শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি’র ঈদ মোবারক

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম | 13 বার পড়া হয়েছে
আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি’র ঈদ মোবারক

‎আমির ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানালেন টেকনাফের আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি।

‎দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে খুশির বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদ। এই ঈদ বয়ে আনুক শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

‎এই শুভক্ষণে আমির গ্রুপ ও আমির ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী টেকনাফ পৌরসভার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

‎তিনি বলেন,ঈদ শুধু আনন্দের নয়, বরং এটি আমাদের মধ্যে সহমর্মিতা, ভালোবাসা ও ত্যাগের চেতনা জাগ্রত করে। আসুন আমরা সবাই মিলে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং ঈদের আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করি।

‎আলহাজ্ব এ. এম. জিয়াবুল সিআইপি একজন দানশীল, মানবিক ও সৎ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত। তিনি সবসময় গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং কাউকে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেন না। তাঁর এই মহানুভবতা ও মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
‎এই পবিত্র ঈদে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, আসুন আমরা সবাই মিলেমিশে একে অপরের পাশে দাঁড়াই, ভালোবাসা ও মানবিকতার মাধ্যমে গড়ে তুলি একটি সুন্দর ও কল্যাণমুখী সমাজ।
‎ঈদ মোবারক! ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

ওসমানীনগরে এর এক স্বপ্নবাজ তরুণের ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৪ পিএম
ওসমানীনগরে এর এক স্বপ্নবাজ তরুণের ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

সিলেটের ওসমানীনগরে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন স্বপ্নবাজ তরুণ মোহাম্মদ আব্দুর রহিম। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝেও নাড়ির টানে নিজ গ্রামের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে গত এক দশক ধরে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ পরিচালনা করছেন তিনি। তাজপুর ইউনিয়নের কাশিপাড়া গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বি মোহাম্মদ সিরাজ মিয়ার ছেলে আব্দুর রহিমের এই মানবিক কাজ এখন পুরো উপজেলায় প্রশংসিত।

​বিলেত প্রবাসী হয়েও এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি তার এই মমত্ববোধ এক অনন্য উদাহরণ। গ্রামের যেকোনো অসহায় মানুষ বিপদে পড়লে সবার আগে ভরসার স্থল হিসেবে খুঁজে নেন তাকে। তিনিও প্রবাস থেকে সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাদের তরে।
​তবে তার সবচেয়ে আলোচিত এবং ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি হলো— ‘লাল মোরগের প্যাকেজ’। প্রতি বছর পবিত্র রমজানের শেষ দিকে তিনি গ্রামের কর্মজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন এই বিশেষ উপহার। প্রায় ২ হাজার টাকা সমমূল্যের প্রতিটি প্যাকেজে থাকে একটি জ্যান্ত বড় লাল মোরগ। এর সাথে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, আলু, ময়দা ও সেমাইসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।
​এলাকাবাসীর কাছে এই বিশেষ উপহার এখন ‘আব্দুর রহিমের ঈদ উপহার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বিশেষ করে দিনমজুর ও অভাবী পরিবারগুলোর কাছে একটি জীবন্ত লাল মোরগ যেন ঈদের খুশিতে বাড়তি মাত্রা যোগ করে। টানা ১০ বছর ধরে এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে আব্দুর রহিমের পরিবার।
​স্থানীয়রা জানান, আব্দুর রহিম শুধু একটি নাম নয়, তিনি ওসমানীনগরের এক মানবিক প্রতিচ্ছবি। তার এই সৃজনশীল ও কল্যাণকর কাজগুলো তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।
​নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে মোহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে আমি পেশা নয়, নেশা হিসেবে নিয়েছি। নতুন কিছু সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই। সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করাই আমার মূল লক্ষ্য।”
​ভবিষ্যতে তার এই সেবাধর্মী কার্যক্রমকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে তিনি সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সৌদির সাথে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপন

মোঃ সাগর সরকার স্টাফ রিপোর্টার:: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:১১ পিএম
সৌদির সাথে মিল রেখে গাইবান্ধায় ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরা।

আজ(২০ মার্চ) শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে জেলার সহিহ হাদিস গোষ্ঠীর মুসল্লিরা ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়ার নতুন জামে মসজিদের পাশের একটি ভবনের ছাদে এ ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন আমিনুল ইসলাম।

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মুসল্লিরা এতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন। বাইরে ভারী বৃষ্টির কারণে মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঈদের কয়েকটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

নামাজে আসা মুসল্লিরা বলেন, বিগত ১৮ বছর ধরে অথ্যাৎ ২০০৯ সাল থেকে সৌদি আরবের সাথে আমরা ঈদের নামাজ আদায় ও রোজা পালন করছি। সৌদি আরবের সাথে নামাজ আদায় ও রোজা পালন করতে পেরে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করেন তারা।

এদিকে, একদিন আগে ঈদ পালনে অপ্রীতিকর যেকোনো ঘটনা রুখে দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পলাশবাড়ী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৭ পিএম
মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল দরবার শরিফের খানকাহ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন দরবারের অনুসারীরা।
হযরত শাহ জাহাঁগীর শেখুল আরেফীন (ক.), হযরত শাহ জাহাঁগীর ফখরুল আরেফীন (ক.) ও হযরত শাহ জাহাঁগীর শমসুল আরেফীন (ক.)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সাজ্জাদানশীন হযরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীন (ক.)-এর তত্ত্বাবধানে তার জানশিন হযরত ইমামুল আরেফীন ড. মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান ঈদের নামাজে ইমামতি করেন।
জানা যায়, মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা প্রায় আড়াইশ বছর ধরে হানাফি মাজহাবের নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রোজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ চান্দ্রমাস-সংশ্লিষ্ট সব ধর্মীয় অনুশাসন পালন করে আসছেন।
দরবার সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় আড়াইশ বছর আগে সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল গ্রামে হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঁগীর (ক.) এ বিষয়ে ফতোয়া জারি করেন। এরপর থেকেই অনুসারীরা একই নিয়মে ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করে আসছেন।
মির্জাখীল ছাড়াও সাতকানিয়া উপজেলার গারাংগিয়া, সোনাকানিয়া, ছোটহাতিয়া, আছারতলি, সাইরতলি, এওচিয়া, খাগরিয়া, ছদাহা, গাটিয়াডেঙ্গা ও বাজালিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে ঈদ উদযাপন করা হয়।
এছাড়া লোহাগাড়া, বাঁশখালী, পটিয়া, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, রাউজান, ফটিকছড়ি, হাতিয়া, সন্দ্বীপসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা, সিলেট, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শতাধিক গ্রামের অনুসারীরাও একই দিন ঈদ উদযাপন করছেন।

error: Content is protected !!