সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২

ট্রেনযাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন দিনমজুর এনামুল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৩ পিএম | 52 বার পড়া হয়েছে
ট্রেনযাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন দিনমজুর এনামুল

মানবিক অনুভূতি আর উপস্থিত বুদ্ধির দৃষ্টান্ত গড়লেন দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর দিনমজুর এনামুল হক (৬৫)। ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিলেন তিনি। এমন সময় চোখে পড়ে লাইনের প্রায় এক ফুট অংশ ভাঙা। সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী স্টেশনে খবর পৌঁছানোর জন্য আশপাশের লোকদের ফোনকল করতে বলেন। আর নিজে খুঁজতে থাকেন লাল রঙের কাপড় বা কিছু। কোনো কিছু না পেয়ে তাৎক্ষণিক বুদ্ধিতে কলাগাছ থেকে মোচা ছিঁড়ে নেন। সেটির পাপড়ি লাঠির আগায় বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকেন। কিছুক্ষণ পরই আসা ট্রেনটি সংকেত পেয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। আর বেঁচে যায় কয়েক শ প্রাণ!

ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার ঈদের তৃতীয় দিন সকাল সাড়ে ৬টায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেলওয়ের মধ্যবর্তী স্থানে। দিনমজুর এনামুল হক ওই এলাকার পূর্ব চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত ফজলুল হক সোনারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেলওয়ের মধ্যবর্তী স্থান পূর্ব চণ্ডীপুর এলাকায় এনামুল হক রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী-ঢাকা-খুলনা-রাজশাহীগামী রেলপথের প্রায় এক ফুট অংশ ভাঙা দেখতে পান। তাৎক্ষণিক তিনি আশপাশের লোকজনকে ডেকে রেলওয়ের অফিসে ফোনকল করতে বলেন। সেই সঙ্গে দ্রুত পাশের একটি কলাবাগান থেকে কলার মোচা ভেঙে এনে পাপড়ি (মোচার অংশ) লাঠিতে বেঁধে রেললাইনে দাঁড়িয়ে যান।

মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আন্তনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি কাছাকাছি চলে আসে। কিন্তু এনামুলের হাতে ‘লাল পতাকা’ দেখে ট্রেনটি নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে যায়। কয়েক শ যাত্রী ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যান। প্রতিদিন ওই পথে ঢাকা, রাজশাহী, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, পার্বতীপুর, চিলাহাটিসহ উত্তরাঞ্চলে ১০-১৫টি ট্রেন যাতায়াত করে।

এদিকে এনামুল হকের ডাকে সাড়া দিয়ে ওই গ্রামের একরামুল হকের ছেলে শাহিনুর পার্বতীপুর রেলওয়ে অফিসে ফোনকল করেন। আধা ঘণ্টা পর রেলওয়ের প্রকৌশলী টিম ও শ্রমিকেরা এসে বিকল্প ব্যবস্থায় ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করেন।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রেললাইন সম্পূর্ণ মেরামত সম্পন্ন হয়েছে এবং রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

পূর্ব চণ্ডীপুর গ্রামে এনামুল হকের বাড়িতে গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা জানান, ওই ঘটনার পর তিনি কাজের সন্ধানে ফরিদপুর জেলার উদ্দেশে বেরিয়ে গেছেন।

রেলওয়ে অফিসে ফোন করে খবর দেওয়া ব্যক্তি শাহিনুরের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, প্রতিবেশী এনামুল হক ঘুম থেকে ডেকে তুলে তাঁকে বিষয়টি জানান। সেটি শুনে তিনি দ্রুত তাঁর পরিচিত এক রেল কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান। পরে রেলওয়ের লোকজন গিয়ে ভেঙে যাওয়া স্থানে আটকে থাকা পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে কাঠ দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। পরে ওই লাইন মেরামত করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

ফুলবাড়ী স্টেশনমাস্টার শওকত আলী জানান, সকাল সাড়ে ৬টায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী-বিরামপুর রেলওয়ের মধ্যবর্তী ৩৫২/৫ থেকে ৩৫২/৬ মধ্যে রেললাইন ভেঙে যাওয়ার খবর পান তাঁরা। দ্রুত প্রকৌশলী টিম গিয়ে রেললাইন মেরামত করেছে। বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সময় আধা ঘণ্টার অধিক সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।

স্টেশনমাস্টার জানান, ওই এলাকাবাসীর সচেতনতার কারণে আজ একটি ট্রেন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল অনেক প্রাণ।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি একই রেলপথের সান্তাহার এলাকায় রেল দুর্ঘটনায় আন্তনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রায় ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে প্রায় ১৮ ঘণ্টা রেল যোগযোগ বন্ধ ছিল। এতে ঈদে ঘরমুখী মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়।

কাজল ইব্রাহিম

রেকর্ড জটিলতায় শতভাগ জমি নিয়ে বিরোধ: শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দখল

কাজল ইব্রাহিম প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৯ পিএম
রেকর্ড জটিলতায় শতভাগ জমি নিয়ে বিরোধ: শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে দখল

জামালপুর ব্রিটিশ কাচারীর আওতাধীন মোহনগঞ্জ মহাকুমার অন্তর্গত উমানাথ চক্রবর্তী কাচারির একটি জমি সংক্রান্ত জটিল বিরোধ বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জমির সিএস রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ান নং ১৫০, মূল দাগ নং ৪০০ এবং পার্শ্ববর্তী দাগ নং ৩৭২সহ মোট জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন ঘাঠু শেখ ও হাটু শেখ গং। উক্ত জমির মধ্যে দাগ নং ৩৭০, ৩৭১ ও ৩৭২ অনুযায়ী যথাক্রমে ৪৫ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ জমি বিভিন্ন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং সিএস অনুযায়ী প্রকৃত দখলদার ছিলেন হাটু শেখ ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারগণ। পরবর্তীতে উক্ত মালিকগণ ৯২২৭ নং সাব-রেজিস্ট্রেশন দলিলের মাধ্যমে মো. কান্দু শেখের নিকট জমি বিক্রি করেন। কান্দু শেখের মৃত্যুর পর তার একমাত্র পুত্র জালাল উদ্দিন মন্ডল এবং চার কন্যা—রহিতন, সহিতন, আফিরন ও তাফিরন—ওয়ারিশ হন এবং পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমির অংশ জালাল উদ্দিনের পুত্র ও ভাতিজা ইদ্রিস আলীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

‎জালাল উদ্দিন মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৬০ শতাংশ জমি ভোগদখল করে আসেন এবং তার মৃত্যুর পর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাগণ উত্তরাধিকারসূত্রে উক্ত জমি ভোগদখল অব্যাহত রাখেন। কিন্তু ১৫-০৪-২০১৮ তারিখে খারিজের জন্য স্থানীয় ভূমি অফিসে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান যে, কান্দু শেখ ও জালাল উদ্দিনের নামে আরএস (ROR) ও বিএস (BRS) রেকর্ড না থাকায় খারিজ প্রদান সম্ভব নয়। তাহলে কি মূল মালিকানার ধারাবাহিকতা কোথাও বিঘ্নিত হয়েছে? পরবর্তীতে অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয় যে, আরএস রেকর্ডে খতিয়ান নং ৮৫৬ ও ৮৬১ অনুযায়ী দাগ নং ৫৯৬, ৫৯৭, ৫৯৮ ও ৫৯৯ জমি শ্যাম লাল মাল্লা ও সুরেশ চন্দ্র পালের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে, যা মূল মালিকানা ধারাবাহিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক প্রশ্নের উদ্রেক করে।

‎এর মধ্যে শ্যাম লাল মাল্লা ৪৭ শতাংশ জমি রেকর্ড পান এবং উক্ত জমির ৩৩ শতাংশ ১৮-১২-১৯৬৪ তারিখে ২৮৯৬ নং দলিলের মাধ্যমে শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নিকট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শ্যাম লাল মাল্লার মৃত্যুর পর তার পুত্র ইন্দ্র লাল মাল্লা ২৪-১২-১৯৭৯ তারিখে ২০৩৫৫ নং দলিলের মাধ্যমে একই দাগে ১ একর ১.৪৬ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নিকট সাব-কবলা প্রদান করেন, যদিও তার পিতার নিকট অবশিষ্ট জমির পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। তাহলে অতিরিক্ত প্রায় ১৩২ শতাংশ জমি বিক্রির বৈধতা কোথায়? এটি কি সুস্পষ্ট আইনগত অসংগতি নয়? এই বিষয়টি জালিয়াতির ইঙ্গিত বহন করে কি না—সে প্রশ্নও এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলে। অন্যদিকে, সুরেশ চন্দ্র পালের নামে রেকর্ডকৃত ১১ শতাংশ জমি ওয়ারিশবিহীন হওয়ায় সরকারি খাসে পরিণত হয় এবং পরবর্তীতে তা স্থানীয় কানু শেখের নিকট লিজ প্রদান করা হয়; বাকি ২ শতাংশ জমির কোনো সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া যায়নি—এটিও কি আরেকটি প্রশাসনিক শূন্যতা নির্দেশ করে?

‎পরবর্তীতে বিএস জরিপে শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে খতিয়ান নং ৫, দাগ নং ৪০৮-এ ৪৩ শতাংশ জমি রেকর্ড হয়; একই সঙ্গে ১২ শতাংশ জমি খতিয়ান নং ৫৮৮ অনুযায়ী আব্দুর রহমানের নামে এবং ৫ শতাংশ জমি খতিয়ান নং ৯০২ অনুযায়ী কানু শেখের ওয়ারিশদের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এদিকে সিএস খতিয়ান নং ১৫০ অনুযায়ী দাগ নং ৪০০-এর ৮১ শতাংশ জমির প্রকৃত মালিক হাটু শেখ ও তার ওয়ারিশগণ—মোহর মন্ডল, যহর মন্ডল ও কান্দু মন্ডল—বর্তমানে এই অংশের উত্তরাধিকারী; অথচ উক্ত ৮১ শতাংশ জমির উপর শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মিত রয়েছে, যেখানে বিদ্যালয়ের কোনো বৈধ দলিল নেই বলে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। তাহলে বৈধ দলিল ব্যতীত এই দখল কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো? পাশাপাশি দাগ নং ৩৭০, ৩৭১ ও ৩৭২-এর আওতাধীন প্রায় ৬০ শতাংশ খালি জমি, যা মামলা নং ১৬৮/২০১৮ (পরবর্তীতে ৭২৬/২০২১) হিসেবে বিচারাধীন, সেখানে সম্প্রতি স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে জোরপূর্বক দখল ও প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন ইদ্রিস আলী মন্ডল গং; বাধা প্রদান করলে তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে—এটি কি আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন নয়?

‎বাংলাদেশের প্রচলিত ভূমি আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার মালিকানার অতিরিক্ত জমি বিক্রি করতে পারে না এবং বৈধ অধিগ্রহণ ব্যতিরেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখল দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এই প্রেক্ষাপটে ইদ্রিস আলী মন্ডল গং প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের নিকট সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং জানিয়েছেন যে, আদালত ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনবোধে ৮০ পৃষ্ঠার বিস্তারিত দলিলপত্র উপস্থাপন করা সম্ভব। তাহলে কি এখনই যথাযথ তদন্ত ও দাগ-রেকর্ডের সমন্বিত যাচাই প্রয়োজন নয়? তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রকৃত মালিকানা যাচাই সাপেক্ষে বৈধ ওয়ারিশদের জমি ফেরত প্রদান, জবরদখল ও হুমকির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ওপর সংঘটিত মানহানি ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দীর্ঘদিনের এই জটিল ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য যথাযথ রেকর্ড যাচাই, দাগ সমন্বয় নিরূপণ এবং আদালতের চূড়ান্ত রায়ই একমাত্র স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে সক্ষম—এটি কি এখন সময়ের অনিবার্য দাবি নয়?

বিটিএস ব্যান্ডের জাংকুকের সঙ্গে অরিজিৎ সিং

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৪ পিএম
বিটিএস ব্যান্ডের জাংকুকের সঙ্গে অরিজিৎ সিং

ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের পর বিটিএস ব্যান্ডের জাংকুকের সঙ্গে গান নিয়ে আসছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং; এমন খবরে সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া। এর মধ্যে ইনস্টাগ্রামে অরিজিতের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে সেই গুঞ্জন আরও উসকে দিয়েছেন জাংকুক।

ইনস্টাগ্রামে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন জাংকুক। প্রথম ছবিতে অরিজিৎ ও জাংকুককে একসঙ্গে খেতে দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয় ছবিতে দেখা যায় গিটার বাজাচ্ছেন জাংকুক এবং মনোযোগ দিয়ে শুনছেন অরিজিৎ। তৃতীয় ছবিটি দেখে মনে হচ্ছে, নতুন কিছুর ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে। এতে দুই গায়ককে একটি মিউজিক রুমে বসে থাকতে দেখা যায়।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে জাংকুক জানান, গানের জন্য সম্প্রতি ভারতে এসেছিলেন তিনি। সেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরায় বন্দী করে ভক্তদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন জাংকুক। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এটা বেশ কিছুদিন ধরে গোপন রাখতে চেয়েছিলাম…আমি সম্প্রতি কাউকে না জানিয়ে ভারতে এসেছিলাম। কোনো শো-এর জন্য নয়, ক্যামেরার জন্যও নয়…শুধু গানের জন্য। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে দেখা হলো। আমরা একসঙ্গে বসেছিলাম, কথা বলেছিলাম, পুরোনো স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছিলাম এবং বিশেষ কিছু তৈরি করেছি।’

এদিকে চার বছর বিরতির পর ২০ মার্চ প্রকাশ পেয়েছে বিটিএসের নতুন অ্যালবাম ‘আরিরাং’। এটি দলটির পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম। মুক্তির প্রথম দিনেই বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন কপি, যা কে-পপের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড।

এই অ্যালবামের ‘সুইফম’ গানটি বিশ্বজুড়ে ঝড় তুলেছে। ৯০টি দেশে আইটিউনস টপ সংস চার্টের শীর্ষে রয়েছে এটি। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স—সব বড় বাজারে এক নম্বর। দক্ষিণ কোরিয়ার চার্টেও দ্রুত শীর্ষ স্থান দখল করেছে গানটি।

 

গায়ের জোরে আইনের বাইরে কাজ করবেন না

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
গায়ের জোরে আইনের বাইরে কাজ করবেন না

ঠাকুরগাঁও সদরের একটি ফিলিং স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কোথাও গায়ের জোরে আইনের বাইরে কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না এবং এ ধরনের মব সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

আজ সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ‘নেহা নদী’ পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমার ঠাকুরগাঁওতে একটা পেট্রলপাম্প ভেঙে দিলে। কেন? তারা তেল দিতে চায় নাই। তো ভাই, তুমি পাম্পটা ভাঙলা কেন? অভিযোগ থাকলে যারা দায়িত্বশীল আছে তাদের বলো। পাম্প ভাঙলে কেন? মব আমরা তৈরি করতে দেব না। মবকে আমরা কঠোর হস্তে দমন করব।’

তেল ও জিনিসপত্রের দাম বাড়বে, সেগুলো সয়ে নিয়ে এগোতে হবে: মির্জা ফখরুলতেল ও জিনিসপত্রের দাম বাড়বে, সেগুলো সয়ে নিয়ে এগোতে হবে: মির্জা ফখরুল
এ সময় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি এসপি সাহেবকে ধন্যবাদ দিই যে ওই রাত্রে সাতজনকে উনি গ্রেপ্তার করেছেন। সুতরাং সবাই সাবধান থাকবেন, কোথাও গায়ের জোরে আইনের বাইরে কোনো কাজ করবেন না। এটা আমরা হতে দেব না।’

ঠাকুরগাঁওয়ে ফিলিং স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরঠাকুরগাঁওয়ে ফিলিং স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুর
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স হানিফ ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড সার্ভিসিং সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই রাতে জ্বালানি নিতে পাম্পের সামনে ৭০০ থেকে ৮০০ মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি ছিল। রাত ১১টার দিকে সিরিয়াল নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি সশস্ত্র দল লোহার রড ও বাঁশ নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

error: Content is protected !!