শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

হজের নিবন্ধন ২৩ অক্টোবরের মধ্যে না করলে পড়তে হবে ভোগান্তিতে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:১৯ পিএম | 165 বার পড়া হয়েছে
হজের নিবন্ধন ২৩ অক্টোবরের মধ্যে না করলে পড়তে হবে ভোগান্তিতে

আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে হজের নিবন্ধন না করলে মিনা ও আরাফার ময়দানে কাঙ্ক্ষিত জোনে তাঁবু বরাদ্দ পাওয়া যাবে না। যেকারণে ভোগান্তিতে পড়বেন হাজীরা।

এতে জামারাহ থেকে অনেক দূরে, পাহাড়ি এলাকায় ও নিউ মিনা এলাকায় অবস্থান করতে হবে। ফলে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে দীর্ঘপথ হাঁটার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

হজযাত্রী নিবন্ধন সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২০২৫ সালে হজে গমনেচ্ছু হজযাত্রী, হজ এজেন্সি ও সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, রাজকীয় সৌদি সরকারের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুসারে, আল-মাশায়ের ও আল-মোকাদ্দাসার (মিনা ও আরাফা) তাঁবু নির্ধারণ ও সার্ভিস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রম ২৩ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে তাঁবু বরাদ্দ প্রদান করা হয় বলে বিশ্বের অনেক দেশ জামারাহর নিকটবর্তী জোনে তাঁবু বরাদ্দ নেবে।

ফলে ২৩ অক্টোবরের মধ্যে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন না হলে মিনা ও আরাফার ময়দানে কাঙ্ক্ষিত জোনে তাঁবু বরাদ্দ পাওয়া যাবে না। তাঁবু গ্রহণ ও সার্ভিস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনে বিলম্ব হলে হজযাত্রীদের জামারাহ থেকে অনেক দূরে, পাহাড়ি এলাকায় ও নিউ মিনা এলাকায় অবস্থান করতে হবে। ফলে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে দীর্ঘপথ হাঁটতে হবে যা হজযাত্রীদের জন্য কষ্টকর হবে।

সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে হজে গমনেচ্ছু সবাইকে ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য পুনরায় অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

আগামী বছর হজে যেতে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন চলবে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

সোনাহাট ব্রীজে গাড়ি প্রতি ১০ টনের অধিক মালামাল বোঝাইয়ের নিষেধাজ্ঞা মানছে না কেউ

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৭ পিএম
সোনাহাট ব্রীজে গাড়ি প্রতি ১০ টনের অধিক মালামাল বোঝাইয়ের নিষেধাজ্ঞা মানছে না কেউ

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ও সোনাহাট ইউনিয়নের দুধকুমার নদের উপর ব্রিটিশ শাসনামলে নির্মিত হয় সোনাহাট ব্রীজ। বর্তমানে কালের আর্বতনে ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে পাটাতন সহ ব্রীজের বিভিন্ন অংশ।

এ সোনাহাট ব্রীজে পারাপারের ক্ষেত্রে কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগ সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থদের সিদ্ধান্তক্রমে ব্রীজের উপর দিয়ে ভারী মালামাল বোঝাই যানবাহন চলাচলে নিষেধ থাকলেও তা কোনও ভাবেই মানা হচ্ছে না।

নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রায় ১০ টি ইউনিয়নের মানুষজন প্রতিনিয়ত চলাচল করেন এই ব্রীজের উপর দিয়ে। এছাড়া সোনাহাট স্থলবন্দরটি ব্রীজের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত হওয়ার প্রতিনিয়ত বন্দরের কার্যক্রম অব্যবহত রাখার জন্য শত শত মালবাহী ট্রাক ব্রীজের উপর দিয়ে চলাচল করছে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত।

বিগত ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের ৯ তারিখে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয় ব্রীজের উপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৪ শত সিয়েফটি যাহা ১৭ টনের অধিক মালবাহী ভারী যানবাহন চলা নিষেধ। কিন্তু তা কোন ক্রমেই মানা হচ্ছে না।

এবিষয়ে নাম জানাতে অনিচ্ছুক একাধিক বিশ্বস্ত সুত্র জানায়, স্থানীয় একটি চক্র ৬ চাকার ট্রাকের পরিবর্তে ১০ চাকার ট্রাক পারাপারের অবৈধ কাজটি চালিয়ে যাচ্ছে। যা ৩০ টনের অধিক মালামাল বোঝাইয়ে সক্ষম।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে মাত্রাতিরিক্ত ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে যে কোন সময় ব্রীজটি ভেঙে গিয়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এবিষয়ে সোনাহাট ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা মামুন বলেন,সামনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এলাকার কর্মমুখী মানুষজন বাড়িতে ছুটে আসবে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ করতে। কিন্তু এভাবে ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকলে ব্রীজটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়বে। সে ক্ষেত্রে ঈদ উপলক্ষে কর্মমুখী মানুষের ভোগান্তির মাত্রা বহুগুণে বেড়ে যাবে।

এবিষয়ে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেন ভলেম্ন, ব্রীজের উপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল কোন ক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।এটা অব্যাহত থাকলে যানবাহন গুলিকে বিধিনিষেধ মানতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে মোবাইল কোট পরিচালনা পরিচালনা করা হবে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন জানান, পুরাতন ব্রীজটির দক্ষিণ পাশে নতুন ব্রীজের কাজ নির্মাণাধীন রয়েছে। চলতি বছরের ব্রিজটির কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বর্তমানে জন দূর্ভোগ কমাতে পুরাতন ব্রীজটি মেরামতের কাজ কয়েক দফায় সম্পন্ন করা হয়েছে।

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ

কাজিপুর ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ইউএনও

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম
কাজিপুর ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ইউএনও

ডেঙ্গু সচেতনতায় কাজিপুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান।

শনিবার( ১৪ মার্চ) সকাল দশটায় তিনি কাজিপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর সংলগ্ন এলাকা, পরিষদ সংলগ্ন আবাসিক এলাকার পুকুর ও জলাশয় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়।

এ কাজে আরও সহায়তার হাত বাড়ান উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তর, কাজিপুর পৌরসভা, রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যগণ।

এসময় ইউএনও বলেন,“মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ কাজে অংশগ্রহণ করে বর্ষা মৌসুমের আগেই ব্যক্তি পর্যায়ে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে বাড়ি, আঙিনা, ড্রেন ও জলাধার পরিষ্কার রাখার জন্য সবার প্রতি আহবান জানাচ্ছি। একই সাথে আজকে উপজেলা প্রশাসনের আহবানে এই কাজে অংশগ্রহণের জন্য সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

দিঘলিয়ায় ফল বিক্রেতাকে মারধর, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩১ পিএম
দিঘলিয়ায় ফল বিক্রেতাকে মারধর, টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

খুলনা দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের কামারগাতি গ্রামে বেল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে এক ফল বিক্রেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার সকালে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

আহত আব্দুল রহমান হাজী গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ফল বিক্রেতা। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তৈবুর শেখের ছেলে হানিফ শেখের নেতৃত্বে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তার ওপর হামলা চালায়।
জানা যায়, আব্দুল রহমান বিক্রির উদ্দেশ্যে স্থানীয় কৃষ্ণ দাসের স্ত্রীর কাছ থেকে পাইকারি দরে বেল ক্রয় করেন। পরে গাছ থেকে বেল সংগ্রহ করতে গেলে হানিফ শেখ ও তার সহযোগীরা সেখানে এসে বাধা দেয় এবং ওই জমির মালিকানা নিজেদের দাবি করে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা আব্দুর রহমানকে গাছ থেকে টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে মারধর করে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি আহত হন।
ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তার কাছে থাকা আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা হানিফ শেখ জোরপূর্বক নিয়ে নেয়।
এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও কৃষ্ণ দাস এগিয়ে এসে আহত আব্দুর রহমানকে উদ্ধার করে দিঘলিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রকাশ্যে এমন হামলার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টার আওতায় আনতে চায়। তবে ন্যায়বিচার না পেলে তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

error: Content is protected !!