লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
পাটগ্রামে ইউপি সদস্যের হামলায় সাংবাদিক আব্দুস সামাদ আহত
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ফরহাদ হোসেন লিটন নামে এক জামায়াত নেতা ও ইউপি সদস্যের হামলায় প্রেস ফাইভের সদস্য ও পাটগ্রাম উপজেলা জিয়া পরিষদের প্রচার সম্পাদক, সাংবাদিক আব্দুস সামাদ আহত। আব্দুস সামাদ জাতীয় দৈনিক ঘোষণার লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাসূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর ইউনিয়নে রাস্তার ঢালাই ও সংস্কার কাজের তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে গেলে জামায়াত নেতা ও ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন লিটন সাংবাদিক আব্দুস ছামাদের উপর ও পাটগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল সবুজ ও সাফিউল ইসলাম সাফির উপর ক্ষিপ্ত হন।
বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ইউপি সদস্য লিটন ও তার ভাই সামাদের মোবাইলের ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধা দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে আব্দুস সামাদকে পিটানো শুরু করেন। এতে আব্দুস সামাদ আহত হলে প্রেসক্লাব পাটগ্রাম এর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল সবুজ ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাফি দ্রুত পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করায়।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল সবুজ বলেন, শ্রীরামপুর ইউনিয়নে কাবিটার কাজে অনিয়মের ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন লিটন আমাদের উপর চড়াও হন। তিনি আমাদের উদ্দেশ্যে করে অশ্লীল শব্দোচ্চারণের মাধ্যমে একপর্যায়ে সাংবাদিক আব্দুস সামাদকে পিটিয়ে আহত করে। পরিবেশ পরিস্থিতি অনূকূলে না থাকায় আহত সামাদকে নিয়ে পাটগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
আহত আব্দুস সামাদ বলেন, রাস্তার অনিয়মের ছবি তুলতে গেলে লিটন মেম্বার এসে আমাকে ধাক্কা দেয় এবং বাঁধা প্রদান করার এক পর্যায়ে তার ছোট ভাইসহ আমার বুকে ও পিঠে কিল ঘুসি মেরে আহত করে। আমি অবিলম্বে হামলাকারী এই লিটন মেম্বারের বিচার দাবি করছি এবং দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।














