শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

নিউজ সিক্স

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৫ ডেমো নিউজ সিক্স

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৩:০৭ পিএম | 141 বার পড়া হয়েছে
প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৫ ডেমো নিউজ  সিক্স

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

এলাকাবাসী সংস্কারের দাবি জানিয়েছে

দিঘলিয়া সেনহাটি ইউনিয়নে ইটের সড়কের ভয়াবহ মরণ ফাঁদ

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৪ পিএম
দিঘলিয়া সেনহাটি ইউনিয়নে ইটের সড়কের ভয়াবহ মরণ ফাঁদ

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের শেখপাড়া এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

এলাকার আতাই নদীর তীর ঘেঁষে নির্মিত ইটের সলিংয়ের এই সড়কটির অবস্থা এতটাই নাজুক হয়ে পড়েছে যে, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গেছে, বড় ধরনের ফাটল এবং কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।
নদীর পানির চাপ ও ভাঙনের কারণে সড়কের পাশের অংশ ধসে পড়ছে। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুল ইসলাম জানান, সড়কটির বর্তমান অবস্থার কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, “দ্রুত সড়কটি সংস্কার না করা হলে নদীর পানির চাপে এটি পুরোপুরি ভেঙে যেতে পারে।”তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সড়কটি ভেঙে গেলে আশপাশের শত শত বিঘা কৃষিজমি ও মৎস্য ঘের মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। এতে করে এলাকার কৃষক ও ঘের মালিকদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হবে।
এলাকাবাসী জানান, এই সড়কটি তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের একমাত্র ভরসা।
শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণির মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। সড়কের এমন দুরবস্থার কারণে যেকোনো সময় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করে তোলা হবে।

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: (আহমদ রেজা)

হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: (আহমদ রেজা) প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪১ পিএম
হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার উত্তর বন্দর গ্রামে প্রখ্যাত ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) বিকাল ৪টা থেকে বাদ এশা পর্যন্ত এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, মাওলানা মুফতি নঈম উদ্দিন আল কাদেরী (রহ.)-এর সহযোদ্ধা এবং আনোয়ারা উপজেলায় ইসলামী ছাত্রসেনা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.) দীর্ঘ ১৬ বছর মসজিদুল ইকরার খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন। গত ২৮ রমজান রাত ৯টার দিকে এতেকাফরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরদিন ২৯ রমজান রাত ৯টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার আকস্মিক ইন্তেকালে এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে এবং এবারের ঈদকে শোকের আবহে পালন করেন স্থানীয়রা।

স্মরণ সভায় কোরআন খতম, গাউছিয়া খতম, নাতে মোস্তফা (সা.) পরিবেশন, আলোচনা সভা, মিলাদ, কিয়াম ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তর বন্দর এলাকার বিভিন্ন মসজিদের খতিব, পেশ ইমাম, মোয়াজ্জেম, হাফেজ ও ছাত্রবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— মসজিদুল ইকরা মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আলম, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোঃ ফারুক, মধ্য বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খালেক, উত্তর বন্দর শাহী জামে মসজিদ কমিটির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বুলু, কাফকো সিবিএ সভাপতি পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আনিসুর রহমান চৌধুরী, উত্তর বন্দর ব্লাড ডোনেশন গ্রুপের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা (আনোয়ারা পশ্চিম) সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম (আনোয়ারা পশ্চিম) এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবু সালাম, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট উত্তর বন্দর ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ আসাদুর রহমানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ সাদ্দাম হোসেন। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন মোঃ ইরফান আহমেদ মাঈন এবং নাতে মোস্তফা পরিবেশন করেন মোকাদ্দেস হোসেন। সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন মঈনীয়া যুব ফোরাম আনোয়ারা উপজেলার সভাপতি মোহাম্মদ জহির উদ্দিন সওদাগর।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, হাফেজ মোহাম্মদ হোসাইন (রহ.) প্রায় ৬৫ বছরের জীবনে ধর্মীয় শিক্ষা, শিক্ষকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। যশোরে জন্ম হলেও তিনি জীবনের অধিকাংশ সময় উত্তর বন্দর গ্রামের মানুষের সাথে কাটিয়েছেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, সদালাপী ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। গ্রামের মানুষকে সাথে নিয়ে জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) প্রতিষ্ঠায়ও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

বক্তারা আরও বলেন, তিনি কখনো কারো সাথে কঠোর আচরণ করেননি; বরং হাসিমুখে সকলের সাথে মিশে থাকতেন এবং ইসলামের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।

পরিশেষে, মিলাদ, কিয়াম ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা হেলাল উদ্দিন আল কাদেরী ও মাওলানা মাহফুজুর রহমান আল কাদেরী।

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী

পটিয়ার ছনহরায় হজরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসার বার্ষিক সভা অনুষ্টিত

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৭ পিএম
পটিয়ার ছনহরায় হজরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসার বার্ষিক সভা অনুষ্টিত

চট্টগ্রামের পটিয়া ছনহরা হযরত চিকন খলিফা ছিদ্দিক আহমদ আলিম মাদরাসা, ছায়রা ছিদ্দিক এতিমখানা ও হেফজখানার বার্ষিক সভা ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বিকেলে এ সভা অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসা এতিমখানা ও হেফজখানার প্রতিষ্ঠাতা এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া।বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম নেচার, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির, চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতি,সহ অনেকে ।এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন চৌধুরী, হাজী শাহেব মিয়া চম্পা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হক, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, আফরোজা বেগম জলি, আবু জাফর চৌধুরী, জিয়াউর রহমান, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, আমির হোসেন সওদাগর,কাসেম চেয়ারম্যান, নাজিম উদ্দীন, আলমগীর মেম্বার, এম এ রুবেল প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শাহাদাত হোসেন সুমন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমান সময়ের নানা বিভাজন, হিংসা ও মতপার্থক্য ভুলে ইসলামের মহান আদর্শকে সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবতার ধর্ম—এই শিক্ষাকে সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিতে আলেম-ওলামা ও সচেতন মহলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

error: Content is protected !!