শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

শিক্ষকের বাড়িতে অনশনে ২ সন্তানের জননী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৩:৫০ এএম | 91 বার পড়া হয়েছে
শিক্ষকের বাড়িতে অনশনে ২ সন্তানের জননী

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে কাবিননামা হাতে নিয়ে ভোলায় সুরমা বেগম (৩২) নামে দুই সন্তানের এক জননী অনশন শুরু করছেন মিজান (৩৫) নামে এক শিক্ষকের বাড়িতে। এ ঘটনার জেরে ওই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষক একই গ্রামের মৃত সোবহান ডাক্তারের ছেলে এবং উত্তর চরমানিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

অনশনে থাকা ও নারী একই ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ আলী সরদারের ছেলে বজলুর রহমানের স্ত্রী।

এ বিষয়ে সুরমা বেগম বলেন, আমার ছেলে চরমানিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মিজানের হাইস্কুলে পড়াশোনা করত। ছেলেকে নিয়ে স্কুলে আসা-যাওয়া করতাম। মিজান আমার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে প্রায় সময় আমাকে কল দিতেন। এভাবেই কথা বার্তার একপর্যায়ে তিনি আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিলে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। ২০২৩ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় উত্তর আইচা বাজারে কাজী অফিসে ১০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে মিজান আমাকে বিয়ে করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন।

সুরমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, মিজান আমাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দেওয়ায় শনিবার বিকেলে তার ঘরে যাই। এ সময় তার স্ত্রী আমাকে মারধর করেছেন।  মিজানের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ও বিয়ের কথা জানার পর আমার স্বামী আমাকে রেখে চলে গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ আহমেদ জানান, এ বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু জানায়নি, আমি খোঁজ নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২০ পিএম
ঈদ উপলক্ষে হ্নীলা ইউনিয়নের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ উদ্বোধন

ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:১০ পিএম
ঈদের বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রঙ্গন মিউজিক নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘যে বাঁধন যায় না ছেঁড়া’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরা, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রধারণ সম্পন্ন হয়েছে।
নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নাগরিক জীবনের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ষাটোর্ধ্ব হায়াত সাহেব, যিনি সারা জীবন মফস্বলে চাকরি করে একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর অসুস্থ হায়াত সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছেলের বাসায় আসেন।
শুরুতে আনন্দ থাকলেও শহরের ব্যস্ততা আর বাস্তবতার চাপে বাবা-ছেলের সম্পর্কের মাঝে তৈরি হয় নানা তিক্ততা ও মানসিক দূরত্ব। নিদারুণ বাস্তবতায় বাবা ও সন্তানের চিরায়ত সম্পর্কের দেওয়ালে ঘেরা এক আবেগঘন কাহিনি ফুটে উঠবে এই নাটকে।
পরিচালক সুব্রত মিত্র বলেন, এটি পারিবারিক গল্পের নাটক। বাবা আর সন্তানের সম্পর্কের গল্পের নাটক। তাদের সাধ অনেক কিন্তু সাধ্যটা সীমিত। ছেলের ইচ্ছা করে বাবার জন্য জীবনের পুরোটা দিয়ে দিতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে দাঁড় করায় ভিন্ন এক দেয়ালের সামনে।
নাটকটিতে হায়াত সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ইরফান সাজ্জাদ, সুনেরাহ বিনতে কামাল, এস এম আশরাফুল আলম সোহাগ, রেশমা আহমেদ, আজম খান, ইফতেখার পলাশ ও শিশুশিল্পী ইব্রাহিমসহ আরও অনেকে।
মো. জামাল হোসেনের প্রযোজনায় নাটকটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন সুমন হোসেন এবং আবহসংগীত করেছেন প্রত্যয় খান। নাটকটি ‘রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্ট’ এর ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হবে।

ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ট্রলিংয়ের একটা লিমিট থাকা উচিৎ : শ্রাবন্তী

সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে চলা ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আপত্তিকর ভিডিও তৈরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ওপার বাংলার নায়িকা শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। এমন সম্মানহানি ঠেকাতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও কঠোর আইন প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে শ্রাবন্তী জানান, বাকস্বাধীনতা মানেই যা খুশি বলা নয়। মানুষের ভেতরের হতাশা এভাবে প্রকাশ করা কাম্য নয়। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের একটা সীমা থাকা উচিত। আমি অনেক উপেক্ষা করেছি, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি নারীরাই অন্য নারীকে অসম্মান করছেন।
এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তারকাদের নিয়ে তৈরি কুরুচিপূর্ণ ভিডিওর প্রসঙ্গও টানেন অভিনেত্রী। জানান, এসব কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনেত্রী মনে করেন, সামাজিকমাধ্যমে যারা নাম পরিচয় লুকিয়ে বা প্রকাশ্যেই গালিগালাজ ও অশালীন মন্তব্য করেন, তাদের সতর্ক করতে কঠোর আইন প্রয়োজন। বলেন, শুধু নারী নয়, পুরুষরাও এখানে অপমানিত হচ্ছেন। তবে নারীদের বেশি লক্ষ্যবস্তু করা দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এই অসভ্যতা বন্ধ হওয়া জরুরি।
অনলাইনে এত নেতিবাচকতা সত্ত্বেও সামাজিক মাধ্যম ছেড়ে দেওয়ার পক্ষপাতী নন শ্রাবন্তী। তার মতে, সেখানে তাকে ভালোবাসার মানুষের সংখ্যাও অনেক। এছাড়া বর্তমান ডিজিটাল যুগে পেশাগত কারণেই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

error: Content is protected !!