শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক পোস্ট নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১১ পিএম | 47 বার পড়া হয়েছে
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক পোস্ট নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন

জনপ্রিয় ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে বেশ পরিচিতি পাওয়া একটি চ্যানেল ‘দ্য দেশভক্ত’। ৬০ লাখেরও বেশি সাবস্ক্রাইবারের এই চ্যানেলের সঞ্চালক ভারতের আকাশ ব্যানার্জি। সাধারণত দেশ ও বৈশ্বিক রাজনীতি-অর্থনীতিসহ সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন তিনি। এ ধরনের কনটেন্টের ওপর এবার কঠোর নিয়ন্ত্রণ আনতে যাচ্ছে ভারতের সরকার।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে, টেক জায়ান্ট ফেসবুক, ইউটিউব এবং এক্স-এর (সাবেক টুইটার) মতো প্ল্যাটফর্মে সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কাজ করা ইনফ্লুয়েন্সার ও পডকাস্টারদের নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নতুন এক প্রস্তাবনা দিয়েছে। মূলত অনলাইন সংবাদের নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও বিস্তৃত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দেশটির আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) নিয়মনীতিতে কিছু সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। এর ফলে যারা নিবন্ধিত সংবাদ প্রকাশক নন, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কনটেন্ট শেয়ার করেন, তাঁদেরও এখন থেকে নিবন্ধিত সংবাদ মাধ্যমগুলোর মতো ‘আচরণবিধি’ (কোড অব এথিক্স) মেনে চলতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে সাধারণ ব্যবহারকারী, স্বতন্ত্র সাংবাদিক ও পডকাস্টারদের সংবাদ সংক্রান্ত পোস্টের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়বে। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো যদি ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা (ব্যবহারকারীর পোস্ট করা কনটেন্টের জন্য আইনি দায়মুক্তি) বজায় রাখতে চায়, তবে তাদের সরকারি আদেশ ও নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

সরকারের এই প্রস্তাবিত সংশোধনী ডিজিটাল অধিকারকর্মী ও স্বতন্ত্র কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে রাষ্ট্রীয় সেন্সরশিপ বা সেন্সর আরোপের পথ সুগম হবে। একই সঙ্গে ভিন্নমতাবলম্বী ও সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু বানাতে এই নিয়মের অপব্যবহার হতে পারে বলেও তাঁরা সতর্ক করেছেন।

সরকারের দাবি, এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিদ্যমান আইটি নিয়মগুলো আরও শক্তিশালী হবে এবং ভুয়া খবর, ঘৃণ্য বক্তব্য (হেট স্পিচ) ও ডিপফেক মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে ১৪ এপ্রিলের মধ্যে জনসাধারণের মতামত চেয়েছে মন্ত্রণালয়।

তবে সরকারের এই যুক্তিতে আশ্বস্ত হতে পারছেন না সমালোচকরা। ৬০ লাখেরও বেশি সাবস্ক্রাইবার থাকা ইউটিউব চ্যানেল ‘দ্য দেশভক্ত’-এর সঞ্চালক আকাশ ব্যানার্জি বলেন, এই নিয়মগুলো ক্রিয়েটরদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি করবে, যা তাঁদের ‘সেলফ-সেন্সরশিপ’ বা স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের দিকে ঠেলে দেবে।

তিনি আরও বলেন, ‘মজার বিষয় হলো, অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের এত আইন থাকা সত্ত্বেও দেশে ঘৃণ্য বক্তব্য ও ভুয়া খবর কমেনি। উল্টো সরকারের সমালোচনামূলক পোস্টগুলো—এমনকি সেগুলো ব্যঙ্গাত্মক হলেও—বেশি করে ব্লক বা সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’ তবে কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

গত মাসে আইটি আইনের ৬৯এ ধারায় দেওয়া সরকারি নির্দেশে এক্স (সাবেক টুইটার) প্রায় এক ডজন অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেয়, যাদের অধিকাংশই সরকারের সমালোচনা করে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেওয়ার জন্য পরিচিত। ‘@Nehr_who?’ নামক এক্স অ্যাকাউন্টের মালিক কুমার নয়ন বিবিসিকে জানিয়েছেন, কোনো পূর্ব নোটিশ বা কারণ ছাড়াই তাঁর অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে তাঁর অ্যাকাউন্টটি সচল হলেও ১০টি পোস্ট এখনো ভারতে ব্লক করে রাখা হয়েছে। এসব পোস্টের বেশিরভাগই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে করা।

নয়ন প্রশ্ন তোলেন, ‘কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ বলবে না যে এই পোস্টগুলো জাতীয় নিরাপত্তা বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি। এগুলো স্রেফ কৌতুকপূর্ণ পোস্ট, তাহলে সরকার কেন এগুলো সরাতে চায়?’ আদালতের আশ্রয় নেওয়ায় তাঁর পরিচয় এখন প্রকাশ্য, যা নিয়ে তিনি নিরাপত্তার শঙ্কায় রয়েছেন এবং ইতিমধ্যে নিজের বাসস্থান পরিবর্তন করেছেন।

এদিকে, সাম্প্রতিক এক মার্কিন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,২০২১ সাল থেকে ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর ওপর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট ও অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নেওয়ার চাপ বাড়ছে।

ডিজিটাল অধিকারকর্মী নিখিল পাহওয়া বলেন, প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো সরকারের ‘গণ-সেন্সরশিপ অবকাঠামো’কে কেবল আরও শক্তিশালী করবে। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’য় প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের একটি পরিবর্তনের ফলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘সহযোগ’ পোর্টালের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে, যার মাধ্যমে স্বচ্ছতার অভাব থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সংস্থা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।

২০২৬ সালের শুরুর দিকে আইটি নিয়ম আবারও সংশোধন করা হয়, যেখানে সরকারি নির্দেশ পালনের সময়সীমা ৩৬ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে মাত্র ৩ ঘণ্টা করা হয়েছে। এর ফলে আইনি পর্যালোচনার সুযোগও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। পাহওয়া বলেন, ভারতের বাজার ধরতে গিয়ে প্ল্যাটফর্মগুলো এসব নির্দেশ মেনে নিচ্ছে, আর সাধারণ নাগরিকরা তাঁদের বাকস্বাধীনতা হরণের কোনো কারণ বা নোটিশ পাচ্ছেন না।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব এস কৃষ্ণান অবশ্য এই নিয়মের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বিবিসিকে বলেন, সংবাদ ও সমসাময়িক বিষয়গুলো এখন আর শুধু সংবাদ প্রকাশকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, সাধারণ মানুষও এগুলো শেয়ার করছে। তাই সবকিছুর জন্য একটি সাধারণ নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, সন্দীপ সিং নামে এক ব্যক্তির এক্স অ্যাকাউন্ট গত মার্চ থেকে ব্লক করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমগুলো বিজেপি সরকারের প্রতি ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ মনে হওয়ায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছিলেন। সন্দীপের ভাষ্য, ‘আমি সত্যের পক্ষে এবং আমার অ্যাকাউন্ট বা পোস্ট ব্লক করে আমাকে থামানো যাবে না।’

কুমার নয়ন বলেন, আদালতের যাওয়ার সামর্থ্য সবার থাকে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ, তাহলে এখানে নির্ভয়ে নিজের কথা বলা এত কঠিন হয়ে উঠল কেন?’

দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।

মোঃ খোরশেদ আলম লালন বিভাগীয় ব্যুরো চিফ রাজশাহী। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
দুর্গাপুরে সরকারি খাস পুকুর সমিতির নামে নিয়ে সাব-লীজ, সভাপতিদের ব্যাপক অনিয়ম।

 

রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় সরকারি খাস পুকুর লিজ ইজারায় বিভিন্ন সমিতির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক তাদের উপর ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পুকুর লিজ নিয়ে তারা নিজেরা মাছ চাষ করেনা, এতে দেখা যায় সরকারি শর্তাবলী লংঘন করে এবং তাদের দেওয়া অঙ্গীকার তারা নিজেরাই ভঙ্গ করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে অচল সমিতিকে পুকুর পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র প্রদান। তিন বছর পর পর কুকুর লিজ নিয়ে,লিজ দেয়াই তাদের ব্যবসা। সমিতির কেউ পুকুর সরেজমিনে চিনেনা। এ ব্যবসা দুর্গাপুর উপজেলায় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একটি সমিতির ম্যানেজার/সাধারণ সম্পাদক, লিজ বানিজ্য বন্ধ করতে, প্রমাণ সহ লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী বাদী মোঃ জফির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক/ ম্যানেজার, “আমার বাড়ি আমার খামার সমিতির পক্ষে লিখিত ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লীজ বাতিলের আবেদন করেছেন। তার দাবি তার সমিতির দর অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও সে পুকুর পায়নি। অনেক অচল সমিতি দির্ঘদিন কার্যক্রম নেই, সেগুলো সমিতি শুধু মাত্র পুকুর নেয়ার জন্য প্রত্যয়নপত্র, রেজুলেশন,অডিট ইত্যাদি কাগজপত্র তৈরি করে এগুলো অপকর্মে জড়িত আছেন।‌ কিছু দালাল চক্র মোঃ গোলাম মোস্তফা মান্নান, অফিস সহকারী কৃষ্ণপুর মাদ্রাসা এই দালালের কাজ মাধ্যম হয়ে পুকুর দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করা। সমিতির সভাপতির কাগজপত্র টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়ে ব্যবসা করাই তার কাজ। যাচাই বাছাই তদন্ত না করেই এগুলো সমিতিকে পুকুর লিজ দিয়েছেন। কিছু পুকুর লিজ বাতিলের জন্য অভিযোগ দায়ের করেছেন অনেকে। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছেন,কোন সমাধান এখনো হয়নি। কিছু সমিতির সভাপতি টাকার বিনিময়ে সমিতি বিক্রি করে দিয়েছে আগেই। দ্বিতীয় বার আবার পুকুর দেখা শুনা করার জন্য সমিতির সভাপতি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে, অন্য ব্যক্তির কাছে পুকুর লিজ প্রদান করে দেয়। কোন সমিতির সভাপতি নিজেরা পুকুরে মাছ চাষ করে না। এলাকার লোকজন বলছে এরা অপরাধী। পুকুর লিজ ছাড়া এদের কোন ভিত্তি নেই। অনেকেই কাগজপত্র তৈরি করে জাল স্বাক্ষর করে,পুকুর লিজ পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করছেন। নামে মাত্র মৎস্য জীবী সমিতি,বাস্তবে এদের কিছু নেই। সভাপতি একাই যা করে তাই, সদস্যরা তেমন অবগত নয়। অভিযুক্ত পুকুরের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। মৌজা বিআড়, জে এল নং ৮৯, দাগ নং ৫৩৪, পরিমাণ ৫৮, শতাংশ। কিসমত বগুড়া , জে এল নং ৮২, দাগ নং ৮১৮, রকম পুকুর, খতিয়ান ১,
পরিমাণ ৭৪ শতাংশ। মৌজার রঘুনাথপুর,জে এল নং ৮৫, খতিয়ান১,দাগ নং ১৮৮৭,পরিমাণ ৭০ শতক। মৌজা রঘুনাথপুর, জে এল নং ৮৫, খতিয়ান নং১,দাগ নং ১৬৩৯,পরিমাণ ১.৯০ একর। উল্লেখিত পুকুর গুলো সমিতির সভাপতিগন সাব- লীজ দিয়েছে,কেউ আবার দেখা শুনা করার জন্য স্ট্যাম্প করে লিজ প্রদান করেছেন। তদন্ত পূর্বক,অবৈধ লিজ বাতিল করতে, প্রশাসনের কাছে একান্ত দাবি।

ফেনীতে ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতির এনসিপিতে যোগদান

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৭ পিএম
ফেনীতে ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতির এনসিপিতে যোগদান

নতুন রাজনৈতিক যাত্রায় গাজী ইউছুপ বাপ্পি, তরুণ নেতৃত্বে শক্তি বাড়ানোর আশা এনসিপির

ফেনীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দিয়েছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ ফেনী জেলা শাখার সদ্য সাবেক সভাপতি গাজী ইউছুপ বাপ্পি। বিকেলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপি ফেনী জেলা শাখায় যোগদান করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার তিনি ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
শহরের জুলাই চত্বরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে এনসিপির জেলা আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত, সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা উদ্দিন সজিব এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুহাইমিন তাজিম ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় গাজী ইউছুপ বাপ্পি আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে দলের সঙ্গে যুক্ত হন।
যোগদান শেষে গাজী ইউছুপ বাপ্পি বলেন,
“স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার মাধ্যমে তরুণ বিপ্লবীরা একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন। এনসিপি সেই সম্ভাবনাকে ধারণ করছে। আমি আজ থেকে জুলাইয়ের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির নতুন পথে যাত্রা শুরু করলাম।”
তিনি আরও বলেন, তরুণদের নেতৃত্বে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব এবং এনসিপির মাধ্যমে সেই পরিবর্তনের অংশ হতে চান তিনি।
এদিকে, এনসিপি ফেনী জেলা আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম সৈকত বলেন,
“জুলাইয়ের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি থেকে গড়ে ওঠা এনসিপি একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গাজী বাপ্পীর মতো উদ্যমী ও সচেতন তরুণদের দলে অন্তর্ভুক্তি আমাদের শক্তিকে আরও বেগবান করবে।”
তিনি আরও জানান, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে যারা একটি গণমুখী ও পরিবর্তনধর্মী রাজনীতিতে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এনসিপির দরজা উন্মুক্ত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ নেতৃত্বের এই ধরনের দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতাদের মূলধারার রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফেনীতে গাজী ইউছুপ বাপ্পির এই যোগদানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যা আগামী দিনে আরও বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খানপুর মানবকল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে, অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে চাউল বিতরণ,

নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি, প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
খানপুর মানবকল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে, অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে চাউল বিতরণ,

 

১১ই এপ্রিল ২০২৬ রোজ শুক্রবার, ২ টা ৩০ মিনিটে, নারায়ণগঞ্জের, খানপুর মানব কল্যাণ সংস্থার, পক্ষ থেকে, অর্ধ এলাকার, অসহায় হতদরিদ্রের মাঝে, চাউল বিতরণ করেন,

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক হইতে অনুদানকিত চাউল, খানপুর মানব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ওয়ার্ডের, অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মাঝে, অদ্য এলাকার গণ্যমান্য, প্রধান অতিথি, ব্যক্তিবর্গ, মোহাম্মদ আজাদ সাহেবের উপস্থিতিতে,
পারভিন আক্তার,এর সভাপতিত্বে, হাজী মোঃ নাজির খান এর সঞ্চালনায়, একশত পরিবারের মাঝে, চাউল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়,
উক্ত চাউল অসহায় পরিবাররা পেয়ে খুব আনন্দিত।

error: Content is protected !!