বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

বাঘার ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলার খোলা ডাকে ইজারা পেলেন শফিকুল ইসলাম শফি

MD. ABU SAYED
MD. ABU SAYED - UPAZILA CORRESPONDENT, BAGHA (RAJSHAHI) প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৭ পিএম | 66 বার পড়া হয়েছে
বাঘার ঐতিহ্যবাহী ঈদ মেলার খোলা ডাকে ইজারা পেলেন শফিকুল ইসলাম শফি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী বাঘা ঈদ মেলার খোলা ডাকে ইজারা পেলেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর দুই টায় বাঘা মাজার প্রাঙ্গণে চলতি বছরের জন্য মেলাটি ১২ লাখ ৭০ হাজার টাকায় উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে। খোলা ডাকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ডাক কারী ইজারা পেয়েছেন মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি। এটি তাঁর দ্বিতীয়বারের মতো এই ঐতিহ্যবাহী মেলার ইজারা লাভের করেন বলে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহনকারী বাঘা ঈদ মেলাটি অঞ্চলের সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর মেলাকে ঘীরে দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ এখানে সমবেত হন।
মেলা উপলক্ষে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যও জমে ওঠে। বিভিন্ন ধরনের পণ্যসামগ্রী, খেলনা, হস্তশিল্প, খাবার ও গ্রামীণ সংস্কৃতিনির্ভর নানা আয়োজন মেলায় স্থান পায়। ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এদিকে মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি পুনরায় মেলার ইজারা পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সুশীল সমাজের অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এবারের মেলাটি আরও সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও প্রাণবন্তভাবে আয়োজন করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই মেলাটি আগের মতোই এলাকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং দর্শনার্থীদের জন্য হয়ে উঠবে আনন্দঘন মিলনমেলা।

ঐতিহাসিক ঈদগাঁ মাঠসহ মাজার একালায় ঐতিহ্যের মেলা টির বৈধ ইজারাদার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি বলেন,আমাদের আনন্দের অনুভূতির মেলাটিতে কোন রকম অসামাজিক কার্যকলাপ  চলতে দিব না। রাজশাহী জেলার বৃহত্তর এই মেলাটি সুন্দর সামাজিক মেলা হবে।আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি ঈদের দিন হতে ২সপ্তাহের মেলাটি আরও আকর্ষণীয় করে পরিচালনার জন্য।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার বলেন, ঐতিহাসিক বাঘা ঈদ মেলার এবারের ইজারা পেয়েছেন শফিকুল ইসলাম শফি। ঈদের দিন থেকে টানা ১৪ দিন এই মেলা আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে মেলাটি সম্পন্ন হবে।

দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহ থেকে: প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ এএম
দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অফিসে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে—দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অফিসে দালাল ছাড়া সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি,নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিয়েও নিয়ম অনুযায়ী সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে; বরং দালালদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা দিলে খুব সহজেই সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এবং সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে,দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র অফিসটিকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে। অফিসের ভেতর-বাইরে প্রকাশ্যেই এসব দালালের তৎপরতা চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। দালাল ছাড়া আবেদন করলেই শুরু হয় হয়রানি! ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,কেউ যদি সরাসরি অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে চান,তাহলে নানা অজুহাতে তার আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়। কখনো কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি দেখানো হয়, আবার কখনো ড্রাইভিং পরীক্ষায় অযৌক্তিকভাবে ফেল দেখানো হয়। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই শেষ পর্যন্ত দালালদের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন।
একাধিক আবেদনকারীর অভিযোগ,লাইসেন্স পেতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও দালালদের মাধ্যমে কয়েক হাজার থেকে শুরু করে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। বিনিময়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা ছাড়াই কিংবা নিয়মের তোয়াক্কা না করেই লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অফিস কক্ষেই দালালদের অবাধ বিচরণ: সরেজমিনে দেখা গেছে, বিআরটিএ অফিস চত্বরে দালালদের অবাধ বিচরণ। এমনকি কিছু দালালকে সরাসরি অফিস কক্ষে ঢুকে কম্পিউটার অপারেটিং থেকে শুরু করে সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করতেও দেখা গেছে। তাদের আচরণ দেখে অনেক সময় সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না—তারা কোনো সরকারি কর্মকর্তা নন,বরং অফিস বহির্ভূত দালাল চক্রের সদস্য। স্থানীয়দের ভাষ্য,বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই “ওপেন সিক্রেট” হয়ে আছে। কিন্তু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিযোগের কেন্দ্রে মোটরযান পরিদর্শক! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই দালাল সিন্ডিকেটের নেতৃত্বের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসের মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর। অভিযোগ রয়েছে, তার কক্ষেই দালালদের নিয়মিত আনাগোনা এবং সরকারি নথিপত্রে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।
যদিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“দালালদের সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটির বিষয়টি দুঃখজনক। বিষয়টি রোধে আমার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।” তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি,এমন কোনো উদ্যোগ এখনো বাস্তবে দৃশ্যমান হয়নি। ফলে অভিযোগের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সহকারী পরিচালকের পদক্ষেপের আশ্বাস,বাস্তবে অগ্রগতি নেই! এদিকে সংশ্লিষ্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) আনিসুর রহমান যোগদানের পরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে,সেই আশ্বাসের পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দালালদের তৎপরতা আগের মতোই বহাল রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। চিহ্নিত কয়েক দালালের নাম: অনুসন্ধানে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন কথিত দালালের নামও উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মোফাজ্জল,হীরা,শান্ত,কামাল, খোকন,রিপন,ভুট্টো,শাহ কামাল,সেলিম ও তপন সহ আরও কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালাল ভুক্তভোগীদের “হয়রানিমুক্ত সেবা” দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আদায়কৃত টাকার একটি অংশ ‘অফিস খরচ’ নামে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট কমিটি (ডিসিটিসি)-এর সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন,“বিষয়টি আমাদের
নলেজে না থাকলেও–অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” দ্রুত তদন্তের দাবি: সচেতন মহল বলছে,দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তাদের মতে,বিআরটিএ অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের প্রভাব বন্ধ করা না গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

তেজগাঁওয়ে ৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার, মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

দিশা আক্তার ঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৫ এএম
তেজগাঁওয়ে ৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার, মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধারসহ একটি সংঘবদ্ধ মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক (২৫), মোঃ আবুল কালাম (৩৯), আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ (৩২) এবং মোঃ ফয়সাল আহম্মেদ (২৬)। তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগে রাখা অবস্থায় ৪৭টি মাথার খুলি এবং মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড় উদ্ধার করা হয়।
তেজগাঁও থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়া এলাকার ১ নম্বর গেটের সামনে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে কবরস্থান থেকে মানব কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। পরে গত ৯ মার্চ রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে সেখানে অভিযান চালিয়ে কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিককে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে মোঃ আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আরও দুটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন দুপুর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ‘Sapporo Dental College & Hospital’-এর হোস্টেলে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মোঃ ফয়সাল আহম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হোস্টেলের ৪০২ নম্বর কক্ষে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অবস্থায় ৪৪টি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানব কঙ্কাল চুরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে চড়া দামে বিক্রি করত।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ আবুল কালামের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২১টি এবং আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে ।

কাজিপুরে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক উজ্জ্বল বাংলাদেশ:- প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৩ এএম
কাজিপুরে জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র্যালি ও অগ্নিনির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার পরিষদ চত্বর থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অগ্নিনির্বাপন মহড়া প্রদর্শন করে। দিবসটি উদযাপনের উদ্বোধন করেন কাজিপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) নাঈমা জাহান সুমাইয়া ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আব্দুর রাজ্জাক, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ছাকমান আলী, শিক্ষা অফিসার নুরুল হুদা তালুদকার, মহিলা বিষয়ক অফিসার চিত্রা রানী সাহা, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মাসুদ পারভেজ, কাজিপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলী, সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল, বিআরডিবির সাবেক পরিচালক মিজানুর রহমান বাবলু, উপজেলা পরিষদ আদর্শ একাডেমির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

error: Content is protected !!