শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

ধুম ফোর এ কার সঙ্গে রোম্যান্স করবেন রণবীর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১:১৭ এএম | 144 বার পড়া হয়েছে
ধুম ফোর এ কার সঙ্গে রোম্যান্স করবেন রণবীর

কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল বলিউডের ‘ধুম ফোর’ এ কারা রোম্যান্সের ধুম তুলবেন। সম্প্রতি নতুন খবর আসে – ‘ধুম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন রণবীর কাপুর। এই তারকার জন্মদিনে ভেসে আসে এই সুখবরটি। এবার জানা গেলো এই ছবিতে রণবীরের বিপরীতে পর্দায় রোমান্স করবেন কোন নায়িকা।
ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা যায়, ‘ধুম ফোর’ এর প্রযোজক আদিত্য চোপড়া’র সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছিল রণবীরের। ছবির গল্প শুনে নিজে থেকেই নাকি এই ছবিতে অভিনয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেন রণবীর। শোনা যাচ্ছে, এই ছবিতে রণবীরের সঙ্গে দেখা যেতে পারে শ্রদ্ধা কাপুরকেও। সম্প্রতি, বক্স অফিসে শ্রদ্ধা অভিনীত ‘স্ত্রী টু’ ছবির ব্যাপক সাফল্যের পর তাকে নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে ধুম সিরিজের নির্মাতারা।
গেলো বছর মুক্তি পাওয়া ‘তু ঝুটি ম্যায় মাক্কার’ ছবিতে শ্রদ্ধার সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন রণবীর। এবার ধুম এ তাদের জুটিবদ্ধ হওয়ার ফিসফাস গুঞ্জনে পরিণত হতেই নড়েচড়ে বসেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ এই খবরে খুশি হয়ে লিখেছেন – কোনো মিষ্টি চরিত্রের বদলে ‘ধুম ফোর’ এ খোল চরিত্রে শ্রদ্ধা অভিনয় করলে দারুণ মানাবে। যদিও নেটিজেনদের একটি বড় অংশের দাবি, শ্রদ্ধা নয় বরং দীপিকা পাড়ুকোনকে রণবীরের বিপরীতে এই ছবিতে সবথেকে ভাল মানাবে। তাছাড়া, রণবীর – দীপিকার জুটি বড়পর্দায় যতটা জনপ্রিয়, ঠিক ততটাই চর্চিত। আর দীপিকা অ্যাকশনেও দারুণ পটু। ভিন ডিজেলের মতো হলিউড তারকার সঙ্গে অ্যাকশন ছবিতেও অভিনয় করে নজর কেড়েছিলেন সম্প্রতি মা হওয়া এই তারকা নায়িকা।
এদিকে কোনো কোনো নেটিজেনরা লিখেছেন – শ্রদ্ধা কিংবা দীপিকা নয়। ‘ধুম ফোর’ এ রণবীর কাপুরের সঙ্গে পর্দায় দারুণ মানাবে তৃপ্তি দিমরিকে। ‘অ্যানিম্যাল’ ছবিতে রণবীর – তৃপ্তির জুটি দুর্ধর্ষ মানিয়েছিল। সেই রসায়নের ঝলক ‘ধুম ফোর’ এ আসলে দারুণ জমে যাবে।’
জানা গেছে, ‘ধুম’ সিরিজের ছবিতে খল চরিত্রদের কেন্দ্র করেই গল্প। এর আগে এই ধরনের চরিত্রে দেখা গেছে জন আব্রাহাম, হৃত্বিক রোশন, আমির খানের মতো তারকাদের। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রণবীর কাপুরের নাম। তবে এই ছবিতে পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় আর অভিষেক বচ্চনকে দেখা যাবে না। সূত্রের খবর, অভিষেকের পরিবর্তে দুই পুলিশ অফিসারের চরিত্রের জন্য যশরাজ ফিল্মসের তরফে প্রস্তাব গেছে বলিউডের নবীন প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় অভিনেতার কাছে। যদিও তাদের নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ২০২৫ এর শেষেই নাকি ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ঈশ্বরদীতে দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
ঈশ্বরদীতে দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া এলাকায় অবস্থিত দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুল–এর শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিলের উদ্যোগে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব উপহার সামগ্রী তুলে দেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট গোপাল অধিকারী। পুরো কার্যক্রমের সমন্বয় করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন। এ সময় বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবার এবং শিশুদের মাঝে বিভিন্ন ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়, যাতে তারাও ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে পারে।

উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে উপকারভোগীরা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, সমাজের সচেতন ও সামর্থ্যবান মানুষ যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তবে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটবে এবং ঈদের আনন্দ সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে পড়বে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে দাশুড়িয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুল শিক্ষার্থীদের কল্যাণ তহবিলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

দুর্গাপুর উপজেলায় পথচারী ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

মোঃ খোরশেদ আলম লালন প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৪ পিএম
দুর্গাপুর উপজেলায় পথচারী ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় পথচারী ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছে ‘দুর্গাপুর স্বচ্ছ প্রেসক্লাব’। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬ইং) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৫০০ পথচারী ও অসহায় মানুষের হাতে ইফতার তুলে দেওয়া হয়। ইফতার বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা মামুন।
ইফতার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে প্রধান অতিথি মো. গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, সাংবাদিকদের মূল দায়িত্ব হলো সত্য, বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সমাজের অসংগতি তুলে ধরা। গুজব ও মিথ্যা তথ্য থেকে দূরে থেকে নির্ভুল তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত মতামতের চেয়ে তথ্য-প্রমাণকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোনো বিশেষ পক্ষের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। সাংবাদিকতায় সততা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার পাশাপাশি এমন কোনো সংবাদ পরিবেশন করা যাবে না, যা সমাজে বিভ্রান্তি বা ঘৃণা ছড়াতে পারে।
গোলাম মোস্তফা মামুন সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে সংবেদনশীল বা ঝুঁকিপূর্ণ সংবাদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি ভাষা ও বানানের বিষয়ে সচেতন থাকা এবং নিয়মিত পড়াশোনা ও গবেষণার মাধ্যমে তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান তিনি।
ইফতার নিতে আসা পথচারী ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটে ওঠে। তাঁরা বলেন, দুর্গাপুরে এই প্রথম এত বড় পরিসরে ইফতার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমন মানবিক উদ্যোগের জন্য দুর্গাপুর স্বচ্ছ প্রেসক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাঁরা।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রুবেল সরকার, মো: চয়েন উদ্দিন শেখ, মো:শহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, দুর্গাপুর স্বচ্ছ প্রেসক্লাবের সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আ:খালেক, সহ-সভাপতি মো: খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রাকিবুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: হাবিবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আসাদুজ্জামান সুমন, আইনবিষয়ক সম্পাদক এ এইচ বিজয়, কোষাধ্যক্ষ মো:রবিউল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সিহাব আলম সম্রাট, প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জীবন,ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিকবিষায়ক সম্পাদক নাইম ইসলাম সহ প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্যরা।

থামছে না ‘মাটিদস্যুদের’ দৌরাত্ম্য

ফেনীতে ফসলি জমির টপসয়েল যাচ্ছে শতাধিক ইটভাটায়

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১১ পিএম
ফেনীতে ফসলি জমির টপসয়েল যাচ্ছে শতাধিক ইটভাটায়

আইন অমান্য করে রাতের আঁধারে কৃষিজমি, খাল ও নদীপাড় থেকে মাটি কাটছে সিন্ডিকেট; ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও বন্ধ হচ্ছে না পরিবেশবিধ্বংসী বাণিজ্য

ফেনী জেলায় কৃষি জমির উর্বর মাটি কেটে শতাধিক ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কৃষি জমি ব্যবহার ও সুরক্ষা আইন এবং পরিবেশ আইন অমান্য করে দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফসলি জমির টপসয়েল (উর্বর মাটি) কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা নামলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে মাটিদস্যুদের সিন্ডিকেট। প্রতিদিন শত শত ট্রাক ও পিকআপে করে মাটি পরিবহন করা হচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। মাটিবাহী এসব ভারী যানবাহনের কারণে স্থানীয় সড়কগুলোও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জেলার ফেনী সদর উপজেলার বিরলী, ভগবানপুর, শর্শদী, বালিগাঁও, লেমুয়া, ছনুয়া, মোটবী ও কাজিরবাগ এবং দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর, জায়লস্কর, সিন্দুরপুর, রামনগর, এয়াকুবপুর ও মাতৃভূঞাসহ ফুলগাজী, পরশুরাম ও সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় এক দশক ধরে এই অবৈধ মাটি কাটার কার্যক্রম চলছে।

অভিযোগ রয়েছে, লেমুয়া ও ছনুয়া ইউনিয়নের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে শত শত একর কৃষিজমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।

ফলে লেমুয়ার দক্ষিণ লেমুয়া, মীরগঞ্জ, উত্তর চাঁদপুর ও দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায় বিস্তীর্ণ কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এদিকে ফেনী সদরের বিরলী ও রতনপুর এলাকায় বিগত দেড় যুগ ধরে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় অবাধে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি বিরলী ও ভগবানপুরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করের চড়া খালের পাড়ও কেটে নেওয়া হয়েছে। এমনকি মাটি পরিবহনের সুবিধার্থে খালের পাড় এবং বন বিভাগের গাছ কেটে বিকল্প রাস্তা তৈরি করার ঘটনাও ঘটেছে।

এ ঘটনায় খবর পেয়ে ফেনী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন অভিযান চালান। অভিযানে কাউকে আটক করা না গেলেও তিনটি এক্সকাভেটর জব্দ করা হয় এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উত্তর কাশিমপুর গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ২০ থেকে ৩০ ফুট গভীর গর্ত করে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে।

এর ফলে পাশের জমির মাটিও ধসে পড়ছে এবং অনেক জমি জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। আগে এসব জমিতে বোরো ধান ও সরিষা চাষ হলেও এখন সেখানে ফসল উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, অনেক জমির মালিক টাকার লোভে মাটি বিক্রি করলেও অধিকাংশ কৃষক মাটি ব্যবসায়ীদের চাপের মুখে বাধ্য হয়ে জমির মাটি বিক্রি করছেন।

এসব মাটির শেষ গন্তব্য হচ্ছে জেলার বিভিন্ন ইটভাটা।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত এক মাসে রাতের বেলায় পরিচালিত ২৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এতে ২১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং সাতজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জব্দ করা হয়েছে মাটি কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম।

ফেনী উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তৈয়ব বলেন, “ফসলি জমির উপরের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি মাটিতে জৈব উপাদান থাকে। এই মাটি কেটে নেওয়া হলে জমির উর্বরতা স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়। তাই কৃষিজমির মাটি কাটা সম্পূর্ণ বেআইনি।”

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, “বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ফসলি জমির টপসয়েল বিক্রি করা আইনত অপরাধ।

মাটি বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই সমানভাবে দায়ী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

স্থানীয় সচেতন মহলের আশঙ্কা, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে ভবিষ্যতে ফেনীতে কৃষিজমির পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমে যাবে এবং খাদ্য উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

error: Content is protected !!