বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম

রূপসায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ২:২৭ পিএম | 110 বার পড়া হয়েছে
রূপসায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত

খুলনার রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ৮ মার্চ বেলা ১১ টায় অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। রূপসা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, মেডিকেল অফিসার ডা. আলামিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএ আনোয়ার উল কুদ্দুস। বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মো. বোরহানউদ্দিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম তরফাদার, ইউআরসি ইনসট্রাক্টর এহতেশামুল হক, সহকারী পরিবার ও পরিকল্পনা সুমন মল্লিক, ব্রাক এরিয়া ম্যানেজার অসীম কুমার দাস।এ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী রিলিফ বাংলাদেশ রূপসা উপজেলা ইনচার্জ মো. জাকারিয়া, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন,রূপসা রিপোটার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফ,ম আয়ূব আলী, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম মুর্শিদ আলী, সাংবাদিক চিত্ত রঞ্জন সেন, উদ্যোক্তা মিতালী পাল,খালেদা বেগম, রিক্তা বেগম, রশিদা বেগম, নাসিমা বেগম, খাদেজা বেগম প্রমূখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে নারীর সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।বক্তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারীর অধিকার, সম্মান ও সমতার দাবি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন এবং বৈষম্য দূরীকরণে সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে উদ্যোক্তা মিতালি পালকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

মো সেলিম রানা

দেবিদ্বার পৌরসভার বাজেট নিয়ে প্রশ্ন, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি

মো সেলিম রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
দেবিদ্বার পৌরসভার বাজেট নিয়ে প্রশ্ন, আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভার সাম্প্রতিক বাজেট ঘোষণা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে দেবিদ্বার পৌরসভার বাজেট প্রায় ৫৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট প্রায় ৪৫ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি ধরা হয়েছে।
এত বড় অংকের বাজেট ঘোষণার পর থেকেই পৌর এলাকার সাধারণ নাগরিক, সচেতন মহল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বাজেটের আয়-ব্যয় ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবায় এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে—তা জনগণের সামনে স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সরকারি অর্থ মূলত জনগণের ট্যাক্স ও রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে আসে। ফলে এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি খাতের ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করা জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। তারা মনে করেন, বাজেট ঘোষণার পাশাপাশি প্রকল্পভিত্তিক বাস্তবায়ন, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহার এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করলে জনগণের আস্থা আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলার বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে, পৌরসভার দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের, বিশেষ করে হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে সকল খাতের আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ করার দাবি জানানো হচ্ছে। এতে করে পৌর এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণ স্পষ্ট ধারণা পাবে এবং ভবিষ্যতে পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজেটের তথ্য ও উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব উন্মুক্ত করলে শুধু বিতর্ক কমবে না, বরং জনগণের আস্থাও বাড়বে এবং প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
দেবিদ্বার উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌরসভার বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বিনামূল্যে (ভিজিএফ) চাল বিতরণ

সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ এএম
উখিয়ায় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বিনামূল্যে (ভিজিএফ) চাল বিতরণ

পবিত্র রমজান মাসে ঈদ উপহার হিসেবে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের (১২ মার্চ) সকাল ৯ টার সময় (ভিজিএফ) চাল বিতরণ উদ্বোধন করেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান এসময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান প্যানেল চেয়ারম্যান ছৈয়দ হামজা ও সদস্য সচিব মৃনাল বড়ুয়া।এবিষয়ে রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান জানান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার হতদরিদ্র মানুষের জন্য ঈদ উপলক্ষে উপহার স্বরুপ (ভিজিএফ) ১০ কেজি করে চাল প্রদান করেছেন হতদরিদ্র পরিবারের জন্য। এতে করে হতদরিদ্র পরিবার গুলো উপকৃত হয়েছেন বলে আমি মনে করি। আমার ইউনিয়নে ৭৭৫৪ হতদরিদ্র পরিবার এই চাল পাবেন।

উত্তরার হোটেলিয়ানদের মিলনমেলা: ইফতার ও ডিনারে আতিথেয়তা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

দিশা আক্তারঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
উত্তরার হোটেলিয়ানদের মিলনমেলা: ইফতার ও ডিনারে আতিথেয়তা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

রাজধানীর উত্তরা এলাকার বিভিন্ন হোটেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মীদের উদ্যোগে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা, ইফতার ও ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উত্তরার বিভিন্ন হোটেলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এতে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, পেশাগত সম্পর্ক জোরদার এবং আতিথেয়তা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হোটেল শিল্প শুধু খাবার পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের থাকা, বিশ্রাম, নিরাপত্তা ও সম্মানজনক আতিথেয়তার একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা। একজন অতিথি যখন একটি হোটেলে আসেন, তখন তিনি শুধু একটি কক্ষ বা খাবারই পান না, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা লাভ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, উত্তরা বর্তমানে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুত উন্নয়নশীল এলাকা। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক কার্যক্রমের কারণে এখানে প্রতিদিন দেশি-বিদেশি বহু মানুষের আগমন ঘটে। ফলে উত্তরা খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি সম্ভাবনাময় হসপিটালিটি হাব হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ রাখে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী হোটেল কর্মকর্তারা মনে করেন, মানসম্মত সেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, আরামদায়ক থাকার ব্যবস্থা এবং পেশাদার আতিথেয়তার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পকে আরও উন্নত করা সম্ভব। একই সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পেশাগত ঐক্যের মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মিলনমেলার মাধ্যমে উত্তরার হোটেল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

error: Content is protected !!