মেয়ের সম্মান বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাবা
মেয়ের সম্মান বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাবা! বখাটেদের ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করাই কি ছিল তাঁর অপরাধ? 😱 বিচার চাই!
”আমি তোরে প্রত্যেকদিন রাস্তায় আটকাম, স্কুলে যাইতে দিমু না!”—স্কুলছাত্রী মেয়ের প্রতি বখাটেদের এমন হুমকির প্রতিবাদ করতে গিয়ে আজ না
ফেরার দেশে চলে গেলেন কৃষক জাকির হোসেন মিয়াজী। চাঁদপুরের মতলবে ঘটে যাওয়া এই পৈশাশিক ঘটনা স্তব্ধ করে দিয়েছে পুরো দেশকে।
বর্বরতার সেই চিত্র:
নিশানা যখন স্কুলছাত্রী: নবম শ্রেণির ছাত্রী শাকিলা আক্তারকে স্কুলে যাওয়ার পথে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত একদল বখাটে। ফাহিম, সাফি, রিফাত ও রিয়াদসহ ১০-১৫ জনের একটি চক্র শাকিলার পথ আটকে কুপ্রস্তাব দিত।
সাহসী বাবার প্রতিবাদ:
মেয়ে যখন বাবাকে সব জানায়, তখন জাকির হোসেন মিয়াজী চুপ থাকেননি। তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে নালিশ করেন। আর এটাই ছিল তাঁর ‘অপরাধ’।
অতর্কিত হামলা:
অভিযোগ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটেরা নিশ্চিন্তপুর বাজারে জাকির হোসেনের ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে ১৩ দিন ঢাকা মেডিকেলে লড়াই করার পর আজ ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আমাদের দাবি:
যে কুলাঙ্গাররা একজন আদর্শ পিতাকে এভাবে হত্যা করল, তাদের কি কোনো ক্ষমা আছে? আজ একজন জাকির হোসেন মিয়াজী প্রাণ
হারানো মানে প্রতিটি মেয়ের বাবার নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়া। আমরা এই খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাই।














