বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

মামুনুর রশীদ মামুন, ময়মনসিংহ

ঈদযাত্রায় ময়মনসিংহে স্বস্তি: সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণে যানজট

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:০৪ পিএম | 31 বার পড়া হয়েছে
ঈদযাত্রায় ময়মনসিংহে স্বস্তি: সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণে যানজট

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রায় ময়মনসিংহে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে স্বস্তির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতীক হয়ে থাকা যানজট পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে,ফলে নগরবাসী ও যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ব্রিজ মোড়,দিঘারকান্দা বাইপাস মোড়সহ বিভিন্ন প্রবেশ ও প্রস্থান সড়ক ঘুরে দেখা গেছে—যানবাহনের চাপ থাকলেও তা স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে। কোথাও দীর্ঘস্থায়ী বা অসহনীয় যানজটের দৃশ্য চোখে পড়েনি। এতে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের ভোগান্তি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন,জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগের ফলেই এ ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সরেজমিন তদারকি,দিকনির্দেশনা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় উপস্থিতি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাদের তৎপরতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও ছিল অধিক সতর্ক ও কার্যকর। বিশেষ করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ,যানবাহনের সুষ্ঠু প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন—এসব উদ্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, “ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াতে স্বস্তি ফেরাতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন, আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।” এছাড়া ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও স্বেচ্ছাসেবক কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তারা যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও পথচারীদের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, যা সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করেছে। সাধারণ যাত্রীদের অনেকে জানান,আগে ঈদে বাড়ি ফেরার কথা ভাবলেই দুশ্চিন্তা হতো,তবে এবার অনেকটাই স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও ময়মনসিংহে ঈদযাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক হবে এবং এই সমন্বিত উদ্যোগ অন্যান্য জেলার জন্যও একটি উদাহরণ হতে পারে।

হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৯ ব্যাচের সমন্বয়ে প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:১২ পিএম
হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৯ ব্যাচের সমন্বয়ে প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে মিলনমেলা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৯টি ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক ব্যতিক্রমধর্মী মিলনমেলা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। হরিমোহন প্রাক্তন ছাত্র সমিতির আয়োজনে এই আয়োজনটি প্রাক্তনদের মিলনমেলায় রূপ নেয়। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৫টায় বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে এ ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ১৯৬৭ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন, যা এক নজিরবিহীন মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন হরিমোহন প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সভাপতি আজাহারুল ইসলাম পিন্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান পলাশ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেকুল রহমান তারেক। ৩৯টি ব্যাচের এমন বিশাল ও সমন্বিত আয়োজন প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন পর পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বলেন, এ ধরনের আয়োজন তাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ ও বন্ধন আরও দৃঢ় করে। এমন চমৎকার
আয়োজনের জন্য তারা হরিমোহন প্রাক্তন ছাত্র সমিতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানটি প্রাক্তনদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও স্মৃতিচারণের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে । উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন হরিমোহন গাবতলা মসজিদের ইমাম মোঃ মনিরুল ইসলাম।

পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:১০ পিএম
পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

 

পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা জোরালো ভাবে চল্লেও বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা নওমুসলিমরা পিছিয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায। বুধবার ১৮ মে ২০২৬ তারিখ খাগড়াছড়ি জেলা রামগড়ে নওমুসলিমদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, খ্রিস্টান মিশনারি এগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মাঝে দান/অনুদান প্রদান করে এবং লোভ-লালসা দেখিয়ে পাহাড়ের সহজসরল মানুষদের ধর্মান্তিত করাচ্ছে। যেন দীর্ঘ মেয়াদি সময়ে অত্র অঞ্চলপ একটি স্বাধীন খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠন করা যায়। খ্রিস্টান মিশনারি গুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসী সশস্ত্র সংগঠন গুলো কে দিয়ে নওমুসলিম, স্থানীয় মুসলিম এবং স্থানীয় বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মানুষকে অত্র অঞ্চল থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই সব অপকৌশলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের করণীয় কী? আর কীভাবে ইসলাম ও মুসলিম এবং বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের এই মারাত্মক চক্রান্তের মুকাবিলা করা যাবে? কি ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমদের তাদের জুলুম ও নির্যাতন থেকে রক্ষা করা যাবে তা সরকার এবং সচেতন নাগরিকদের ঠিক করতে হবে। নিশ্চয় এ দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বড়, আর তা সকল মুসলিমের উপর সমভাবে আবর্তিত। এককভাবে হোক কিংবা সংঘবদ্ধভাবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে হোক কিংবা গোষ্ঠীগতভাবে। দেশের প্রতিটি মুসলিম ও দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর উপরই এ দায়িত্ব পতিত। কেননা পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি মুসলিম, বৌদ্ধ ও সনাতনী সম্প্রদায়ের ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই খ্রিস্টান মিশনারি গুলোর বিষাক্ত টার্গেটের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ, নওমুসলিম সহ সকল মুসলমান ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মানুষকে তাদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করবেন।

সভাপতি বক্তব্যে মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দিনটি আমাদের মুসলিম ভাইদের জন্য বড়ই আনন্দের এবং খুশির দিন। পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমরা দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করায় এবং ভিন্ন ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করার কারণে নিজ জাতিগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম অর্থনৈতিক ও খাদ্য সংকটের মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করছে। রাষ্ট্রীয় ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হতদরিদ্রের জন্য সহযোগিতা প্রদান করা হলেও পার্বত্য অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামো উপজাতিদের হাতে থাকায় নওমুসলিমগণ সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নওমুসলিমদের প্রতি সাহার্যের হাত বাড়িয়ে দিতে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন তিনি। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে নওমুসলিমদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে বরাবরের মতো এবারও ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতেও সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে নওমুসলিম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হক, আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রবিউল ইসলাম লাদেন, মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া,শিক্ষাবিদ মরিয়ম বেগম, নওমুসলিম কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সম্পাদক মোঃ জুয়েল হোসেন, প্রমুখ।

‎ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চাউল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, আলু, নুডুলস, চিনি, লাচ্চা সেমাই, বাংলা সেমাই, নারিকেল, বাদাম, দুধ সহ ১৩ ধরনের খাদ্য সামগ্রী।

দর্শনা নতুন থানা ভবনের কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার মহোদয়

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
দর্শনা নতুন থানা ভবনের কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার মহোদয়

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানার চারতলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান মহোদয়।

আজ ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, বলেন, নতুন থানা ভবন নির্মিত হলে দর্শনা থানার সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং আধুনিক ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজতর হবে। একটি মানসম্মত কর্মপরিবেশ সৃষ্টি হবে, যা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের সেবাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে নির্মাণ কাজের সফলতা কামনা করা হয়।

error: Content is protected !!