শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

ডিএমপির ১০ থানা পেলো নতুন গাড়ি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৬ পিএম | 71 বার পড়া হয়েছে
ডিএমপির ১০ থানা পেলো নতুন গাড়ি

পুলিশের কাজে গতিশীলতা ফেরাতে ডিএমপির অধীনে থানাগুলোতে ৫০টি গাড়ি যুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিশনাল কমিশনার (লজিস্টিকস) হাসান মো. শওকত আলী।

বুধবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত থানার সক্ষমতা বাড়াতে নতুন গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এমন তথ্য জানান তিনি। এসময় ডিএমপির ১০ থানায় ১০টি নতুন গাড়ি হস্তান্তর করা হয়।

ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসান’র অনন্য উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির ৫০ থানায় যুক্ত হচ্ছে নতুন গাড়ি। যার মধ্যে বুধবার ১০টি গাড়ি হস্তান্তর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশি কর্মকান্ডে গতিশীলতা একটি অন্যতম উপকরণ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের যানবাহন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেজন্য ডিএমপি কমিশনার মহোদয় নিজস্ব উৎস থেকে ৫০টি নতুন গাড়ি ডিএমপির গাড়ি বহরে যুক্ত করার অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে আজ উত্তরা পূর্ব, গুলশান, তেজগাঁও, কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মতিঝিল ও নিউমার্কেট থানায় ১০টি গাড়ি যুক্ত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরও ৪০টি থানায় নতুন গাড়ি যুক্ত হবে।

আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ও অপরাধ দমনে এসব গাড়িগুলো ব্যবহৃত হবে। এই গাড়িগুলো যুক্ত হওয়ার সাথে সাথে পুলিশের কর্মকান্ডে আরও গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। পুলিশ আরো উদ্যমের সাথে কাজ করবে এবং অপরাধ দমনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শওকত আলী।

ডিএমপির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আন্দোলনের সময় ডিএমপির ১৮৬টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭টি গাড়ি পুড়ে গেছে, যা মেরামত যোগ্য নয়। এ ছাড়াও যে সকল থানায় অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে সেগুলো দ্রুত মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে ডিএমপির সবগুলো থানার কার্যক্রম পুরোদমে চালু রয়েছে।

এ অনুষ্ঠানে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রান্সপোর্ট) সামসুন নাহার, উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস্ বিভাগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (পরিবহন বিভাগ) মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড ওয়ার্কশপ বিভাগ) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানসহ ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

মো: রোকন উদ্দিন বাবুল সংসদ সদস্য লালমনিরহাট-২

মোঃ ফারুক হোসাইন প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৪ এএম
মো: রোকন উদ্দিন বাবুল সংসদ সদস্য লালমনিরহাট-২

মো: রোকন উদ্দিন বাবুল
সংসদ সদস্য
লালমনিরহাট-২
আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার সকল ধর্ম,বর্ণ এবং সকল পেশার মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, ঈদ মোবারক

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট

ভারতীয় কারাগারে এক বাংলাদেশি মৃত্যুর ৩৬ দিন পর দেশে ফিরল তার মরদেহ

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১:১১ এএম
ভারতীয় কারাগারে এক বাংলাদেশি মৃত্যুর ৩৬ দিন পর দেশে ফিরল তার মরদেহ

ভারতের কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত্যুর ৩৬ দিন পর খাইরুজ্জামান (৪২) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর ও ভারতের চেংড়াবান্দা ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।

​নিহত খাইরুজ্জামান কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পশ্চিম কালুডাঙা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর ধরে ভারতের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

​নিহতের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাড়ে তিন বছর আগে কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন খাইরুজ্জামান। সেখানে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ অবস্থায় তাকে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।

​খাইরুজ্জামানের ছোট ভাই খয়বর জামান বলেন, “ভাই দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর নিখোঁজ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর আমরা জানতে পারি তিনি কারাগারে ছিলেন। মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল ভাইয়ের মুখটি দেখার। লাশটি ফিরে পাওয়ায় আমরা সরকারি ও সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞ।”

​মরদেহ হস্তান্তরের সময় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রতিনিধি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং দুই দেশের পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

​রেডিও চিলমারীর স্টেশন ম্যানেজার বশির আহমেদ এই মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সঙ্গে দীর্ঘ কূটনৈতিক যোগাযোগের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

​বুড়িমারী ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি গ্রহণ করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। খাইরুজ্জামান স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। আজ রাত সাড়ে ৭টায় তার নিজ গ্রামে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল পালিত

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল পালিত

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ)২৬ খ্রিঃ পুলিশলাইন সংলগ্ন পলওয়েল পার্কে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পবিত্র মাহে রমজানের মহিমান্বিত তাৎপর্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে অটুট রাখতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের এ-ই উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল পালন করা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিঃ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান,( এমপি)।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে দীপেন দেওয়ান বলেন রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।​
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীলগণ।​ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়। দোয়া মাহফিলে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট পবিত্র রমজানের আত্মশুদ্ধিমূলক শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে দেশবাসীর নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
​বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করবে। মোনাজাত শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এবং পুলিশ সদস্যরা একসাথে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!