শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

১৯৭১: মানবিক সহায়তায় পাশে ছিল যে দেশগুলো

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৫ পিএম | 4 বার পড়া হয়েছে
১৯৭১: মানবিক সহায়তায় পাশে ছিল যে দেশগুলো

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি জাতির স্বাধীনতার লড়াই ছিল না—এটি ছিল মানবিকতার এক বিশ্বব্যাপী পরীক্ষা। ১৯৭১ সালে যখন লাখো মানুষ শরণার্থী হয়ে পড়ে এবং মানবিক বিপর্যয় নেমে আসে, তখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়ায়।
✨ চলুন জেনে নেই, কারা মানবিক সহযোগিতা করেছিল—
🔶 🇮🇳
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মানবিক সহায়তাকারী ছিল ভারত। প্রায় ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয়, খাদ্য, চিকিৎসা ও ত্রাণ প্রদান করে ভারত মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। বিভিন্ন শরণার্থী শিবির স্থাপন ও আন্তর্জাতিক সহায়তা সমন্বয়েও ভারতের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
🔶 🇷🇺
যদিও সামরিক ও কূটনৈতিক সমর্থনের জন্য বেশি পরিচিত, তবু সোভিয়েত ইউনিয়ন মানবিক সহায়তা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের দুর্দশা তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
🔶 🇬🇧 ও ইউরোপের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা
যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা ত্রাণ সংগ্রহ, অর্থ সহায়তা ও শরণার্থীদের জন্য চিকিৎসা সহায়তা পাঠায়। ব্রিটিশ জনগণের মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গড়ে ওঠে।
🔶 🌍
অক্সফাম ছিল সবচেয়ে সক্রিয় আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর একটি। তারা শরণার্থী শিবিরে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, আশ্রয় ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখে।
🔶 🚑 (ICRC)
রেড ক্রস যুদ্ধাহতদের চিকিৎসা, বন্দিদের সহায়তা এবং মানবিক ত্রাণ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
🔶 🇺🇸 -এর নাগরিক সমাজ
সরকারি নীতিতে বিতর্ক থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ জনগণ, শিল্পী ও মানবাধিকার কর্মীরা বাংলাদেশের পক্ষে ত্রাণ সংগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসে (যেমন “Concert for Bangladesh”)।
🌟 উপসংহার
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রমাণ করে—মানবিক বিপর্যয়ের সময় পৃথিবী একসাথে দাঁড়াতে পারে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার এই সহায়তা লাখো শরণার্থীর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী

কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন করেন মন্ত্রী

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ ব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১৬ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখে দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বলরাম পুর সাহা পাড়া এলাকায় খাল খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগমন উপলক্ষে ১৩ মার্চ শুক্রবার দুপুরে নির্ধারিত কর্মসূচির স্হান, উপজেলার রামচন্দ্র মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং শুকান দিঘি মাঠ সরেজমিন পরিদর্শন করেন, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী ডাঃ এ জেড,এম জাহিদ হোসেন এম পি। খাল খননের উদ্বোধনী স্থান ও মাঠ পরিদর্শন শেষে মাননীয় মন্ত্রী সাংবাদিক দের সামনে বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান মিয়া এম পি, দিনাজপুর -১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন কচি,কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা বাদশা, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মোঃ শামীম আলী সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অপর দিকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরহাদ হোসেন আজাদ এম পি শুক্রবার সকালের দিকে এই কর্মসূচি পরিদর্শন করেন।

‎মোঃ কুতুব উদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?

‎মোঃ কুতুব উদ্দিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?

‎আজ ১৩ মার্চ শুক্রবার গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির উদ্যোগে “যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কেন বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক?” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারটি সকাল ১০.৩০ মিনিটে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে (পল্টন টাওয়ার, বিজয়নগর, ঢাকা) অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ড. গোলাম রসুল, আলোচনা করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, ড. মাহা মীর্জা, সভাপ্রধান হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

‎সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ড. গোলাম রসুল বলেন, “এই বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে বাংলাদেশের উপর অনেকগুলো জনস্বার্থ বিরোধী শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে। এতে দেশের কৃষি-শিল্প খাত ঝুঁকিতে পড়বে, খাদ্যমূল্য বাড়বে। এই অসমম চুক্তির ফলে বাংলাদেশকে বিপুল অর্থের সামরিক অস্ত্র  সামরিক অস্ত্র কিনতে হবে। অর্থাৎ এটি শুধু অর্থনৈতিক চাপই বাড়াবে না, ভূরাজনৈতিকভাবেও বাংলাদেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে চুক্তি করার সক্ষমতাও হারাবে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি।”

‎ড. মাহা মীর্জা বলেন, “এই চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যকে বাংলাদেশের বাজারে শুল্ক ছাড় দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বাংলাদেশের কৃষি ও শিল্প খাতগুলোর সক্ষমতা কম। তাই পোল্ট্রি, ডেইরি, ঔষধসহ দেশের সম্ভবনাময় কৃষি ও শিল্প খাতকে অসম প্রতিযোগিতায় পড়তে হবে। এতে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

‎সেমিনারে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “অন্তবর্তীকালীন সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে এই বাণিজ্য চুক্তি করেছে। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই বর্তমান সরকার অন্য দেশের সাথে চুক্তি করার আগে নতজানু হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাচ্ছে, এটা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের জন্যে হুমকি। সংসদে এই জনস্বার্থ বিরোধী চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।”

‎অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, “সারাবিশ্বে চলমান যুদ্ধ উন্মাদনারই অংশ বাণিজ্য যুদ্ধ, শুল্ক যুদ্ধ। ট্রাম্পসহ যুদ্ধোন্মাদনায় উন্মত্ত নেতাদের তৈরি নীতি, চুক্তির ফলে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের অসংখ্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে।”

‎অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ উল্লেখ করেন “সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে স্পষ্ট করতে হবে তারা এই চুক্তির সাথে ছিল না। তারা দেশের সার্বভৌমত্বের পক্ষে হলে অবশ্যই এই চুক্তি পুনর্বিবেচনা করতে হবে। চুক্তির সাথে যুক্তদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সত্যিকার অর্থে ধারণ করতে হলে সবার আগে দেশের জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে, জনস্বার্থ বিবেচনা না করে চুক্তি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তা নাহলে এই স্লোগান অর্থহীন হবে বলে জানান।

কামরুল ইসলাম

কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন

কামরুল ইসলাম প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫০ পিএম
কুতুবদিয়ায় মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কুতুবদিয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সমাজ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে মসজিদ কমিটির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে আবুল কালামকে সভাপতি, মাওলানা রহমতউল্লাহকে সহ-সভাপতি, শামসুল আলমকে সহ-সহ সভাপতি এবং মাওলানা আবুল বাশার সিদ্দিকীকে সহ-সহ সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া আহসানুল্লাহকে ক্যাশিয়ার এবং সাইদুল ইসলামকে সহকারী ক্যাশিয়ার করা হয়েছে।

প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাওলানা আব্দুল মজিদ এবং সরকারি সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাওলানা আব্দুল আজিজ।

কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মাস্টার হাবিবুল্লাহ ও মাওলানা আব্দুল জলিল।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল খলিল চৌধুরীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অন্যান্য সদস্যরা। বক্তারা মসজিদের সার্বিক উন্নয়ন, ধর্মীয় কার্যক্রম জোরদার এবং সমাজের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নবগঠিত কমিটির সদস্যরা মসজিদের উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

error: Content is protected !!