সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২

রোম্যান্টিক সিনেমায় কিং খান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম | 28 বার পড়া হয়েছে
রোম্যান্টিক সিনেমায় কিং খান

বলিউডের কিং শাহরুখ খান। গত এক দশক ধরে পর্দায় তার সেই চেনা রোম্যান্টিক অবতারের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। অ্যাকশন হিরোর খোলস ছেড়ে আবারও প্রেমিকের বেশে পর্দায় ফিরছেন বলিউড বাদশা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘কিং’ সিনেমার কাজ শেষ করেই বড়সড় ধামাকা দিতে চলেছেন শাহরুখ। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৩ সালে ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’ দিয়ে বক্স অফিসে ঝড় তুললেও সেখানে রোম্যান্সের চেয়ে অ্যাকশনের আধিপত্যই ছিল বেশি। এবার শোনা যাচ্ছে, শাহরুখ তার পরবর্তী মেগাবাজেট প্রজেক্টের জন্য সম্পূর্ণ রোম্যান্টিক একটি চিত্রনাট্য বেছে নিয়েছেন।
শাহরুখ ইতোমধ্যেই কয়েকজন লেখক ও পরিচালকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন। একটি বিশেষ চিত্রনাট্য তার মন ছুঁয়ে গেছে। নতুন এই সিনেমাটি নাকি বাদশার ক্যারিয়ারের ব্লকবাস্টার ‘ম্যায় হুঁ না’র ধাঁচে তৈরি হতে যাচ্ছে। এমনকি এটি সেই ছবির সিক্যুয়েল হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
আর বড় এই প্রজেক্টের হাল ধরতে পারেন শাহরুখের প্রিয় বন্ধু ও সফল নির্মাতা ফারহা খান। টানা কয়েক বছর অ্যাকশন সিনেমা করতে গিয়ে বারবার চোটের সম্মুখীন হয়েছেন শাহরুখ। ‘পাঠান’ থেকে শুরু করে আসন্ন ‘কিং’ পর্যন্ত হাড়ভাঙা খাটুনি ও স্টান্ট করতে গিয়ে চিকিৎসকরা তাকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।
শরীরের ওপর বাড়তি চাপ না দিতেই এবার রোম্যান্টিক ঘরানায় ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে এটি কেবল সাধারণ প্রেমের গল্প নয় বরং পরিণত বয়সের এক বাস্তবধর্মী প্রেমের আখ্যান হতে যাচ্ছে। এই সিনেমার বাজেট হবে আকাশচুম্বী। ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় চমক হলো, এই মেগাবাজেট রোম্যান্টিক ড্রামায় দ্বৈত চরিত্রে দেখা যেতে পারে শাহরুখকে।
চিত্রনাট্যের কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। আর ২০২৭ সালের জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে পারে এই প্রতীক্ষিত সিনেমার শুটিং।

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও উখিয়ায় একটি শিশুপার্ক গড়ে ওঠেনি

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪০ পিএম
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও উখিয়ায় একটি শিশুপার্ক গড়ে ওঠেনি

শিশুদের চিত্তবিনোদনের প্রধান আকর্ষণ হলো শিশুবিনোদন কেন্দ্র বা শিশুপার্ক। পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য যেমন খেলাধুলা প্রয়োজন তেমনি ছুটির দিনে চিত্তবিনোদনের জন্য একটি সুন্দর শিশুপার্ক প্রয়োজন। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে থাকলেও পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী শহর উখিয়া উপজেলায় নেই। স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিবাহিত হলেও এই বিষয়টি নিয়ে কোন সরকারি কিংবা বেসরকারি দপ্তর এগিয়ে আসেনি। প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি উখিয়া উপজেলা সীমান্তের পূর্ব পাশে মায়ানমার ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর তারই মাঝখানে গড়ে ওঠা তেরোটি পালংয়ের বিনিসুতোয় গাঁথা উখিয়া উপজেলা। শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতিতে কোন দিক দিয়ে পিঁছিয়ে নেই উখিয়া উপজেলা। ১৫ লক্ষ রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ার এই জনপদে নেই কোন বিনোদন নেই কোন আনন্দের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।
শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য ছুটির দিনে সময় কাটানোর জন্য একটি চিত্তবিনোদন কেন্দ্র অর্থাৎ শিশুপার্ক অত্যান্ত প্রয়োজন।
এই বিষয়ে উখিয়া উপজেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,রাজনীতিবিদ,অধ্যাপক তহিদুল আলমের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান শিশুপার্ক বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উখিয়ার শিশু,কিশোর, বয়োবৃদ্ধ মানুষের জন্য চিত্তবিনোদনের কোন ব্যবস্থা নেই, গত সতেরো বছর উন্নয়নের নামে আওয়ামীলীগ সরকার হরিলুট করেছে। চোখে পড়ার মতো কোন উন্নয়ন করেনি,আমি উখিয়া টেকনাফের মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি উখিয়ায় শিশু কিশোর বয়োবৃদ্ধের আনন্দময় সময় কাটানোর জন্য একটি শিশুপার্ক একান্ত আব্যশক। এবং এটি সময়ের দাবি।
বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমার প্রাণেরদাবি দেশের প্রথম উন্নয়নটি উখিয়া থেকে শুরু হোক। একটি শিশুপার্ক উখিয়াবাসীর গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশার মধ্যে অন্যতম।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৫ পিএম
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এসব কর্মসূচি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে নতুন পথ দেখিয়েছিল।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের দিন ভোর ৫টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই দিন ভোরে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এ ছাড়া এর আগের দিন ২৫ মার্চ রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখবেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে এক স্বতন্ত্র পরিচয় দিয়েছে। বিগত সময়ে মানুষের সব স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে গুম ও খুনের মাধ্যমে এক ভয়াবহ বন্দিদশা তৈরি করা হয়েছিল। যারা স্বাধীনতাকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, তারা আজ পরাজিত।

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়া দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন। তাঁর ত্যাগের বিনিময়েই দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এখন মানুষ অন্তত নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে। গঠনমূলক সমালোচনা করার পরও কেউ রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না—এটিই নতুন বাংলাদেশের বড় অর্জন।’

তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের সামনে যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা পূরণের লক্ষ্যে দেশ ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। তবে সবকিছু গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।’

নতুন গণতন্ত্রের এই পথচলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা এখনো কুৎসা রটাচ্ছে, তাদের গায়ে ফ্যাসিবাদের তকমা লেগে যাবে।’

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা

ফুলছড়িঘাটের বেড়িবাধে ঈদের দ্বিতীয় দিন বিনোদনপ্রেমীদের জনসমুদ্র

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
ফুলছড়িঘাটের বেড়িবাধে ঈদের দ্বিতীয় দিন বিনোদনপ্রেমীদের জনসমুদ্র

পবিত্র ঈদ উপলক্ষে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ফুলছড়ি বেড়িবাঁধ এলাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। ঈদের দিন বিকেল থেকে শুরু করে দ্বিতীয় দিন রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বেড়িবাঁধ এলাকা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে অনেকেই বেড়িবাঁধ ও নদীর পাড়ে ভিড় জমায়। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে সেখানে ছবি তোলা, ঘোরাঘুরি আবার কেউ কেউ পরিবার সহ নৌকায় করে চড়ে ঘুরছে এবং কেউ আবারভআড্ডায় মেতে ওঠেন।

ফুলছড়ি বেড়িবাঁধ ও হাজিরহাট শাপলা চত্বরের আশপাশে অস্থায়ী দোকানপাট, ফুচকা, চটপটি ও আইসক্রিম বিক্রেতাদের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে। এতে করে এলাকাটি এক প্রকার মেলায় পরিণত হয়। শিশুদের আনন্দ উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো।

তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কিছুটা যানজটেরও সৃষ্টি হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।

একজন দর্শনার্থীরা বলেন, “ঈদের আনন্দটা পরিবারের বাইরে বন্ধুদের সাথে ভাগাভাগি করতেই এখানে আসা। পরিবেশটা খুবই সুন্দর ও ভালো লাগার মতো।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ঈদের সময় এমন জনসমাগমকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

error: Content is protected !!