বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: বরিশাল -৪

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩৮ এএম | 75 বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: বরিশাল -৪

আগামী সংসদ নির্বাচনের দিন-তারিখ এখনো নির্দিষ্ট হয়নি। তবে বরিশাল-৪ আসনে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নেমে পড়েছেন মাঠে। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই তারা নানাভাবে নির্বাচনি এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।

রাজনৈতিক নানা কর্মসূচিতে যোগদানের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছেন নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে। বিতরণ করছেন শীতবস্ত্র, অতিথি হচ্ছেন মাহে রমজানের দোয়া ও ইফতার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও। এলাকার মানুষের সমর্থন চাইছেন। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন তারা। ব্যানার-পোস্টার সাঁটিয়ে চাইছেন দোয়া। অবশ্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো সাংগঠনিক বা দলীয় তৎপরতা বরিশাল-৪ নির্বাচনি এলাকায় নেই।

বরিশালের ছয়টি আসনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন বরিশাল-৪। মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা উপজেলা এবং কাজিরহাট থানা নিয়ে গঠিত এ আসনের ভোটার ৪ লাখ ৪০ হাজার ২১৮ জন। এখানে আগাম নির্বাচনি তৎপরতা শুরু করেছেন বিএনপির সম্ভাব্য চার প্রার্থী। জামায়াতের এক প্রার্থীও জোর সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছেন। পাশাপাশি জামায়াত নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক কৌশলের অংশ হিসাবে মসজিদ-মাদ্রাসায় সমবেত হয়ে দোয়া মাহফিল করছেন। ইফতার মাহফিল, ইফতার সামগ্রী উপহার প্রদান, এসব মাহফিলে তারা ইসলামি শাসনব্যবস্থার নানাদিক তুলে ধরে বক্তব্য দিচ্ছেন। সমর্থন চাইছেন এলাকাবাসীর। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাত পাখা প্রতিকের মুফতী এসহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের এর রয়েছে দলিয় নেতৃবৃন্দ মাঝে ভালো তৎপরতা।

বিএনপির অন্যতম মনোনয়নপ্রত্যাশী দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য,বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব মেজবা উদ্দিন ফরহাদ ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান এলাকায় ব্যাপক সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। অনেকের ধারনামতে নমিনেষনের শেষ খেলাটা এই দুই জনের মধ্যেই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মেজবা উদ্দিন ফরহাদ ও রাজিব আহসান ছাড়াও বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসাবে মাঠে নেমেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ১নং সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক হাওলাদার, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য সহকারী এটর্নি জেনারেল এ্যাডভোকেট এম হেলাল উদ্দিন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসাবে মাঠে ব্যাপক দলীয় ও সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছেন দলের বরিশাল জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল জব্বার। তিনি যেমন সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন, তেমনি দলের দায়িত্বশীলরাও ব্যাপক তৎপর। তারা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ইসলামি সমাজ ও রাষ্ট্র কায়েমের কথা বলছেন।

মো সেলিম রানা

দেবিদ্বার পৌরসভার বাজেট নিয়ে প্রশ্ন, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি

মো সেলিম রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
দেবিদ্বার পৌরসভার বাজেট নিয়ে প্রশ্ন, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভার সাম্প্রতিক বাজেট ঘোষণা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে দেবিদ্বার পৌরসভার বাজেট প্রায় ৫৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট প্রায় ৪৫ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি ধরা হয়েছে।
এত বড় অংকের বাজেট ঘোষণার পর থেকেই পৌর এলাকার সাধারণ নাগরিক, সচেতন মহল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বাজেটের আয়-ব্যয় ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবায় এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে—তা জনগণের সামনে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সরকারি অর্থ মূলত জনগণের ট্যাক্স ও রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে আসে। ফলে এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি খাতের ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করা জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তারা মনে করেন, বাজেট ঘোষণার পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক বাস্তবায়ন, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহার এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করলে জনগণের আস্থা আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলার বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে, পৌরসভার দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের, বিশেষ করে হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে সকল খাতের আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ করার দাবি জানানো হচ্ছে। এতে করে পৌর এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণ স্পষ্ট ধারণা পাবে এবং ভবিষ্যতে পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজেটের তথ্য ও উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব উন্মুক্ত করলে শুধু বিতর্ক কমবে না, বরং জনগণের আস্থাও বাড়বে এবং প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
দেবিদ্বার উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌরসভার বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বিনামূল্যে (ভিজিএফ) চাল বিতরণ

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ এএম
উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বিনামূল্যে (ভিজিএফ) চাল বিতরণ

পবিত্র রমজান মাসে ঈদ উপহার হিসেবে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের (১২ মার্চ) সকাল ৯ টার সময় (ভিজিএফ) চাল বিতরণ উদ্বোধন করেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান এসময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান প্যানেল চেয়ারম্যান ছৈয়দ হামজা ও সদস্য সচিব মৃনাল বড়ুয়া।এবিষয়ে রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান জানান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার হতদরিদ্র মানুষের জন্য ঈদ উপলক্ষে উপহার স্বরুপ (ভিজিএফ) ১০ কেজি করে চাল প্রদান করেছেন হতদরিদ্র পরিবারের জন্য। এতে করে হতদরিদ্র পরিবার গুলো উপকৃত হয়েছেন বলে আমি মনে করি। আমার ইউনিয়নে ৭৭৫৪ হতদরিদ্র পরিবার এই চাল পাবেন।

উত্তরার হোটেলিয়ানদের মিলনমেলা: ইফতার ও ডিনারে আতিথেয়তা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

দিশা আক্তারঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
উত্তরার হোটেলিয়ানদের মিলনমেলা: ইফতার ও ডিনারে আতিথেয়তা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

রাজধানীর উত্তরা এলাকার বিভিন্ন হোটেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মীদের উদ্যোগে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা, ইফতার ও ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উত্তরার বিভিন্ন হোটেলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, পেশাগত সম্পর্ক জোরদার এবং আতিথেয়তা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হোটেল শিল্প শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের থাকা, বিশ্রাম, নিরাপত্তা ও সম্মানজনক আতিথেয়তার একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। একজন অতিথি যখন একটি হোটেলে আসেন, তখন তিনি শুধু একটি কক্ষ বা খাবারই পান না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, উত্তরা বর্তমানে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুত উন্নয়নশীল এলাকা। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কারণে এখানে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বহু মানুষের আগমন ঘটে। ফলে উত্তরা খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি সম্ভাবনাময় হসপিটালিটি হাব হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ রাখে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী হোটেল কর্মকর্তারা মনে করেন, মানসম্মত সেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা এবং পেশাদার আতিথেয়তার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পকে আরও উন্নত করা সম্ভব। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত ঐক্যের মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মিলনমেলার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

error: Content is protected !!