বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

মো: জাহিদুল ইসলাম সানি বিশেষ প্রতিনিধি

উপসহকারী প্রকৌশলী পদে সকাল রিট প্রত্যাহার এর দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম | 62 বার পড়া হয়েছে
উপসহকারী প্রকৌশলী পদে সকাল রিট প্রত্যাহার এর দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

সুপ্রিয় দেশবাসী, আপনারা সকলেই অবগত আছেন প্রকৌশল সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি কোর কমিটি গঠন করে। আশানুরূপ ভাবে তাদের অবস্থান হওয়ার কথা ছিলো নিরপেক্ষ এবং ন্যায়পাক্ষিক কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, এই কমিটি কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্ররোচিত হয়ে গত ২৭-০১-২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের নিয়োগ বিধিমালাকে উপেক্ষা করে ১০ম গ্রেডে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রি ধারিদের জন্য ৩৩% হারে উন্মুক্ত করার সুপারিশ প্রনয়ণ করে। যাহা নিতান্তই একটি ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আপনারা আরও জানেন আমরা ৭ দফা দাবি দিয়েছিলাম তারা তা সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করেছে। কোন কিছুর তোয়াক্কা করে নাই। যেহেতু ৭ দফা অগ্রাহ্য করা হয়েছে, এই কমিটি সম্পূর্ণভাবে তাদের হয়ে কাজ করছে। এর পাশাপাশি দেশকে অস্থিতিশীল করার নিমিত্তে বিএসসি ডিগ্রিধারী কিছু অসাধু ব্যাক্তিবর্গ উপসহকারী প্রকৌশলী পদে অনুষ্ঠিতব্য সার্কুলার গুলোতে অবৈধ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রিট করেছে। এছাড়াও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের উচ্চশিক্ষার জন্য ডুয়েট এবং নির্মাণাধীন ৪ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর উপর তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। যা কারিগরি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষার জন্য খুবই নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এইসমস্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসহ রাজশাহীর বিভিন্ন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আজ বাদ জুম্মা একটি বিক্ষোভ মিছিল ও প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ষড়যন্ত্রকারী কমিটি গঠন এবং শিক্ষার্থীবিরোধী বিভিন্ন সার্কুলার ও রিট শিক্ষাঙ্গনে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। এসব সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, বৈষম্যমূলক এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা বলে আমরা মনে করি। সুতরাং, অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করতে হবে। এই সুপারিশ মালা আমরা মানিনা ঐ টা আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ হোক।এই অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান এবং দাবীসমূহ হচ্ছে।ষড়যন্ত্রকারী কমিটি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। শিক্ষার্থীবিরোধী সার্কুলার সংক্রান্ত রিট প্রত্যাহার করতে হবে। কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মিত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলো দ্রুত খুলে দেয়া সহ দেশকে এই সেনসিটিভমুহুর্তে অস্থিতিশীল করাতে রুয়েট শিক্ষার্থী, মানষিক ভারসাম্যহীন সাকিবুল হক লিপু সহ সংশ্লিষ্ট দের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানাচ্ছি। ৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে যুক্ত উপদেষ্টারা, বাংলাদেশের উন্নয়নে ৮৫ ভাগ ভূমিকা রাখা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের অধিকার এই সময় হরণ করে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের অন্যায় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে রাষ্ট্রের যে সকল ক্ষয়ক্ষতি হবে তার জন্য একমাত্র উপদেষ্টারাই দায়ী।এইসমস্ত ন্যায্য দাবিতে আজকের কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।এতে রাজশাহীর অন্যান্য পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরাও সংহতি প্রকাশ করে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থবিরোধী সকল সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার না করলে আন্দোলন আরও কঠোর ও বিস্তৃত করা হবে। আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ, কিন্তু আমাদের অবস্থান আপসহীন।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!