শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২

প্রবন্ধ: কঠোর পরিশ্রম,সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল আজকের স্বাধীনতা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এএম | 34 বার পড়া হয়েছে
প্রবন্ধ: কঠোর পরিশ্রম,সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল আজকের স্বাধীনতা

উদীয়মান সূর্য, যা একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তকে নির্দেশ করে। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করতে প্রাণ দিয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। সে জন্যই আমাদের জাতীয় পতাকা গাঢ় লাল সবুজের।

বিপ্লবী স্বাধীন বাংলার পতাকা ছিল ভিন্ন। সবুজ জমিনে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র।
দেখলেই যেন মন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তাইতো কবির কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে — আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। গানটি প্রতিটি বাঙালিকে উদ্দীপ্ত করেছে, প্রেরণাও যুগিয়েছে।লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা, এই দিনে জাতি স্মরণ করছে বীর শহীদদের? স্বাধীনতা দিবস তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে মুক্তির প্রতিজ্ঞায় উদ্দীপ্ত হওয়ার ইতিহাস। পাকিস্তানের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেওয়ার ৫৬ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর্যের মাধ্যমে পালন করা হয় দিনটি।
স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধীকার। আর মানুষ মাত্রই স্বাধীনতাপ্রিয়। তার জীবনের প্রধান আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা।স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধীকার। আর মানুষ মাত্রই স্বাধীনতাপ্রিয়। তার জীবনের প্রধান আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা। স্বাধীনতা কথাটি যতই মধুর হোক না কেন এটা অর্জন করা বড়ই কঠিন। আর এ অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও কঠিন। স্বাধীনতাকে পারার জন্যেই মানুষ যুগ যুগ ধরে সংগ্রাম করে এসেছে। নিপীড়িত, অত্যাচারিত জাতি স্বীয় মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্যে সংগ্রাম করে মুক্তিলাভ করে থাকে।
কিন্তু এ মুক্তি অর্জনই মুখ্য উদ্দেশ্য নয়। একে সমুন্নত রাখাই মুখ্য উদ্দেশ্য। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশের পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও বহিঃশত্রুর হাত থেকে একে রক্ষা করার জন্য সদা প্রস্তুত থাকা একান্ত প্রয়োজন।মানুষের যাবতীয় কার্যকলাপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাধীনতাপূর্ণ গৌরবোজ্জ্বল জীবনের বিকাশ।
পরাধীন জাতি কঠিন ত্যাগ, কঠোর পরিশ্রম, সুদীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।
তাই স্বাধীনতার মর্যাদা ও গুরুত্ব উপলব্ধি করে একে রক্ষণাবেক্ষণে তৎপর থাকা আমাদের জাতীয় কর্তব্য।

প্রবন্ধ: সংগ্রহেঃ এম এস শ্রাবন মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

ইসরায়েলের বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৮ এএম
ইসরায়েলের বৃহত্তম তেল শোধনাগারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েলের সর্ববৃহৎ শোধনাগারে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার ইসরায়েলের হাইফায় অবস্থিত বাজান গ্রুপের ওই তেল শোধনাগারে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।

ইসরায়েলের জাতীয় জরুরি পরিষেবা প্রতিষ্ঠান মাগেন ডেভিড অ্যাডোম জানিয়েছে, এই হামলায় একজন সামান্য আহত হয়েছেন। তবে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন দাবি করেছেন, অবকাঠামোগত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। হামলার কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া বিদ্যুৎ সংযোগ দ্রুত অধিকাংশ এলাকায় পুনঃস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর ফলে সেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কুয়েতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুল আজিজ আল-ওতাইবি জানান, এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় কুয়েতের আকাশসীমায় ১৮টি শত্রু ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৩টি ধ্বংস করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট

ভারতীয় কারাগারে এক বাংলাদেশি মৃত্যুর ৩৬ দিন পর দেশে ফিরল তার মরদেহ

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১:১১ এএম
ভারতীয় কারাগারে এক বাংলাদেশি মৃত্যুর ৩৬ দিন পর দেশে ফিরল তার মরদেহ

ভারতের কারাগারে বন্দি অবস্থায় মৃত্যুর ৩৬ দিন পর খাইরুজ্জামান (৪২) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর ও ভারতের চেংড়াবান্দা ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও প্রশাসনের উপস্থিতিতে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।

​নিহত খাইরুজ্জামান কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার পশ্চিম কালুডাঙা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর ধরে ভারতের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

​নিহতের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাড়ে তিন বছর আগে কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন খাইরুজ্জামান। সেখানে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ অবস্থায় তাকে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ওই দিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।

​খাইরুজ্জামানের ছোট ভাই খয়বর জামান বলেন, “ভাই দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর নিখোঁজ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর আমরা জানতে পারি তিনি কারাগারে ছিলেন। মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল ভাইয়ের মুখটি দেখার। লাশটি ফিরে পাওয়ায় আমরা সরকারি ও সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞ।”

​মরদেহ হস্তান্তরের সময় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রতিনিধি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং দুই দেশের পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

​রেডিও চিলমারীর স্টেশন ম্যানেজার বশির আহমেদ এই মরদেহ ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সঙ্গে দীর্ঘ কূটনৈতিক যোগাযোগের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

​বুড়িমারী ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি গ্রহণ করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। খাইরুজ্জামান স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। আজ রাত সাড়ে ৭টায় তার নিজ গ্রামে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল পালিত

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৮ এএম
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল পালিত

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ)২৬ খ্রিঃ পুলিশলাইন সংলগ্ন পলওয়েল পার্কে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পবিত্র মাহে রমজানের মহিমান্বিত তাৎপর্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে অটুট রাখতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের এ-ই উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল পালন করা হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিঃ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান,( এমপি)।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে দীপেন দেওয়ান বলেন রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।​
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ দায়িত্বশীলগণ।​ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে দেশ, জাতি ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়। দোয়া মাহফিলে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট পবিত্র রমজানের আত্মশুদ্ধিমূলক শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে দেশবাসীর নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
​বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করবে। মোনাজাত শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এবং পুলিশ সদস্যরা একসাথে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।

error: Content is protected !!