শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

দেশীয় টুপি ও নতুন নোটে বাড়তি আগ্রহ

চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৪ পিএম | 29 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

পবিত্র রমজান শেষের পথেই, আনন্দঘন ঈদের বাকি আর মাত্র কয়টা দিন। ঈদ মানেই আনন্দ-ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন জুতো আর আর আতর সেন্টের সৌরভ। নাগরিকদের যারযার সাধ্য অনুযায়ী ঈদের নতুন মার্কেটিং চাই-ই চাই। বানিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কেনাকাটায় জমে উঠেছে নগরীর বাজারগুলো। অভিজাত শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান—সবখানেই ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। যার যার সামর্থ্য ও পছন্দ অনুযায়ী নতুন জামা, জুতা, প্রসাধনী ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য কিনে ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন নগরবাসী। দিনের ১০ টা থেকে রাত অবধি চলছে বিকিকিনি। বিশেষ করে বিকাল থেকে শেষ রাত পর্যন্ত জমজমাট চলছে বেচাকেনা।
নগরের নিউ মার্কেট, আন্দরকিল্লা, চকবাজার, জিইসি মোড়, লালখান বাজার, বহদ্দারহাট, সানমার সিটি, ষোলশহর, আগ্রাবাদ ও সিইপিজেড এলাকায় ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীদের উৎসব বোনাস পাওয়ায় কেনাকাটার চাপ আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
নগরের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার রিয়াজউদ্দিন বাজারে রয়েছে প্রায় ১৫ হাজারের বেশি পাইকারি দোকান। এখান থেকে চট্টগ্রাম ছাড়াও আশপাশের জেলার খুচরা ব্যবসায়ীরা পণ্য সংগ্রহ করেন। এছাড়া টেরিবাজারেও ভারত, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত শাড়ি, লেহেঙ্গা, গাউন ও কসমেটিকসহ নানা পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নান বলেন, “ঈদকে সামনে রেখে প্রতিটি ব্যবসায়ী বিশেষ প্রস্তুতি নেন। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল, তবুও গত বছরের তুলনায় এবার বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি ভালো।”
এবারের ঈদ বাজারে পাকিস্তান, তাইওয়ান ও থাইল্যান্ডের তৈরি পোশাক, মেয়েদের থ্রি-পিস, জুতা, প্রসাধনী ও শিশুদের ফ্যাশন সামগ্রীর চাহিদা বেশি। ভারতীয় পোশাকের দাম ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় সিল্ক, কাতান, টাঙ্গাইল ও কাঞ্জিলাল শাড়ি ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
এদিকে অতিরিক্ত ক্রেতা চাপের কারণে নিউ মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, জুবিলী রোড, স্টেশন রোড, আন্দরকিল্লা, চকবাজার, ষোলশহর, নাসিরাবাদ, আগ্রাবাদ, দেওয়ানহাট ও বহদ্দারহাট এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। উৎসব মৌসুমে নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। নিউমার্কেট, রেয়াজউদ্দিন বাজার, টেরিবাজার, লালখান বাজার, কহিনুর সিটি, সানমার সিটি, জিইসি, বহদ্দার হাট, চকবাজার, আগ্রাবাদ আক্তারুজ্জামান সেন্টার, সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট, লাকী প্লাজায় গিয়ে ক্রেতার ভীড়ে ত্রাহি অবস্থা, সব জায়গায় প্রশাসনের কড়া নজরদারী চোখে পড়েছে। এসব এলাকার ফুটপাতেও ক্রেতার প্রচুর ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।

ঈদের মার্কেটে চোর সিন্ডিকেট, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তারঃ

ঈদের বাজারকে কেন্দ্র করে চুরির ঘটনাও বাড়ছে। ঈদের বাজারকে কেন্দ্র করে নারী পুরুষের সমন্বয়ে কয়েকটি চোর সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্ন কৌশলে ক্রেতা সেজে ঈদের মার্কেটগুলোতে হানা দিয়ে চুরি করছে ঈদের জামাকাপড় সহ বিভিন্ন পণ্য। এমন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশ অভিযানে পেশাদার চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—সিয়ান্দর ওরফে মো. আরিফ হোসেন (৩০) এবং মো. রুবেল (৩৫)। তারা উভয়েই কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা হলেও খাতুনগঞ্জের লোহারপুল সংলগ্ন সোনা মিয়া মার্কেটের একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ও অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়ার সার্বিক নির্দেশনায় কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে শুক্রবার (১২ মার্চ) রাত ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে খাতুনগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন রঙের ১২টি থ্রি-পিস, তিনটি লেহেঙ্গা এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত কাটার, লোহার কাঁচি, স্ক্রু-ড্রাইভার ও একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত পোশাকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪২ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তার আরিফের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী ও বাকলিয়া থানায় মাদক ও চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। রুবেলের বিরুদ্ধেও কোতোয়ালী থানায় কয়েকটি মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

দেশীয় হাতেবোনা টুপির কদর বেশি এবারঃ

ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে নগরের আতর ও টুপির দোকানগুলোতেও জমে উঠেছে বেচাকেনা। সুগন্ধি আতর এবং নান্দনিক নকশার টুপি যেন ঈদের প্রস্তুতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার ও চকবাজার এলাকায় আতর-টুপি কেনার জন্য ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে ২০ রমজানের পর থেকে এসব পণ্যের বিক্রি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দোকান ঘুরে দেখা গেছে, শতাধিক ডিজাইনের দেশি-বিদেশি টুপি পাওয়া যাচ্ছে। তবে এবার দেশীয় তৈরি হাতেবোনা টুপির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এসব টুপির দাম ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, হাটহাজারী, বগুড়া, ময়মনসিংহ ও বরিশাল অঞ্চল থেকে এসব হাতেবোনা টুপি আসে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এগুলো বিদেশেও রপ্তানি করা হয়।
এছাড়া বাজারে পাকিস্তানি, মালয়েশিয়ান, আফগানি, কাশ্মীরি ও তার্কিশ টুপি পাওয়া যাচ্ছে। তার্কিশ টুপি বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকায়, চায়না টুপি ২০০-৪০০ টাকায় এবং কাশ্মীরি টুপি ৬০০ থেকে ১৪০০ টাকায়।
চকবাজারের গুলজার টাওয়ারের আয়াত স্টোরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন,
“এবার হাতেবোনা দেশীয় টুপির চাহিদা বেশ বেড়েছে। ডিজাইন ও মান ভালো হওয়ায় ক্রেতারা এগুলো বেশি কিনছেন।”
এদিকে অনেকেই ঈদের নামাজের জন্য জুব্বা কিনছেন। জুব্বার সঙ্গে পরার জন্য হাজী রুমালও বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। সৌদি আরব থেকে আসা একই ধরনের রুমালের দাম ১৪০০ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত।

আতরের দোকানে বাড়ছে ক্রেতাঃ

এদিকে আতরের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন নামিদামি ব্রান্ডের আতর। স্প্রে করা যায় এমন আতরও কিনছেন তরুণরা। কাবার গিলাপে ব্যবহার করে এমন আতরের কদর এবার বেশি বলে জানা গেছে। এছাড়া বিক্রির তালিকায় আছে বাংলাদেশের সিলেট থেকে আসা অর্গানিক অয়েল বা আতর। যেটা সিলেটি উদ নামেও পরিচিত। পাশাপাশি ভারতের আজমল ব্রান্ড এবং আল হারমাইন ব্রান্ডের আতর। সুরাতি, আমীর আল উদ, এসআচ আল আরাবিয়া, দালাল, সুলতান, মাস্কাল কাবা, নাফা কাস্তুরী, সুইটস মাসকাল তাহারা, উদ, আবদুস সামাদ কোরাইশী, শাফাঘ উদ, জান্নাতুল ফেরদৌস, আমির আল কুয়াদিরাজা’সহ বিভিন্ন নামের আতর বিক্রি হচ্ছে। মান ও ব্র্যান্ড অনুযায়ী এসব আতরের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্পোরেট, সফট মিষ্টি এবং আকর্ষণীয় ঘ্রাণের আতর আছে। আছে অর্গানিক কালেকশনও।
আতরে অভিজ্ঞ কয়েকজন বিজ্ঞ আলেমদের সাথে কথা বলে জানা গেছে,- ভাল আতর সাধারণত মস্ক, উড, অ্যাম্বার টাইপ আতর সবচেয়ে বেশি সময় স্থায়ী হয়। মস্ক, উডি মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে

ফুটপাতে নতুন টাকার জমজমাট বাজারঃ

ঈদকে সামনে রেখে নতুন টাকার চাহিদা বাড়লেও এবার ব্যাংকে নতুন নোট সরবরাহ না থাকায় নগরের বিভিন্ন ফুটপাতে গড়ে উঠেছে নতুন টাকার অস্থায়ী বাজার।
নিউ মার্কেট মোড়ে জাকির হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী ৫, ১০, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নতুন নোট বিক্রি করছেন। অতিরিক্ত টাকা দিলেই ক্রেতারা নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারছেন।
তিনি জানান, ১০ টাকার নোটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ১০ টাকার এক হাজার টাকার বান্ডিল কখনো কখনো দেড় হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়।
ঈদের সময় জাকাত, সালামি ও উপহার দেওয়ার জন্য অনেকেই নতুন নোট কিনে থাকেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের কাছে কড়কড়ে নতুন নোটের আলাদা আকর্ষণ রয়েছে।
নিউ মার্কেট ছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশপাশ, সিডিএ ভবনের সামনে, আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের সামনে এবং কোর্ট হিল এলাকায়ও নতুন টাকার এমন অস্থায়ী দোকান দেখা যাচ্ছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই ব্যবসা জমে উঠছে।
এক নারী বিক্রেতা জানান, খুব সকালে লাইনে দাঁড়িয়ে তিনটি বান্ডিল নতুন নোট সংগ্রহ করে তিনি প্রায় ৩০০-৩৫০ টাকা লাভ করেছেন। ভারী কাজ করতে না পারায় এভাবেই জীবিকা চালাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে লিখেছেন, ফুটপাতে নতুন টাকার বাজার বাংলাদেশের একটি ব্যতিক্রমী সামাজিক ঐতিহ্য। ঈদের আগে এই দৃশ্য নগরের উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

কামাল উদ্দীন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোদগ

কামাল উদ্দীন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:২২ পিএম
নওগাঁর আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোদগ

নওগাঁর আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক অসহায় বিধবা নারীর জমি অবৈধ ভাবে দখল ও মাছ চুরির অবিযোগ উঠেছে ১। মোঃ আব্দুল জলির পিতা মৃত আপের আলী পিয়াদ২।মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা পিতা মৃতঃ- বিশু মোল্যা ৩। মোঃ আমজাদ আলী পিতা মৃতঃ- ইনু ৪।মোঃ- মোঃআঃ করিম মেম্বার পিতামৃত অকিম প্রাং সর্ব্ব সাং কাজী পাড়া উপজেলা আত্রাই জেলা নওগাঁ ৫। নুরু মোল্যা পিতামৃত আসকর আলী মোল্যা ৬।মেঃ-আব্দু সাত্তার পিতা মৃত উপশেখ,৭। মোঃ সাদ্দাম পিতা মৃত মালেক,৮।মোঃ বুদা পিতামৃত ইশা ৯। মোঃ আব্দুল খালেক ১০।মোঃ জানবক্স মাষ্টার উভয়ের পিতা মৃতকিসম ত আলী ১১।রমজান আলী ফাকু পিতামৃতভোলা ১২।ফিরোজ পিতামৃত নিয়ামত আলী,১৩।ময়না পিতা মৃত ইয়াকুব আলী ১৪। মোঃ আব্দুল গফুর পিতা মৃত ইসমাইল ১৫।মোঃ বক্কর পিতা মৃত খলিল,১৬। মনি পিতা রইচউদ্দিন সর্ব্ব সাং ঘোষ পাড়া ১৭। মোঃ মোজাম পিয়াদা পিতা মৃত নজের আলী পিয়াদা ১৮। মোঃ আঃ রহমান পিয়াদা পিতামৃত সন্তোশ পিয়াদা সর্ব্ব সাং পিয়াদা পাড়া থানা আত্রাই জেলা নওগাঁ বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভূক্ত ভোগী ওই নারী নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রে ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া ওই জমিতে ফৌজদারি কযবিধি ১৪৪?১৪৫ ধারা জারি রয়েছে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আত্রাই উপজেলার ৩নং আহসানগন্জ ইউনিয়ন এলাকার মৌজা আমরুল কসবা সাবেক খতিয়ান নং৯২/৫৩২ সাবেক দাগ নং৫১ হাল ৫৩ ও সাবেক ৯৫ হাল ৯৮ মোট ১৩.২০ একর জমির মালিক অসহায় বিধবা ময়না বেওয়া। বিভিন্ন সূত্রে জমি ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই জমিতে চোখ পড়ে ভূমি দস্যু আব্দুল জলি গং এর এবং আমার জমিতে খনন করে মাছ চাষ করতে গেলে আমি একজন অসহায় বিধবা নারী হয়ে বাধা দিলে আমাকে অকত্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। আমি নিরুপায় হয়ে স ্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, উঋপজেলা নি বাহী অফিসার, সহকারী কমি শনার ভূমি আত্রাই থানা অফিসার ইনচাজ মহোদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ দিলেও আমি কোন সুরহা পাই নাই। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার নামিয় সম্পতিতে জোর পূবক মাছ ধরেছে ইহাতে আমার প্রায় এক লক্ষ টাকার মাছ চুরি করে নিয়ে যায় উকাত বিবাদিগন।
মামলার বাদি ময়না বেগম বলেন ক্রয় ও বিভিন্ন সূত্রে১৩.২০ একর সম্পত্তির মালিক আমি। মিউটেশন করে ভোগ দখলে আছি। অন্তবতীকালীন সরকার আশার পর আঃ জলিল ও তারঁ সন্ত্রাসী দলবল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে আমার জমিতে অবৈধ দখল মাছ ধরে চুরি করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মন্জুরুল আলম ম ন্জু বলেন এবিষয়ে এলাকার লোকজন আমার নিকট এসেছিলেন আমি বিষয় টি সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয়ের নিকট জানালে তিনি সাভেয়ার সাহেব কে মাপ যোগ করে দেখা যায় উক্ত জমি এক নম্বর খাস এবং সেখানে সরকারী ভাবে খাল খনন করা হয়েছে।এবং ইউ জমির খাজনা প্রদান করে চেক কাটা নাই। আসলে উক্ত সম্পত্তি ১ নম্বর খাস খতিয়ান ভূক্ত সম্পত্তি বলে জানান। আত্রাই থানার অফিসার ইনচাজ মে াঃ আব্দুল করিম বলেন কেউ যদি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাহলে তারঁ বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে বিদেশি বার্মিজগানসহ দুইজন গ্রেফতার

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টর প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:২০ পিএম
পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে বিদেশি বার্মিজগানসহ দুইজন গ্রেফতার

পাবনায় র‍্যাবের অভিযানে একটি বিদেশি বার্মিজগানসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন ও তিনটি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, র‍্যাব-১২ এর অধিনায়ক, সিরাজগঞ্জের নির্দেশনায় শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে র‍্যাব-১২ সিপিসি-২ পাবনার একটি আভিযানিক দল পাবনা সদর থানার হরিনারায়নপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে র‍্যাব-১২ সিপিসি-২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট ওয়াহিদুজ্জামান (এস), বিএন এর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রাম এলাকার মৃত সাকের প্রামানিকের ছেলে মো. আবু বক্কর প্রামানিক (৫৮) এবং একই এলাকার মৃত আবু তাহের প্রামানিকের ছেলে মো. ইসলাম প্রামানিক (৪৮)।

অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র (বার্মিজগান), একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন ও তিনটি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতারকৃতদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯এ ধারায় পাবনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পাকশীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭ রাউন্ড গুলিসহ দুইটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার

মোঃ ওমর ফারুক (সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম
পাকশীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭ রাউন্ড গুলিসহ দুইটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ রাউন্ড গুলিসহ দুইটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে পাকশী পুলিশ ফাঁড়ি।

‎শনিবার (১৪ মার্চ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাকশী ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

‎পাকশী ফাঁড়ির ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

error: Content is protected !!