শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা সরকারি ছুটিতেও থেমে নেই সেবা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম | 66 বার পড়া হয়েছে
ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা সরকারি ছুটিতেও থেমে নেই সেবা

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা ও

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের অনন্য দৃষ্টান্ত
ফেনী, ২০ মার্চ ২০২৬:
সরকারি ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে এক মুহূর্তের জন্যও বিরত থাকেননি ফেনীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

মানবিক দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডা. মো. আদনান আহমেদ এবং ডা. তপু দত্ত।

দিনব্যাপী তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন, রোগীদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং জটিল কেসগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা (কেস ডিসকাশন) করেন।

পাশাপাশি প্রতিটি রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করেন অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে।
চিকিৎসকদের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ইন্টার্ন ডি.এম.এফ সদস্যরাও।

তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হাসপাতালের সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে এবং রোগীরা পান প্রয়োজনীয় যত্ন ও সহানুভূতি।

এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ শুধু চিকিৎসাসেবার মান উন্নত করে না, বরং রোগী ও স্বজনদের মনে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।

সরকারি ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালনের এই মানসিকতা দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী ও মানবিক করে তুলছে।

সংশ্লিষ্ট সকল চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি জানানো হয়েছে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। তাঁদের এই নিরলস প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

সবশেষে, হাসপাতালে ভর্তি সকল রোগীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করা

ওসমানীনগরে এর এক স্বপ্নবাজ তরুণের ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৪ পিএম
ওসমানীনগরে এর এক স্বপ্নবাজ তরুণের ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

সিলেটের ওসমানীনগরে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্বপ্নবাজ তরুণ মোহাম্মদ আব্দুর রহিম। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও নাড়ির টানে নিজ গ্রামের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে গত এক দশক ধরে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ পরিচালনা করছেন তিনি। তাজপুর ইউনিয়নের কাশিপাড়া গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি মোহাম্মদ সিরাজ মিয়ার ছেলে আব্দুর রহিমের এই মানবিক কাজ এখন পুরো উপজেলায় প্রশংসিত।

​বিলেত প্রবাসী হয়েও এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি তার এই মমত্ববোধ এক অনন্য উদাহরণ। গ্রামের যেকোনো অসহায় মানুষ বিপদে পড়লে সবার আগে ভরসার স্থল হিসেবে খুঁজে নেন তাকে। তিনিও প্রবাস থেকে সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাদের তরে।
​তবে তার সবচেয়ে আলোচিত এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি হলো— ‘লাল মোরগের প্যাকেজ’। প্রতি বছর পবিত্র রমজানের শেষ দিকে তিনি গ্রামের কর্মজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন এই বিশেষ উপহার। প্রায় ২ হাজার টাকা সমমূল্যের প্রতিটি প্যাকেজে থাকে একটি জ্যান্ত বড় লাল মোরগ। এর সাথে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, আলু, ময়দা ও সেমাইসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।
​এলাকাবাসীর কাছে এই বিশেষ উপহার এখন ‘আব্দুর রহিমের ঈদ উপহার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও অভাবী পরিবারগুলোর কাছে একটি জীবন্ত লাল মোরগ যেন ঈদের খুশিতে বাড়তি মাত্রা যোগ করে। টানা ১০ বছর ধরে এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে আব্দুর রহিমের পরিবার।
​স্থানীয়রা জানান, আব্দুর রহিম শুধু একটি নাম নয়, তিনি ওসমানীনগরের এক মানবিক প্রতিচ্ছবি। তার এই সৃজনশীল ও কল্যাণকর কাজগুলো তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।
​নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে মোহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে আমি পেশা নয়, নেশা হিসেবে নিয়েছি। নতুন কিছু সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করাই আমার মূল লক্ষ্য।”
​ভবিষ্যতে তার এই সেবাধর্মী কার্যক্রমকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে তিনি সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সৌদির সাথে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপন

মোঃ সাগর সরকার স্টাফ রিপোর্টার:: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১১ পিএম
সৌদির সাথে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা।

আজ(২০ মার্চ) শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস গোষ্ঠীর মুসল্লিরা ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার নতুন জামে মসজিদের পাশের একটি ভবনের ছাদে এ ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম।

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মুসল্লিরা এতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন। বাইরে ভারী বৃষ্টির কারণে মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঈদের কয়েকটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

নামাজে আসা মুসল্লিরা বলেন, বিগত ১৮ বছর ধরে অথ্যাৎ ২০০৯ সাল থেকে সৌদি আরবের সাথে আমরা ঈদের নামাজ আদায় ও রোজা পালন করছি। সৌদি আরবের সাথে নামাজ আদায় ও রোজা পালন করতে পেরে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করেন তারা।

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনে অপ্রীতিকর যেকোনো ঘটনা রুখে দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পলাশবাড়ী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি’র ঈদ মোবারক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম
আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি’র ঈদ মোবারক

‎আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানালেন টেকনাফের আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি।

‎দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে খুশির বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদ। এই ঈদ বয়ে আনুক শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

‎এই শুভক্ষণে আমির গ্রুপ ও আমির ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী টেকনাফ পৌরসভার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

‎তিনি বলেন,ঈদ শুধু আনন্দের নয়, বরং এটি আমাদের মধ্যে সহমর্মিতা, ভালোবাসা ও ত্যাগের চেতনা জাগ্রত করে। আসুন আমরা সবাই মিলে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করি।

‎আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি একজন দানশীল, মানবিক ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তিনি সবসময় গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং কাউকে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। তাঁর এই মহানুভবতা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
‎এই পবিত্র ঈদে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, আসুন আমরা সবাই মিলেমিশে একে অপরের পাশে দাঁড়াই, ভালোবাসা ও মানবিকতার মাধ্যমে গড়ে তুলি একটি সুন্দর ও কল্যাণমুখী সমাজ।
‎ঈদ মোবারক! ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

error: Content is protected !!