শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ২:৪৮ এএম | 133 বার পড়া হয়েছে
বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি

ভারত থেকে নেমে আসা ঢল আর কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রংপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চলের অনেক বসতবাড়িতে পানি উঠেছে। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ওইসব অঞ্চল। পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলোও ঝুঁকিতে পড়েছে। বন্যা ও ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছে নদীপাড়ের হাজারো মানুষ।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহের উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার দশমিক ২ সেন্টিমিটার (বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার) ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে একই সময়ে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহের উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৪৭ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ এই পয়েন্টে বিপৎসীমার দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার (বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৩১ সেন্টিমিটার) নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ, ঝাড়সিংহেশ্বর, খগারচর, জুয়ার চর, বাংলাপাড়া, উত্তর খড়িবাড়ী, বাইশপুকুর ও জলঢাকা উপজেলার ফরেস্টের চর, ভাবনচুর, ডাউয়াবাড়ী, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ফকিরপাড়া, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, বাঘের চর, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ি, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী ও সদর উপজেলার ফলিমারীর চর খুনিয়াগাছ, রাজপুর এবং গোকুণ্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। তাতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি চরের বাসিন্দারা। ডুবে গেছে বোরো ফসলের খেত।

দীঘির গায়ে জুস পড়ায় সত্যিই কি চাকরি হারিয়েছেন ওয়েটার?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০১ পিএম
দীঘির গায়ে জুস পড়ায় সত্যিই কি চাকরি হারিয়েছেন ওয়েটার?

সম্প্রতি রাজধানীর একটি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ‘কাচ্চি ডাইন’-এর শাখা উদ্বোধন করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পরিস্থিতির শিকার হন সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে সেই ঘটনার রেশ ধরে একজন সাধারণ কর্মচারীর চাকরি হারানোর গুঞ্জন এখন সামাজিক মাধ্যমে তুঙ্গে।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দীঘি যখন রেস্তোরাঁটিতে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন একজন ওয়েটার পানীয় পরিবেশন করতে আসেন। সে সময় তিনটি জুসের গ্লাসের মধ্যে একটি হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে দীঘির গায়ের ওপর পড়ে যায়। আকস্মিক এই ঘটনায় দীঘি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়লেও পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ওয়েটারকে অত্যন্ত ভীত ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা এসে দীঘির পোশাক ও হাত পরিষ্কার করে দেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের একটি বড় অংশ দাবি করছেন, দীঘির গায়ে জুস ফেলার দায়ে সেই ওয়েটারকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। নেটিজেনদের মতে, একজন আমন্ত্রিত তারকার সঙ্গে এমন অপেশাদার আচরণ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সহজভাবে নেয়নি। মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েই তাকে ছাঁটাই করেছে বলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে।
ঘটনার বিস্তারিত এবং ওই ওয়েটারের সঙ্গে কথা বলতে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁটিতে যোগাযোগ করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করতেই সেখানকার দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা প্রসঙ্গটি এড়িয়ে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে আর কোনো সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন কথা বলছে ‘কাচ্চি ডাইন’-এর প্রধান কার্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীর নীল এই গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে বলেন, চাকরিচ্যুতির দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট কর্মী আমাদের সাথেই আছেন এবং নিয়মিত কাজ করছেন। এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল, যা অনিচ্ছাকৃত। ভুলবশত হওয়া এমন ঘটনায় কারও চাকরি যেতে পারে না। অফিশিয়ালি কিছুটা জবাবদিহি করতে হলেও এর বেশি কিছু হয়নি। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দীঘির কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছি।
বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা দীঘির অবস্থান জানতে তার সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁর সংশ্লিষ্ট শাখার কর্তৃপক্ষের নীরবতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দাবির জেরে এই গুঞ্জন নিয়ে খানিকটা ধোঁয়াশাই থেকে গেল।

মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ পিএম
মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে।
‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়।
ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই।
সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি। কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।
ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’
রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা।

রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় সমন্বয়: জিওবি খাতে সাশ্রয় ১৬৬ কোটি টাকা

ঈশ্বরদী সংবাদদাতা, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
রূপপুর প্রকল্পে ব্যয় সমন্বয়: জিওবি খাতে সাশ্রয় ১৬৬ কোটি টাকা

ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় পুনর্নির্ধারণ করা হলেও এতে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন (জিওবি) খাতে প্রায় ১৬৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। সে সময় প্রকল্পটির মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা, এবং মেয়াদ ধরা হয় ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তবতা বিবেচনায় প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ জানান, বর্তমানে ডিপিপি সংশোধনের কাজ চলমান রয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা। যদিও সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—জিওবি খাতে ব্যয় ১৬৬ কোটি টাকা কমেছে, ফলে জাতীয় বাজেটের ওপর সরকারের সরাসরি চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রতি মার্কিন ডলার ৮০ টাকা ধরে ব্যয় হিসাব করা হয়েছিল। কিন্তু গত নয় বছরে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে প্রায় ১২২.৪০ টাকা হওয়ায় বৈদেশিক ঋণের অংশ টাকায় রূপান্তরিত হয়ে প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বাস্তবতায় সংশোধিত ডিপিপিতে বিভিন্ন খাতে ব্যয় পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
সংশোধিত প্রস্তাবে ৩৪টি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং ৪৯টি খাতে বরাদ্দ হ্রাস করা হয়েছে। জনবল ব্যয়, ভূমি অধিগ্রহণ ক্ষতিপূরণ, বিদ্যুৎ বিল ও পরামর্শক খাতে সাশ্রয়ের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অর্থ সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত প্রয়োজন মেটাতে ১০টি নতুন খাত সংযোজন করা হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা নিশ্চিত করতে অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ (O&M) সংক্রান্ত সেবা চুক্তি এবং খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ চুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলমান রয়েছে। এছাড়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় রাশিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি জনবলের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে গ্রিনসিটি আবাসিক এলাকার অসমাপ্ত ভবন সম্পন্ন এবং নতুন অধিগ্রহণকৃত প্রায় ৬.০৬ একর জমিতে প্রয়োজনীয় স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনাও সংশোধিত প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কোভিড-১৯ মহামারী, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধজনিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি, সরবরাহ চেইনের সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি বিবেচনায় Joint Coordination Committee (JCC) ঋণচুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ করে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২-এর প্রভিশনাল টেকওভার সময়সীমা ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের সূত্রে জানা যায়, একই VVER-1200 প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাঙ্গেরিতে দুই ইউনিটের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, মিশরে চার ইউনিটে ৩০ বিলিয়ন ডলার, তুরস্কে রাশিয়ার মালিকানাধীন চার ইউনিটে ২০ বিলিয়ন ডলার এবং বেলারুশে দুই ইউনিটে ১১ বিলিয়ন ডলার। এসব প্রকল্পের সঙ্গে তুলনা করলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ব্যয় আন্তর্জাতিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছে কমিশন।
অন্যদিকে, ভারতের কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে VVER-1000 প্রযুক্তির পঞ্চম ও ষষ্ঠ ইউনিটের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যন্ত্রপাতি সরবরাহেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতের পারমাণবিক শক্তিতে পূর্ব অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর কারণে তুলনামূলক কম ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১-এর কমিশনিং কার্যক্রম বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যা দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুই ইউনিট চালু হলে জাতীয় গ্রিডে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।