে ফেলছে।সকাল হতেই আমার মা সেই পানি দেওয়া ডেক থেকে মুটোয় মুটোয় ভাত তুলে আনে খালি গায়ে আমি পাশে বসে দেখি। আরে আমার মা তো যাদু জানে কেমন সাদা সাদা ভাত তুলে আনলো।পেলেটে পাশে একটু লবন রেখে মা যায় দু একটা শুকনো মরিচ পোড়তে মরিচের ঝাঁজে মায়ের চোখ জ্বলে মায়ের চোখের জল দেখতে কেমন জানি হিরে মনি মুক্তর মতো লাগে।আচ্ছা হিরে মনি মুক্ত কি আমার মায়ের চোখের জলের চেয়েও দামী?।মা আসে পাশে বসে টিপে টিপে মরিচ সাথে লবন ভাত মিশায়।আমার মা জানি কেমনে এমন অমৃত খাবার বানিয়ে ফেলে। মা বলে ইকবাল তুই হাত দেইসনা জ্বলবে তুর হাত। আয় বাপ আমি খাইয়ে দেই।আমার মাথায় হাত বুলায়, কপালে গালে চুমোয় চুমোয় ভরিয়ে দিয়ে বুকে টেনে নিয়ে কাঁদতে থাকে। এতো জল আকাশেও নেই আমার মায়ের চোখে যতো জল।মা বাপ তুই আরেকটু বড় হলেই আমাদের আর অভাব থাকবেনা।তখন অনেক বড়বড় মাছ কিনে আনবি যে মাছের লেছ মাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে বাড়ী আসবে।তখন আমি এতো বড় মাছ উঠোনে রেখে কাটবো গায়ের লোক চাইয়া থাকবো দেইখা।তখন আমি সবাইকে বলবো আমার সোনামানিক বড় হয়ে গেছে আমাদের আর অভাব নাই।টিনের চালের ফুটা দিয়ে আাকাশ দেখেই আমার মা বুঝতে পারে কেমন জোরে বাতাস আইবো বৃষ্টি পানিতে উঠোন কতোটুক ভরবো।তাইতো মা আমাদের মুরগির মতো আগলে রাখে।ছেড়া শাড়ীর আঁচল দিয়া বুকে শক্ত করে ধইরা রাখে,আর চিন্তায় অস্তির হয় যদি মেঘের পানি শরীরে ভিজাইয়া লায় আর জ্বর ঠান্ডা লাগে তাদের বাপে ঔষধ আনবো কই থেইকা চালইতো আনতারে না ঠিকমতো।ঠাডা পরার শব্দে যতটা কাঁপে মাটি গাছগাছালি তারচেয়ে বেশী কাঁপে আমার মায়ের বুক।মা ভাবে না জানি আমার বুকের ধন একটা কাইরা নেয় তাইলে বাঁচবো কেমনে।আমার মা উঠোনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আম গাছ, বরই গাছ কামরাঙা গাছ বেল গাছের শুকনো পাতা ঝাড়ু দিয়ে জমিয়ে রাখে রান্না করবে বলে।আর পাতার সাথে কথা বলে আমার অল্প বয়সের জামাই খুব বুদ্ধিমান আছিল।অভাবের সংসার তার কি করে তার কিশোরী বউডারে ফলমুল কিনে খাওয়াবে?তাই আমি এই বাড়ীতে আসার পরই জামাই বুদ্ধি করে গাছ গুলো লাগাইছিল যেন তার আদরের বউডায় শশুর শাশুড়ির চোখ ফাঁকি দিয়ে নিজের মতো করে কিছু ফল খাইতে পারে।আমার মা এখন দরজায় দাঁড়িয়ে পাকা আম,আর বেলের তাকিয়ে থাকে চিন্তা করে।আমার ছোডো পোলাটার কি তার বাপের কথা মনে আছে?কেমনে মনে থাকবো ছোটো রাইখাইতো মইরা গেছেগা।আহারে আমার ছোডো পোলাডায় কতোইনা আম খাইতে পারতো।পেকে হলদে হওয়া আম বেল, জাম গাছে বসে বইয়া বইয়াই খাইতো।বাতাস আসলে গাছের ডালের সাথে পোলাডায়ও দুলতো।গাছের মগডালে মগডালে উঠতো।তারে যদি কইতাম বাপরে এতো উপরে উডিসনা ডাল ভাইঙা পইরা যাবিগা।পোলায় রেগে গিয়ে বলতো। তর বাপেরটা ভাঙবো?আমি তর বাপের গাছে ওঠছি নাকি তর বাপেরটা খাই।আমার বাপের গাছ ভাঙবো আমি আমার বাপেরটা খাই গাছে খামো নাকি ঘরে খামো তুই কওয়ার কেডা?আমার মা ভাঙাচোরা ঘরে না খেয়েও হাসতো। আমার বাপের ভাঙাচোরা ঘরে এখন ইট বসেছে কিন্তু আমার এখন আর হাসেনা।আমার সেই প্রাণচঞ্চল কিশোরী মা আজ বৃদ্ধ হয়ে গেছে।আমার বাপে বিয়ে করে আনা সেই ছোট্ট কিশোরী বধূ আজও আমার বাপের ভিটা আগলেই রেখেছে।আচ্ছা মাকে একবার জিজ্ঞেস করলে কেমন হয়?আচ্ছা মা আব্বায় কি কোনদিন তর হাত ধরে ইটাখোলায় ঘুরেছিল?ফুল এনে কি কখনো তোর খোঁপায় গুজে দিয়েছিল?কিংবা তোই কি কখনো আব্বাকে বলেছিলি।আমারে একদিন সিনেমা দেখাইতে নিয়া যাইবেন?এসব বলতে আমার খুব ইচ্ছে করে মাকে।কিন্তু আর জিজ্ঞেস করা হয়না কারন বুঝ হবার পর থেকেই দেখি আমার মায়ের দৌড়াদৌড়ি উঠোন, রান্নাঘর আর আমাদের সামলানো।এর বাইরে আমার মায়ের আর কোন জগৎ হয়তো ছিলনা।আমার মায়ের মাথায় এখন বক সাদা চুল দেখলেই মনে হয় মার মাথায় বুঝি সাদা কাশফুলের বন।আচ্ছা আমার মায়ের মাথায় কি একসময় কোমড় ছাড়িয়ে যাওয়া চুল ছিল।এবার মাকে জিজ্ঞেস করেই নিবো।আচ্ছা মা আব্বায় কি তুর মাথায় এতো লম্বা লম্বা চুল দেখে কোন কবিতা লিখছিল?হয়তো আমার মা ফোকলা দাঁতে হাসতে হাসতে বলবে।তর বাপ সারা জীবনে সংসারই বুঝলোনা আর কবিতা লেখবো।আমার মায়ের বয়স বাড়েনি বেড়েছে দুঃচিন্তা।।

মোঃ আপেল মিয়া কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে নতুন যাত্রার সুচনা

মোঃ আপেল মিয়া কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৪ পিএম
কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে নতুন যাত্রার সুচনা

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে সূচিত হলো এক নতুন অধ্যায়।

জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সফল ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় নবাগত জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্নপূর্ণা দেবনাথের দক্ষতা, সততা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে গেছে। তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নবাগত প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভকামনা। তাঁর নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ আরও গতিশীল, জনমুখী ও উন্নয়নমুখী হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

কুড়িগ্রামের অগ্রযাত্রা হোক আরও শক্তিশালী,ও সমৃদ্ধ।

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন ও বিপণন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন ও বিপণন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন, বিপণন এবং সুশৃঙ্খল ব্যবহার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত ​সভায় জনাব মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলা প্রশাসক, চুয়াডাঙ্গা’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুদ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

​সভায় বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে সঠিক ও মানসম্মত জ্বালানি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু রাখবে। কোনো ধরণের অনিয়ম বা কালোবাজারি পরিলক্ষিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জ্বালানি তেলের পরিবহন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

​এছাড়াও সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিজিবি, পাম্প মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কৃষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ

পরিশেষে, আসন্ন দিনগুলোতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী ও ডিলারদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম)

পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা এলাকায় স্বর্গীয় স্বপন দে’র বাড়িতে শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

গত ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ভক্তদের ব্যাপক অংশগ্রহণে এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, সমবেত প্রার্থনা, মায়ের শুভ অধিবাস, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগ আরতি ও কীর্তন, শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ, জাগরণ পূতিপাঠ, গীতা পাঠ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও নৃত্য প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, ধুনুচি নৃত্য, ধর্মীয় নাটিকা (থিমস), পাল্টা কীর্তন, অতিথি সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ এবং অন্নপ্রসাদ বিতরণ।
২৪ মার্চ মহাষষ্ঠীতে মায়ের বরণ ও ধুনুচি নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রত্যয় বড়ুয়া ও তনু চৌধুরী।
২৫ মার্চ মহাসপ্তমীতে জাগরণ পূতিপাঠ পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ। রাতে পাল্টা কীর্তনে অংশ নেন কবিয়াল বিকাশ দত্ত, ঝিনুক সরকার, নিরঞ্জন সরকার, হৃদয় বড়ুয়া ও তাঁদের দল।
২৬ মার্চ মহাঅষ্টমীতে গীতাপাঠ, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন স্বপ্না ঘোষ ও রিপন দাশ। রাতে একক লালন সংগীত পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ধর্মীয় থিম “মহামায়ায় মহাভারত” পরিবেশন করেন শ্রীজাতা চৌধুরী বন্যা।
২৭ মার্চ মহানবমীতে গীতা পাঠ পরিবেশন করেন বিকাশ দত্ত। নৃত্য প্রতিযোগিতা শেষে রাতে “ত্রিগুণাত্মিকা” শীর্ষক ধর্মীয় থিমস্ উপস্থাপন করে টিম যাজ্ঞসেনী, পরিচালনায় ছিলেন পার্থ দেওয়ানজী।
২৮ মার্চ শুভ বিজয়া দশমীতে মায়ের বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

মহতী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উপদেষ্টা নেপাল কর।
শ্রীজাতা চৌধুরী বন্যা সঞ্চালনায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
কৈলাসশ্বরী, শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উপদেষ্টা মৃদুল পারিয়াল, আশালতা কলেজ সাবেক সভাপতি প্রবাল কৃষ্ণ দে,সংগঠক ও তরুণ রাজনীতিবিদ দোলন বড়ুয়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সনজিব ঘোষ,রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজের প্রভাষক রাজীব ঘোষ,রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক রতন বড়ুয়া, রাউজান প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মিলন বৈদ্য শুভ।
সম্মানিত অতিথি সংগঠক ও সমাজসেবক শিবু বিশ্বাস, মইশকরম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রনজিত দাশ, হলি চাইন্ড স্কুল এন্ড কলেজের ভাইচ প্রিন্সিপাল পরমেশ ধর, স্টার লিট গ্রামার স্কুলের সহকারী শিক্ষক উজ্জ্বল ঘোষ,
সংগঠক ও সমাজসেবক সুধীর মুহুরী,শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসীম পারিয়াল,ক্ষেত্রপাল বিগ্রহ মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক পণ্ডিত লাভলু পারিয়াল,শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক সনজিত ধর বাপ্পু,বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সভাপতি বিটু কান্তি দে প্রমূখ

শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা পরিচালনা পরিষদের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন তপন দে,সুধীর দে,অধীর দে,রণধীর দে,রুবেল দে রাসেল দে সহ অন্যান্য সকল সদস্য বৃন্দ।

চারদিনব্যাপী এই মহতী আয়োজন ঘিরে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

error: Content is protected !!