সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঈদ উপহার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৩ পিএম | 20 বার পড়া হয়েছে
পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঈদ উপহার

পবিত্র ঈদুল ফিতর যখন সমাগত, সেই সময়ে দেশবাসীকে দারুণ এক রোমাঞ্চকর জয় উপহার দিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ-তাসকিন আহমেদরা। যে ম্যাচ হয়েছে, তা যেন ব্লকবাস্টার থ্রিলার মুভিকেও হার মানাবে। উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ জিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১ বছর পর সিরিজ তো বাংলাদেশ জিতলই। একই সঙ্গে দেশবাসীও পেয়ে গেল ঈদের আগে ঈদ উপহার।

‘আনপ্রেডিক্টেবল’ পাকিস্তানকে নিয়ে আগে থেকে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা বেশ কঠিন। কখনো নিশ্চিত জেতা ম্যাচ হেরে যায়, কখনোবা হারা ম্যাচ জিতে যায়। কখনোবা শুরুতে মারাত্মক চাপে থাকলেও সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে ওস্তাদ। মিরপুরে আজ সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটা ছিল এমনই। পেন্ডুলামের মতো দুলতে থাকা ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতে দেশবাসীকে ঈদ উপহার দিল বাংলাদেশ।

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে শেষ ৩ ওভারে হাতে ৩ উইকেট নিয়ে ৩৩ রানের সমীকরণের সামনে এসে পড়ে পাকিস্তান। সেই ওভারের প্রথম তিন বলে তিন রান দেন তাসকিন আহমেদ। চতুর্থ বলে তাসকিন আহমেদের স্লোয়ার বল তুলে মারতে যান সালমান আলী আগা। আকাশে দীর্ঘক্ষণ ভেসে থাকা বল মেহেদী হাসান মিরাজ তালুবন্দী করার পর প্রাণ ফিরে পায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম। মাঠে তাসকিন-মিরাজদের উদযাপন যেন স্পর্শ করে দর্শকদেরও।

৪৮তম ওভারে তাসকিন ৫ রান দিলে ২ ওভারে ২৮ রানের সমীকরণের সামনে পড়ে পাকিস্তান। স্নায়ুচাপের চূড়ান্ত পরীক্ষা দিতে আসেন মোস্তাফিজুর রহমান। তার সেই ওভার থেকে প্রথম চার বলের মধ্যে দুই ছক্কা মারেন শাহিন আফ্রিদি। পঞ্চম বলে শাহিনের জোরালো শট মোস্তাফিজের হাঁটুতে সজোরে লেগেছে। মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর মোস্তাফিজের খোঁজ-খবর নেন শাহিন। মাঠে সেবা-শুশ্রূষা নেওয়ার পর বোলিংয়ে নামেন মোস্তাফিজ। সেই ওভারের শেষ বলে তাঁর কাটারে বিভ্রান্ত হয়ে হারিস রউফ সোজা ওপরে তুলে মারেন। হাওয়ায় ভেসে থাকা বল ক্যাচ ধরেন মিরাজ।

শেষ ওভারে ১৪ রানের সমীকরণ যখন, তখন বোলিংয়ে আসেন রিশাদ। সেই ওভারের দ্বিতীয় বলে সোজা আকাশে তুলে মারেন শাহিন আফ্রিদি। পেছন দিকে দৌড়েও তালুবন্দী করতে পারেননি রিশাদ। সেই ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে ইনিংসের শেষ বলে শাহিনকে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন রিশাদ। তাতেই বাংলাদেশ পেয়ে যায় ১১ রানের জয়।

২৯১ রানের লক্ষ্যে নেমে ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত ৬ রান করে আউট হয়েছেন। আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান করেছেন ৪ রান। যার মধ্যে তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে রিজওয়ানকে অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন তাসকিন। এর আগে ফারহানের উইকেটও নিয়েছেন তাসকিন। আরেক ওপেনার সাদাকাতকে ফেরান নাহিদ রানা।

২.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭ রানে পরিণত হওয়া পাকিস্তানের হাল ধরেন আবদুল সামাদ ও গাজী ঘোরি। যাঁর মধ্যে ঘোরির আজ অভিষেক হয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। চতুর্থ উইকেটে ৬৭ বলে ৫০ রানের জুটি গড়েন তাঁরা (ঘোরি-সামাদ)। ১৪তম ওভারের শেষ বলে রানাকে ব্যাকফুটে কাট করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন ঘোরি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচে ৩৯ বলে ২৯ রান করেছেন।

আরেক সেট ব্যাটার সামাদকে (৩৪) ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ঘোরি-সামাদ ফেরায় পাকিস্তানের স্কোর হয়ে যায় ১৭.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ৮২ রান। ছয় নম্বরে নামা সালমান আলী আগা একপ্রান্তে আগলে রেখে নিজের মতো করে খেলতে থাকেন। ষষ্ঠ উইকেটে সাদ মাসুদ ও সালমান আগা গড়েন ৮২ বলে ৭৯ রানের জুটি। ৩২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে মাসুদকে (৩৮) অসাধারণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন মোস্তাফিজ। মাসুদেরও আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে।

বাংলাদেশের আগুনে বোলিংয়ে পুড়ছে পাকিস্তানবাংলাদেশের আগুনে বোলিংয়ে পুড়ছে পাকিস্তান
সপ্তম উইকেটে ফাহিম আশরাফের সঙ্গে ৪৯ বলে ৪৮ রানের জুটি গড়তে অবদান রাখেন সালমান। ফাহিমকে (৯) বোল্ড করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান তাসকিন। পাকিস্তানের স্কোর তখন হয়ে যায় ৩৯.৩ ওভারে ৭ উইকেটে ২০৯ রান। ৬৩ বলে ৮২ রানের সমীকরণ যখন সফরকারীদের সামনে, তখন একপ্রান্তে নিজের মতো করে খেলে যান সালমান। ৮৯ বলে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি। যদিও তাঁর সেঞ্চুরি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। ৯৮ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ১০৬ রান। ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। তাসকিন ১০ ওভারে ৪৯ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট।

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। সফরকারীরা তাদের একাদশে তিন পরিবর্তন নিলেও বাংলাদেশ তিন ম্যাচ খেলেছে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই। টস হেরে আগে ব্যাটিং পাওয়া বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে করেছে ২৯০ রান। তানজিদ হাসান তামিম ১০৭ বলে ৬ চার ও ৭ ছক্কায় করেছেন ১০৭ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেছেন তাওহীদ হৃদয়। পাকিস্তানের হারিস রউফ নিয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন আবরার আহমেদ ও শাহিন আফ্রিদি।

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২৯ এএম
ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে ফ্ল্যাশ টিভির অডিটোরিয়ামে ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা রক্ষায় সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখবে।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মাধ্যমে গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ঐক্য মহাজোটের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব ও ফেলাস টিভির চেয়ারম্যান হাজী জহিরুল আমিন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে সত্যিকার অর্থে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক একুশে বাণী পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক মো. আশরাফ সরকার, দৈনিক খবরের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদক মো. জাকির হোসেন মোল্লা, মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুন্নবী ফরাজী মুক্তার, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব উদ্দিন, সহ-সভাপতি ড. মাইনুল ইসলাম পলাশ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ভুইয়া কামরুল হাসান সোহাগ।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন, ঢাকা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এ. মান্নান, দক্ষিণাঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, দুর্নীতি প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম হিরু, মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মো. আলতাব হোসেন, জিয়া সাইবার ফোর্সের মো. দেলোয়ার হোসেন মীর, জেলার আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সংবাদ সংস্থা বাসর-এর চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আল মামুন, ড. এ. জেড. মাইনুল ইসলাম, এশিয়ান টেলিভিশনের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সোহেল রানা, ঢাকা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ চিশতী, আনিসুজ্জামান খোকন, ঢাকা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক কে এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী, চেইন পে-এর চেয়ারম্যান খায়রুল বাসার লাবু, মারুফ হাসান, শাখাওয়াত হোসেন, সহায়তার হাত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাগর মাহমুদ নিরব এবং জাসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার হেপী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজহার আলী, মো. মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মো. হেকমত আলী, মো. সুমন, মো. রাকিব ফকির, মোফাজ্জল হোসেন রাজু, মো. সাইদুল ইসলাম, সাংবাদিক আতাউর রহমানসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ইসলামী ঐক্য মহাজোটের সদস্য সচিব হাজী আমিন এবং ফ্ল্যাশ টিভি চ্যানেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও TTUET Capital-এর অর্থ পরিচালক আনিস উদ্দিন সেন্টু। সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় সংগঠনের সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং প্রচার সম্পাদক আনিস মাহমুদ লিমনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথিদের সম্মানে ইফতার পরিবেশন করা হয়।

সাঈদা সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক

ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাঈদা সুলতানা, নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২৬ এএম
ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

পবিত্র রমজান উপলক্ষে এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারের জলপাই রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে এ ইফতার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ইফতারে অংশ নেওয়া এতিম শিশুদের মাঝে জায়নামাজ, টুপি ও আতর বিতরণ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, রমজানের সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি, জনস্বাস্থ্য ও ক্যান্সার প্রতিরোধ গবেষক ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার মাস। এই পবিত্র সময়ে সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে অসহায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। তিনি সবাইকে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সারা বছর সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ডা. হালিদা হানুম আখতার, বাংলাদেশ স্কাউটসের নির্বাহী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) শামসুল হক, এপেক্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট এম. সায়েম টিপু, বাংলাদেশ স্কাউটস রেল, নৌ ও এয়ার অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মুহাম্মদ আবু সালেক, সাবেক অতিরিক্ত সচিব হাকিম মজুমদার, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন, বাংলাদেশ স্কাউটসের যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক মো. রুহুল আমিন এবং হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন বলেন, সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ব্যক্তিগত ত্যাগ ও সংযম সাধনার মাস কবে, কীভাবে মুনাফার মাস হয়ে উঠল— সেই বিষয়টি অতি গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদকর্মীরা বিশ্লেষণ করে জাতীয় জীবনে পৌঁছে দেবেন বলে আশা রাখি।

কলমে:-কামরুন তানিয়া

ভালোবাসা ক্রন্দন

কলমে:-কামরুন তানিয়া প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২:২২ এএম
ভালোবাসা ক্রন্দন

কলমের কালিতে লেখা হয় প্রতিদিন তোমার নামে,
মনের গহীনে রাখা যতো কথা।

স্মৃতিতে বিভোর হয়ে
ভালোবাসাটা বেরঙিন সাজে মন বিষন্নতার দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।

কলমের কালিতে লেখা হয় –
যতো রাখা স্বযত্নের ভালোবাসার ক্রন্দন।

তোমাকে কাছে না পাওয়ার তীব্র আকুলতা,
রয়ে যাবে মনে অতৃপ্ত হৃদয়ের স্পন্দ,শূন্য হৃদয়ের হাহাকার।

যদিও আমি এপারে,
মনটা রয়েছে ওপারে।

ভালো থেকো ভালোবাসা তুমি,
যতো লেখা কলমে।

কলমের কালিতে লেখা হয় প্রতিদিন শত ব্যবস্ততার মাঝে,
তুমি আমার বুকের বা,পাশে রাখা গচ্ছিত মনের খোরাক।

তুমি না থেকেও রবে আমৃত্যু শ্রদ্ধা এবং অনবদ্য ভালোবাসায়,,,তুমি রবে এপার ওপারের হকদার।

error: Content is protected !!