রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

ডিএমপির ১০ থানা পেলো নতুন গাড়ি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৬ পিএম | 65 বার পড়া হয়েছে
ডিএমপির ১০ থানা পেলো নতুন গাড়ি

পুলিশের কাজে গতিশীলতা ফেরাতে ডিএমপির অধীনে থানাগুলোতে ৫০টি গাড়ি যুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিশনাল কমিশনার (লজিস্টিকস) হাসান মো. শওকত আলী।

বুধবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত থানার সক্ষমতা বাড়াতে নতুন গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এমন তথ্য জানান তিনি। এসময় ডিএমপির ১০ থানায় ১০টি নতুন গাড়ি হস্তান্তর করা হয়।

ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসান’র অনন্য উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির ৫০ থানায় যুক্ত হচ্ছে নতুন গাড়ি। যার মধ্যে বুধবার ১০টি গাড়ি হস্তান্তর করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশি কর্মকান্ডে গতিশীলতা একটি অন্যতম উপকরণ। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের যানবাহন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেজন্য ডিএমপি কমিশনার মহোদয় নিজস্ব উৎস থেকে ৫০টি নতুন গাড়ি ডিএমপির গাড়ি বহরে যুক্ত করার অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে আজ উত্তরা পূর্ব, গুলশান, তেজগাঁও, কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, কামরাঙ্গীরচর, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মতিঝিল ও নিউমার্কেট থানায় ১০টি গাড়ি যুক্ত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরও ৪০টি থানায় নতুন গাড়ি যুক্ত হবে।

আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ও অপরাধ দমনে এসব গাড়িগুলো ব্যবহৃত হবে। এই গাড়িগুলো যুক্ত হওয়ার সাথে সাথে পুলিশের কর্মকান্ডে আরও গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। পুলিশ আরো উদ্যমের সাথে কাজ করবে এবং অপরাধ দমনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শওকত আলী।

ডিএমপির ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আন্দোলনের সময় ডিএমপির ১৮৬টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭টি গাড়ি পুড়ে গেছে, যা মেরামত যোগ্য নয়। এ ছাড়াও যে সকল থানায় অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে সেগুলো দ্রুত মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে ডিএমপির সবগুলো থানার কার্যক্রম পুরোদমে চালু রয়েছে।

এ অনুষ্ঠানে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রান্সপোর্ট) সামসুন নাহার, উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস্ বিভাগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (পরিবহন বিভাগ) মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড ওয়ার্কশপ বিভাগ) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানসহ ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে 

মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

আজিজুল গাজী, বাগেরহাট প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
মোল্লাহাটে ভোটাধিকার ও গণভোট বিষয়ে যুব-নেতৃত্বাধীন সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক সচেতনতা ও গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরতে যুব-নেতৃত্বাধীন স্থানীয় পর্যায়ের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সামাজিক ও নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘৫১’র জাগরণ’।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মোল্লারহাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আয়োজন করা হয় একাধিক উঠান বৈঠক, যেখানে নারীদের ও যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ভোটাধিকার প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের ধারণা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল—
“আমরা কেমন বাংলাদেশ চাই” ও “গণ ভোট কেন প্রয়োজন”।
উঠান বৈঠকে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুম্পা আক্তার মিম, ‘৫১’র জগগরণ’-এর নাগরিক ও ভোটার শিক্ষা বিষয়ক স্থানীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক এবং VBD বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি। তিনি অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“ভোট শুধু একটি অধিকার নয়, এটি নাগরিক শক্তির প্রতিফলন। গণভোট হচ্ছে জনগণের সরাসরি মত প্রকাশের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যা সম্পর্কে আমাদের দেশে এখনো ব্যাপক অজ্ঞতা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, মোল্লারহাটের অনেক মানুষ আগে জানতেন না গণভোট কী, এটি কীভাবে কাজ করে কিংবা কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গণভোটের ধারণা, উদ্দেশ্য এবং গণতন্ত্রে এর ভূমিকা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা লাভ করেন।
আলোচনায় নারীরা বলেন, ভোটকেন্দ্রে যেতে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং তথ্যের অভাব তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বড় বাধা। অন্যদিকে যুবরা জানান, তারা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলেও সঠিক দিকনির্দেশনা ও নাগরিক শিক্ষার অভাবে অনেক সময় পিছিয়ে পড়েন।
‘৫১’র জাগরণ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভোটার তালিকাভুক্তি, ভোট প্রদানের গুরুত্ব, ভোটের গোপনীয়তা, গণভোটের আন্তর্জাতিক উদাহরণ এবং একটি কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের মতামত সংগ্রহ করেন।
স্থানীয় এক নারী অংশগ্রহণকারী বলেন,
“আগে ভোটকে তেমন গুরুত্ব দিতাম না। আজ বুঝলাম, আমার একটি ভোটই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
আয়োজকরা জানান, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং বিশেষ করে নারী ও যুব সমাজকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা। ভবিষ্যতে মোল্লারহাটসহ বাগেরহাট জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
উল্লেখ্য, ‘৫১’র জাগরণ’ দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক অধিকার, ভোটার শিক্ষা ও গণতন্ত্র চর্চা বিষয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করে আসছে। এই সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত উঠান বৈঠক স্থানীয় পর্যায়ে গণতান্ত্রিক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৮ এএম
ঘিলাতলী পাড়ার মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাবেক বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাজাপালং ইউনিয়ন উত্তর শাখার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, জননেতা Sarwar Jahan Chowdhury, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উখিয়া উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব, জনতার চেয়ারম্যান ও জননেতা Sadman Zami Chowdhury.

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ এএম
ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে এক কিশোর নিখোঁজ হয়েছেন।

নিখোঁজ কিশোরের নাম ইমরুল আলম প্রবাল (১৬)। তিনি ঢাকা মতিঝিল বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তাঁর পিতার নাম এডভোকেট মোহাম্মদ আলম এবং মাতার নাম সেনোয়ারা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইমরুল আলম প্রবাল ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। নামাজ শেষে এখনও সে বাসায় ফিরে আসেনি এবং দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

নিখোঁজের সময় তার পরনের পোশাক ও অন্যান্য বিবরণ হালকা সবুজ পাঞ্জাবি ও ল্যাব কালার টাউজার পরনে ছিল।

নিখোঁজ কিশোরের
বর্তমান ঠিকানা: সিদ্ধেশ্বরী, ১৯ নম্বর ওয়ার্ড, রমনা, ঢাকা।
স্থায়ী ঠিকানা: পিএমখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ধাউনখালী, এডভোকেট আলমের বাড়ি, কক্সবাজার সদর।

কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি ইমরুল আলম প্রবালকে কোথাও দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে—

📞 যোগাযোগ নম্বর:
০১৩২১৮৬৯৬০৮
০১৬২৬১৮২৭৩২

পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।