রাজধানীর উত্তরা এলাকার বিভিন্ন হোটেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মীদের উদ্যোগে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা, ইফতার ও ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উত্তরার বিভিন্ন হোটেলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, পেশাগত সম্পর্ক জোরদার এবং আতিথেয়তা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হোটেল শিল্প শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের থাকা, বিশ্রাম, নিরাপত্তা ও সম্মানজনক আতিথেয়তার একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। একজন অতিথি যখন একটি হোটেলে আসেন, তখন তিনি শুধু একটি কক্ষ বা খাবারই পান না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, উত্তরা বর্তমানে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুত উন্নয়নশীল এলাকা। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কারণে এখানে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বহু মানুষের আগমন ঘটে। ফলে উত্তরা খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি সম্ভাবনাময় হসপিটালিটি হাব হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ রাখে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী হোটেল কর্মকর্তারা মনে করেন, মানসম্মত সেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা এবং পেশাদার আতিথেয়তার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পকে আরও উন্নত করা সম্ভব। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত ঐক্যের মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মিলনমেলার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

