সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২

কাজল ইব্রাহিম

রেকর্ড জটিলতায় শতভাগ জমি নিয়ে বিরোধ: শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দখল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম | 56 বার পড়া হয়েছে
রেকর্ড জটিলতায় শতভাগ জমি নিয়ে বিরোধ: শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দখল

জামালপুর ব্রিটিশ কাচারীর আওতাধীন মোহনগঞ্জ মহাকুমার অন্তর্গত উমানাথ চক্রবর্তী কাচারির একটি জমি সংক্রান্ত জটিল বিরোধ বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জমির সিএস রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ান নং ১৫০, মূল দাগ নং ৪০০ এবং পার্শ্ববর্তী দাগ নং ৩৭২সহ মোট জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন ঘাঠু শেখ ও হাটু শেখ গং। উক্ত জমির মধ্যে দাগ নং ৩৭০, ৩৭১ ও ৩৭২ অনুযায়ী যথাক্রমে ৪৫ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ জমি বিভিন্ন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং সিএস অনুযায়ী প্রকৃত দখলদার ছিলেন হাটু শেখ ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারগণ। পরবর্তীতে উক্ত মালিকগণ ৯২২৭ নং সাব-রেজিস্ট্রেশন দলিলের মাধ্যমে মো. কান্দু শেখের নিকট জমি বিক্রি করেন। কান্দু শেখের মৃত্যুর পর তার একমাত্র পুত্র জালাল উদ্দিন মন্ডল এবং চার কন্যা—রহিতন, সহিতন, আফিরন ও তাফিরন—ওয়ারিশ হন এবং পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির অংশ জালাল উদ্দিনের পুত্র ও ভাতিজা ইদ্রিস আলীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

‎জালাল উদ্দিন মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৬০ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসেন এবং তার মৃত্যুর পর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাগণ উত্তরাধিকারসূত্রে উক্ত জমি ভোগদখল অব্যাহত রাখেন। কিন্তু ১৫-০৪-২০১৮ তারিখে খারিজের জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান যে, কান্দু শেখ ও জালাল উদ্দিনের নামে আরএস (ROR) ও বিএস (BRS) রেকর্ড না থাকায় খারিজ প্রদান সম্ভব নয়। তাহলে কি মূল মালিকানার ধারাবাহিকতা কোথাও বিঘ্নিত হয়েছে? পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয় যে, আরএস রেকর্ডে খতিয়ান নং ৮৫৬ ও ৮৬১ অনুযায়ী দাগ নং ৫৯৬, ৫৯৭, ৫৯৮ ও ৫৯৯ জমি শ্যাম লাল মাল্লা ও সুরেশ চন্দ্র পালের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে, যা মূল মালিকানা ধারাবাহিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক প্রশ্নের উদ্রেক করে।

‎এর মধ্যে শ্যাম লাল মাল্লা ৪৭ শতাংশ জমি রেকর্ড পান এবং উক্ত জমির ৩৩ শতাংশ ১৮-১২-১৯৬৪ তারিখে ২৮৯৬ নং দলিলের মাধ্যমে শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শ্যাম লাল মাল্লার মৃত্যুর পর তার পুত্র ইন্দ্র লাল মাল্লা ২৪-১২-১৯৭৯ তারিখে ২০৩৫৫ নং দলিলের মাধ্যমে একই দাগে ১ একর ১.৪৬ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নিকট সাব-কবলা প্রদান করেন, যদিও তার পিতার নিকট অবশিষ্ট জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। তাহলে অতিরিক্ত প্রায় ১৩২ শতাংশ জমি বিক্রির বৈধতা কোথায়? এটি কি সুস্পষ্ট আইনগত অসংগতি নয়? এই বিষয়টি জালিয়াতির ইঙ্গিত বহন করে কি না—সে প্রশ্নও এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলে। অন্যদিকে, সুরেশ চন্দ্র পালের নামে রেকর্ডকৃত ১১ শতাংশ জমি ওয়ারিশবিহীন হওয়ায় সরকারি খাসে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে তা স্থানীয় কানু শেখের নিকট লিজ প্রদান করা হয়; বাকি ২ শতাংশ জমির কোনো সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া যায়নি—এটিও কি আরেকটি প্রশাসনিক শূন্যতা নির্দেশ করে?

‎পরবর্তীতে বিএস জরিপে শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে খতিয়ান নং ৫, দাগ নং ৪০৮-এ ৪৩ শতাংশ জমি রেকর্ড হয়; একই সঙ্গে ১২ শতাংশ জমি খতিয়ান নং ৫৮৮ অনুযায়ী আব্দুর রহমানের নামে এবং ৫ শতাংশ জমি খতিয়ান নং ৯০২ অনুযায়ী কানু শেখের ওয়ারিশদের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এদিকে সিএস খতিয়ান নং ১৫০ অনুযায়ী দাগ নং ৪০০-এর ৮১ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক হাটু শেখ ও তার ওয়ারিশগণ—মোহর মন্ডল, যহর মন্ডল ও কান্দু মন্ডল—বর্তমানে এই অংশের উত্তরাধিকারী; অথচ উক্ত ৮১ শতাংশ জমির উপর শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মিত রয়েছে, যেখানে বিদ্যালয়ের কোনো বৈধ দলিল নেই বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। তাহলে বৈধ দলিল ব্যতীত এই দখল কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো? পাশাপাশি দাগ নং ৩৭০, ৩৭১ ও ৩৭২-এর আওতাধীন প্রায় ৬০ শতাংশ খালি জমি, যা মামলা নং ১৬৮/২০১৮ (পরবর্তীতে ৭২৬/২০২১) হিসেবে বিচারাধীন, সেখানে সম্প্রতি স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে জোরপূর্বক দখল ও প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন ইদ্রিস আলী মন্ডল গং; বাধা প্রদান করলে তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে—এটি কি আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন নয়?

‎বাংলাদেশের প্রচলিত ভূমি আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার মালিকানার অতিরিক্ত জমি বিক্রি করতে পারে না এবং বৈধ অধিগ্রহণ ব্যতিরেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখল দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এই প্রেক্ষাপটে ইদ্রিস আলী মন্ডল গং প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে, আদালত ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনবোধে ৮০ পৃষ্ঠার বিস্তারিত দলিলপত্র উপস্থাপন করা সম্ভব। তাহলে কি এখনই যথাযথ তদন্ত ও দাগ-রেকর্ডের সমন্বিত যাচাই প্রয়োজন নয়? তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রকৃত মালিকানা যাচাই সাপেক্ষে বৈধ ওয়ারিশদের জমি ফেরত প্রদান, জবরদখল ও হুমকির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ওপর সংঘটিত মানহানি ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দীর্ঘদিনের এই জটিল ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য যথাযথ রেকর্ড যাচাই, দাগ সমন্বয় নিরূপণ এবং আদালতের চূড়ান্ত রায়ই একমাত্র স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে সক্ষম—এটি কি এখন সময়ের অনিবার্য দাবি নয়?

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও উখিয়ায় একটি শিশুপার্ক গড়ে ওঠেনি

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪০ পিএম
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও উখিয়ায় একটি শিশুপার্ক গড়ে ওঠেনি

শিশুদের চিত্তবিনোদনের প্রধান আকর্ষণ হলো শিশুবিনোদন কেন্দ্র বা শিশুপার্ক। পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য যেমন খেলাধুলা প্রয়োজন তেমনি ছুটির দিনে চিত্তবিনোদনের জন্য একটি সুন্দর শিশুপার্ক প্রয়োজন। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে থাকলেও পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী শহর উখিয়া উপজেলায় নেই। স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও এই বিষয়টি নিয়ে কোন সরকারি কিংবা বেসরকারি দপ্তর এগিয়ে আসেনি। প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি উখিয়া উপজেলা সীমান্তের পূর্ব পাশে মায়ানমার ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর তারই মাঝখানে গড়ে ওঠা তেরোটি পালংয়ের বিনিসুতোয় গাঁথা উখিয়া উপজেলা। শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতিতে কোন দিক দিয়ে পিঁছিয়ে নেই উখিয়া উপজেলা। ১৫ লক্ষ রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ার এই জনপদে নেই কোন বিনোদন নেই কোন আনন্দের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।
শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য ছুটির দিনে সময় কাটানোর জন্য একটি চিত্তবিনোদন কেন্দ্র অর্থাৎ শিশুপার্ক অত্যান্ত প্রয়োজন।
এই বিষয়ে উখিয়া উপজেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,রাজনীতিবিদ,অধ্যাপক তহিদুল আলমের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান শিশুপার্ক বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উখিয়ার শিশু,কিশোর, বয়োবৃদ্ধ মানুষের জন্য চিত্তবিনোদনের কোন ব্যবস্থা নেই, গত সতেরো বছর উন্নয়নের নামে আওয়ামীলীগ সরকার হরিলুট করেছে। চোখে পড়ার মতো কোন উন্নয়ন করেনি,আমি উখিয়া টেকনাফের মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি উখিয়ায় শিশু কিশোর বয়োবৃদ্ধের আনন্দময় সময় কাটানোর জন্য একটি শিশুপার্ক একান্ত আব্যশক। এবং এটি সময়ের দাবি।
বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমার প্রাণেরদাবি দেশের প্রথম উন্নয়নটি উখিয়া থেকে শুরু হোক। একটি শিশুপার্ক উখিয়াবাসীর গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশার মধ্যে অন্যতম।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৫ পিএম
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এসব কর্মসূচি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে নতুন পথ দেখিয়েছিল।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের দিন ভোর ৫টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই দিন ভোরে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়া এর আগের দিন ২৫ মার্চ রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে এক স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে। বিগত সময়ে মানুষের সব স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে গুম ও খুনের মাধ্যমে এক ভয়াবহ বন্দিদশা তৈরি করা হয়েছিল। যারা স্বাধীনতাকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, তারা আজ পরাজিত।

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন। তাঁর ত্যাগের বিনিময়েই দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এখন মানুষ অন্তত নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে। গঠনমূলক সমালোচনা করার পরও কেউ রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না—এটিই নতুন বাংলাদেশের বড় অর্জন।’

তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের সামনে যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা পূরণের লক্ষ্যে দেশ ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সবকিছু গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।’

নতুন গণতন্ত্রের এই পথচলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা এখনো কুৎসা রটাচ্ছে, তাদের গায়ে ফ্যাসিবাদের তকমা লেগে যাবে।’

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা

ফুলছড়িঘাটের বেড়িবাধে ঈদের দ্বিতীয় দিন বিনোদনপ্রেমীদের জনসমুদ্র

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
ফুলছড়িঘাটের বেড়িবাধে ঈদের দ্বিতীয় দিন বিনোদনপ্রেমীদের জনসমুদ্র

পবিত্র ঈদ উপলক্ষে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফুলছড়ি বেড়িবাঁধ এলাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে দ্বিতীয় দিন রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বেড়িবাঁধ এলাকা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে অনেকেই বেড়িবাঁধ ও নদীর পাড়ে ভিড় জমায়। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে সেখানে ছবি তোলা, ঘোরাঘুরি আবার কেউ কেউ পরিবার সহ নৌকায় করে চড়ে ঘুরছে এবং কেউ আবারভআড্ডায় মেতে ওঠেন।

ফুলছড়ি বেড়িবাঁধ ও হাজিরহাট শাপলা চত্বরের আশপাশে অস্থায়ী দোকানপাট, ফুচকা, চটপটি ও আইসক্রিম বিক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে। এতে করে এলাকাটি এক প্রকার মেলায় পরিণত হয়। শিশুদের আনন্দ উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো।

তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কিছুটা যানজটেরও সৃষ্টি হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।

একজন দর্শনার্থীরা বলেন, “ঈদের আনন্দটা পরিবারের বাইরে বন্ধুদের সাথে ভাগাভাগি করতেই এখানে আসা। পরিবেশটা খুবই সুন্দর ও ভালো লাগার মতো।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ঈদের সময় এমন জনসমাগমকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

error: Content is protected !!