রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

শিশুকে সফল হিসেবে দেখতে চান?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম | 78 বার পড়া হয়েছে
শিশুকে সফল হিসেবে দেখতে চান?

নিজের সন্তানকে সফল হিসেবে দেখতে কে না চায়? বিষয়টি কঠিন কিছু নয় বলে জানাচ্ছেন গবেষকেরা।

গবেষণা থেকে জানা যায়, ঘরের কাজ করতে জানা শিশুদের জীবনে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শৈশব মানে শুধু খেলাধুলা বা পড়াশোনা নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি গড়ার উপযুক্ত সময়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণা, বিশেষ করে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৭৫ বছরের একটি গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে একটি ভিন্ন সম্ভাবনার কথা। গবেষণার ফলাফলে দাবি করা হয়েছে, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে ঘরের কাজে অংশ নেয়, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তাদের সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। ঘরের ছোট ছোট কাজ শিশুদের মধ্যে এমন কিছু গুণ তৈরি করে, যা কোনো পাঠ্যবই শেখাতে পারে না। বৈজ্ঞানিক গবেষণার আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শৈশবের ছোট ছোট দায়িত্ব একটি শিশুকে মানসিকভাবে পরিপক্ব ও স্বাবলম্বী করে তোলে।

গবেষণা যা বলছে

হার্ভার্ড স্টাডি: ১৯৩৮ সাল থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ গবেষণায় দেখা গেছে, সফল ব্যক্তিদের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য ছিল, তাঁরা ছোটবেলায় নিয়মিত ঘরের কাজ করতেন। এটি তাঁদের মধ্যে শক্তিশালী ওয়ার্ক এথিকস বা কাজের প্রতি নিষ্ঠা তৈরি করেছে।

প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্য: ২০১৯ সালের একটি গবেষণা জানাচ্ছে, যেসব শিশু কিন্ডারগার্টেন থেকে ঘরের কাজে যুক্ত থাকে, পরবর্তী জীবনে তাদের গণিতের নম্বর এবং আত্মবিশ্বাস অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি হয়।

সঠিক সময়: মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণামতে, ৩ থেকে ৪ বছর বয়সে শিশুকে ছোট কাজে যুক্ত করা ভালো। ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সে শুরু করলে তার প্রভাব ততটা কার্যকর হয় না।

আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ

গবেষণা বলছে, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে নিজের খেলনা গোছানো বা ঘর পরিষ্কারের মতো কাজে অংশ নেয়, তাদের মধ্যে একধরনের আত্মকার্যকারিতা তৈরি হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৭৫ বছরের এক বিখ্যাত গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে ঘরের কাজ করা শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় পেশাগত জীবনে অনেক বেশি সফল হয়। এর কারণ হলো, তারা খুব অল্প বয়স থেকে একটি কাজ শুরু করে তা শেষ করার আনন্দ ও তৃপ্তি অনুভব করতে শেখে। এই অভ্যাসের ফলে তারা বড় হয়ে যেকোনো কঠিন কাজকে ভয় না পেয়ে বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে।

সময় ব্যবস্থাপনা ও কর্মনিষ্ঠা

সাফল্যের একটি বড় শর্ত হলো সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করা। ঘরের কাজে নিয়োজিত থাকলে শিশুরা বুঝতে পারে, পৃথিবী শুধু তাদের ইচ্ছেমতো চলে না। তারা বুঝতে শেখে, পৃথিবীতে কিছু কাজ রুটিনমাফিক করতে হয়। পড়াশোনার ফাঁকে বা খেলার আগে নিজের কাপড় ভাঁজ করা বা থালাবাসন ধোয়ার মাধ্যমে তারা কাজের গুরুত্ব নির্ধারণ করতে শেখে। এই অভ্যাস বড় হয়ে কর্মক্ষেত্রে তাদের সময়ানুবর্তী এবং অত্যন্ত নিষ্ঠাবান করে গড়ে তোলে।

সহমর্মিতা ও সামাজিক দক্ষতা

একটি শিশু যখন ঘরের কাজে হাত লাগায়, তখন সে পরোক্ষভাবে তার বাবা-মায়ের পরিশ্রমের মূল্য বুঝতে পারে। এটি তাদের মধ্যে গভীর সহমর্মিতা তৈরি করে। তারা বুঝতে শেখে যে একটি সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে পরিবারের সবার অবদান প্রয়োজন। এই টিমওয়ার্ক বা দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা তাদের সামাজিক সম্পর্কগুলোকে মজবুত করে এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরের কাজ করা শিশুরা অন্যদের চেয়ে বেশি বন্ধুবৎসল এবং পরোপকারী হয়।

স্বনির্ভরতা বনাম পরনির্ভরশীলতা

অনেক সময় অভিভাবকেরা ভালোবেসে শিশুদের সব কাজ নিজে করে দেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এটি শিশুদের জন্য আসলে ক্ষতিকর। এতে তারা পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং নতুন কিছু করার সাহস হারায়। অন্যদিকে, ৩ থেকে ৪ বছর বয়স থেকে শিশুকে ছোট ছোট কাজে উৎসাহিত করলে তারা স্বনির্ভর হয়ে ওঠে। তারা বুঝতে পারে, নিজের যত্ন এবং নিজের চারপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্বটি একান্তই তাদের। এই স্বনির্ভরতা তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে এবং ভবিষ্যতে একাকী যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহায্য করে।

বয়স অনুযায়ী কিছু সহজ কাজের তালিকা

৩ থেকে ৫ বছরের শিশুদের খেলনা গুছিয়ে রাখা, ময়লা জামাকাপড় ঝুড়িতে রাখা, পোষা প্রাণীকে খাবার দেওয়ার মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত রাখতে পারেন। ৬ থেকে ৯ বছরের শিশুদের খাবার টেবিল গোছানো, নিজের বিছানা ঠিক করা, বাগান করা বা গাছে পানি দেওয়ার মতো কাজ করাতে পারেন। আর ১০ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের দিয়ে কাপড় ভাঁজ করা, ঘর মোছা বা ঝাড়ু দেওয়া, হালকা রান্না বা খাবার পরিবেশন করাতে পারেন।

নিখুঁত হওয়ার প্রয়োজন নেই

একটি শিশু যখন প্রথমবার ঘর কিংবা থালাবাসন পরিষ্কার করবে, তা হয়তো নিখুঁত হবে না। কিন্তু অভিভাবক হিসেবে আপনার কাজ হলো তাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করা। শিশুদের কাজ করে দিলে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ হারাবে। মনে রাখতে হবে, আজকের ছোট ছোট কাজই ভবিষ্যতে তাদের দায়িত্বশীল ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। শিশুদের ঘরের কাজ করানো মানে তাদের শৈশব কেড়ে নেওয়া নয়, বরং তাদের জীবনের বড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা। এটি তাদের সৃজনশীলতা বাড়ায়, যুক্তি দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে শেখায় এবং সর্বোপরি একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তাই শিশুদের কাজ করতে দেওয়া শুধু ঘরের পরিচ্ছন্নতার জন্য নয়, বরং তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।

সূত্র: সাইকোলজি টুডে

মোঃ আপেল মিয়া কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে নতুন যাত্রার সুচনা

মোঃ আপেল মিয়া কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৪ পিএম
কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে নতুন যাত্রার সুচনা

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে সূচিত হলো এক নতুন অধ্যায়।

জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সফল ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় নবাগত জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্নপূর্ণা দেবনাথের দক্ষতা, সততা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে গেছে। তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নবাগত প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভকামনা। তাঁর নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ আরও গতিশীল, জনমুখী ও উন্নয়নমুখী হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

কুড়িগ্রামের অগ্রযাত্রা হোক আরও শক্তিশালী,ও সমৃদ্ধ।

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন ও বিপণন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন ও বিপণন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন, বিপণন এবং সুশৃঙ্খল ব্যবহার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত ​সভায় জনাব মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলা প্রশাসক, চুয়াডাঙ্গা’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুদ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

​সভায় বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে সঠিক ও মানসম্মত জ্বালানি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু রাখবে। কোনো ধরণের অনিয়ম বা কালোবাজারি পরিলক্ষিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জ্বালানি তেলের পরিবহন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

​এছাড়াও সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিজিবি, পাম্প মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কৃষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ

পরিশেষে, আসন্ন দিনগুলোতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী ও ডিলারদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম)

পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা এলাকায় স্বর্গীয় স্বপন দে’র বাড়িতে শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

গত ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ভক্তদের ব্যাপক অংশগ্রহণে এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, সমবেত প্রার্থনা, মায়ের শুভ অধিবাস, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগ আরতি ও কীর্তন, শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ, জাগরণ পূতিপাঠ, গীতা পাঠ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও নৃত্য প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, ধুনুচি নৃত্য, ধর্মীয় নাটিকা (থিমস), পাল্টা কীর্তন, অতিথি সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ এবং অন্নপ্রসাদ বিতরণ।
২৪ মার্চ মহাষষ্ঠীতে মায়ের বরণ ও ধুনুচি নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রত্যয় বড়ুয়া ও তনু চৌধুরী।
২৫ মার্চ মহাসপ্তমীতে জাগরণ পূতিপাঠ পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ। রাতে পাল্টা কীর্তনে অংশ নেন কবিয়াল বিকাশ দত্ত, ঝিনুক সরকার, নিরঞ্জন সরকার, হৃদয় বড়ুয়া ও তাঁদের দল।
২৬ মার্চ মহাঅষ্টমীতে গীতাপাঠ, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন স্বপ্না ঘোষ ও রিপন দাশ। রাতে একক লালন সংগীত পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ধর্মীয় থিম “মহামায়ায় মহাভারত” পরিবেশন করেন শ্রীজাতা চৌধুরী বন্যা।
২৭ মার্চ মহানবমীতে গীতা পাঠ পরিবেশন করেন বিকাশ দত্ত। নৃত্য প্রতিযোগিতা শেষে রাতে “ত্রিগুণাত্মিকা” শীর্ষক ধর্মীয় থিমস্ উপস্থাপন করে টিম যাজ্ঞসেনী, পরিচালনায় ছিলেন পার্থ দেওয়ানজী।
২৮ মার্চ শুভ বিজয়া দশমীতে মায়ের বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

মহতী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উপদেষ্টা নেপাল কর।
শ্রীজাতা চৌধুরী বন্যা সঞ্চালনায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
কৈলাসশ্বরী, শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উপদেষ্টা মৃদুল পারিয়াল, আশালতা কলেজ সাবেক সভাপতি প্রবাল কৃষ্ণ দে,সংগঠক ও তরুণ রাজনীতিবিদ দোলন বড়ুয়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সনজিব ঘোষ,রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজের প্রভাষক রাজীব ঘোষ,রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক রতন বড়ুয়া, রাউজান প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মিলন বৈদ্য শুভ।
সম্মানিত অতিথি সংগঠক ও সমাজসেবক শিবু বিশ্বাস, মইশকরম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রনজিত দাশ, হলি চাইন্ড স্কুল এন্ড কলেজের ভাইচ প্রিন্সিপাল পরমেশ ধর, স্টার লিট গ্রামার স্কুলের সহকারী শিক্ষক উজ্জ্বল ঘোষ,
সংগঠক ও সমাজসেবক সুধীর মুহুরী,শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসীম পারিয়াল,ক্ষেত্রপাল বিগ্রহ মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক পণ্ডিত লাভলু পারিয়াল,শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক সনজিত ধর বাপ্পু,বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সভাপতি বিটু কান্তি দে প্রমূখ

শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা পরিচালনা পরিষদের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন তপন দে,সুধীর দে,অধীর দে,রণধীর দে,রুবেল দে রাসেল দে সহ অন্যান্য সকল সদস্য বৃন্দ।

চারদিনব্যাপী এই মহতী আয়োজন ঘিরে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

error: Content is protected !!