বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

নওগাঁ মিনি কক্সবাজার খ্যাত হাঁসাইগাড়ী বিলে এখন পর্যটকের হাতছানি দৃশ্যোর দেখা মেলে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:৩৯ পিএম | 289 বার পড়া হয়েছে
নওগাঁ মিনি কক্সবাজার খ্যাত হাঁসাইগাড়ী বিলে এখন পর্যটকের হাতছানি দৃশ্যোর দেখা মেলে

পানির ঢেউয়ের শব্দ আর সূর্যাস্তের সময় আকাশের লাল আভা পানিতে পড়তেই রক্তিম হয়ে ওঠে চারপাশ। নয়নাভিরাম এই দৃশ্যের দেখা মেলে হাঁসাইগাড়ী বিলে। বিলের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে আঁকাবাঁকা সড়ক। নির্মল বাতাস আর লাল শাপলা দর্শনার্থীদের মন কাড়ে। এখানে সময় কাটাতে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে আসেন দর্শনার্থীরা। নওগাঁ জেলা শহর থেকে সড়ক পথে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণ ও পশ্চিমে গেলে দেখা মিলবে হাঁসাইগাড়ী বিলের। শহরের গোস্তহাটির মোড় থেকে যে কোনো যানবাহনে চড়ে সেখানে যাওয়া যায়। নওগাঁ সদর উপজেলায় অবস্থিত হাঁসাইগাড়ী বিল। এ উপজেলার দুই ইউনিয়ন হাঁসাইগাড়ী ও শিকারপুর অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা। এ বিলে বছরে অর্ধেকের বেশি সময় পানি থাকে। এ বিলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেকের জীবন জীবিকা। প্রতিনিয়ত দূরদূরান্ত থেকে এখানে ঘুরতে আসেন বিনোদনপ্রেমীরা। আবার শুষ্ক মৌসুমে চলে ইরি- বোরোসহ বিভিন্ন রবিশস্যের আবাদ। তবে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে এ স্থানটি পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি পাবে। পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হলে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বেকারত্ব দূর হবে। শিকারপুর ইউনিয়নের খামারবাড়ি মোড় থেকে হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের কাটখৈইর বাজারের দূরত্ব প্রায় ৬ কিলোমিটার বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে গুটার বিলের মাঝ দিয়ে যাওয়া এ ৬ কিলোমিটার (হাঁসাইগাড়ী, হামরা পাড়া, ভুতলিয়া এবং কাটখৈইর) পথে মানুষের জীবন-যাপন ছিল কষ্টের। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য নওগাঁর কৃতিসন্তান মরহুম আব্দুল জলিলের স্বপ্ন ছিলো রাস্তা তৈরি করাসহ পাকাকরণ করে তার নির্বাচনি এলাকার মানুষের যোগাযোগসহ জীবন-যাপন সহজ করা। ২০১০ সালে প্রায় ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দে রাস্তাটির কাজ শুরু হয়। রাস্তাটি শিকারপুর এবং হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়ন ইউনিয়নের সংযোগ হয়। তারপর থেকে এ এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা পরিবর্তন হতে থাকে। রাস্তাটি হওয়ার পর বিলের পাশে থাকা গ্রামের নাম অনুসারে বর্তমানে এ বিলটি হাঁসাইগাড়ী বিল নামে পরিচিত পেয়েছে। রাস্তাটি নির্মাণের পর থেকেই এ বিলের অবারিত সৌন্দর্য মানুষের দৃষ্টিগোচর হয়। বিলের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা সড়ক বর্ষায় নয়না ভিরাম দৃশ্য। আবার শুষ্ক মৌসুমে সড়কের দুইপাশে সবুজ ধানের ক্ষেত সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। সারা বছরই এখানে দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকে। প্রতি বছর বর্ষায় এ বিলে পানিতে থাকে টইটম্বুর। বাতাসে ঢেউ সড়কে এসে আছড়ে পড়ে। এ যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। বিলের রুপালী জলের অবারিত সৌন্দর্য উপভোগ করাই নয়, ব্যবস্থা রয়েছে নৌকা ভ্রমণেও। সূর্যাস্তের সময় পশ্চিম আকাশের লাল আভা পানিতে পড়ায় সৃষ্টি হয় নয়নাভিরাম দৃশ্যের। বছরে প্রায় ৬ মাস পানি থাকে এ বিলে।স্থানীয়দের কাছে এটি মিনি কক্সবাজার নামে পরিচিত। বাড়তি আনন্দ পেতে শ্যালোমেশিন চালিত নৌকা নিয়ে ঘুরেন পর্যটকরা। অন্তত ২০০টি নৌকা রয়েছে এ বিলে। শুষ্ক মৌসুমে তারা অন্য পেশায় চলে যান। এ বিল কেন্দ্র করে নৌকা মাঝি ও ক্ষুদ্র দোকানি মিলে অন্তত ২৫০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। এদিকে বিলকে কেন্দ্র করে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন দর্শনার্থীদের জন্য এ বছর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেলফি কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। বিনোদন শেষে দর্শনার্থীরা ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে মুখরোচক অন্যান্য খাবার উপভোগ করেন। নেই ভাল কোন রেস্টুরেন্টে। একটি নলকুপ ও টয়লেট থাকলেও যা পর্যাপ্ত নয়। তারপরও প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসেন। তবে ছুটির দিনগুলোতো অন্তত ৫-৬ হাজার দর্শনার্থী হয়ে থাকে। এ বিলের আয়তন প্রায় ৩ হাজার ২০০ হেক্টর।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান

বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর,নেত্রকোনা জেলায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ৪মার্চ বুধবার সকাল ৯ ঘটিকা ঘটিকায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সম্মেলন কক্ষে, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন, ও বিআরটিএ ময়মনসিংহ বিভাগের আয়োজনে সড়ক দুর্ঘটনা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সম্মেলন কক্ষে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান সভাপতিত্ব করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) বি আর টি এ আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

error: Content is protected !!