শরীয়তপুরের সুরেশ্বর দরবার শরীফের কথিত এক পীরের বিরুদ্ধে উঠেছে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ
আমার বাবার টাকা-পয়সা কিচ্ছু নাই, শুধু পীর সাহেবকে বিশ্বাস করতেন!”— এভাবেই বুক ফাটা আর্তনাদ করছেন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের শিকার এক ব্যক্তির সন্তানরা। শরীয়তপুরের সুরেশ্বর দরবার শরীফের কথিত এক পীরের বিরুদ্ধে উঠেছে খুনের পর লাশ গুমের চেষ্টার মতো ভয়াবহ অভিযোগ।
গা শিউরে ওঠা সেই অভিযোগ:
অন্ধবিশ্বাসের সুযোগ: নিহতের পরিবার জানায়, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে পীর সাহেবের বাড়িতে রান্না ও বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করতেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু পীরের বিভিন্ন অন্ধকার জগত আর কু-কর্মের কথা জেনে ফেলাই যেন তাঁর কাল হলো।
নৃশংস হত্যাকাণ্ড:
অভিযোগ উঠেছে, হত্যার পর মরদেহ বস্তায় ভরে অন্য এলাকায় ফেলে আসা হয়েছে যাতে অন্য কাউকে ফাঁসানো যায়। খুনিরা এতটাই বেপরোয়া যে নিহতের ভুঁড়ি পর্যন্ত বের করে ফেলার মতো বীভৎস কাজ করেছে।
টাকার দম্ভ ও হুমকি:
নিহতের স্ত্রীকে এখন ফোন করে টাকার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। খুনিরা মনে করছে টাকা থাকলে হয়তো সবার মুখ বন্ধ করা সম্ভব!
আমাদের প্রশ্ন ও দাবি:
ধর্মীয় লেবাস পরে যারা এমন জঘন্য কাজ করে, তারা শুধু খুনি নয়, তারা ঈমানের শত্রু। পীর পরিচয়ে অস্ত্র আর নারী নিয়ে অন্ধকার রাজত্ব চালানো এই খুনি শাহীন নূরীর সর্বোচ্চ শাস্তি ‘ফাঁসি’ দাবি করছে এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার।

















