শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল: গোদাগাড়ী রাজশাহী

রাজশাহীতে চাঞ্চল্যকর বাহারুল হত্যা প্রধান আসামিসহ ৪ জন গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৩ পিএম | 79 বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে চাঞ্চল্যকর বাহারুল হত্যা প্রধান আসামিসহ ৪ জন গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

রাজশাহী রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়া থানার খোলাবোনা নিঝুমপল্লী এলাকায় চাঞ্চল্যকর বাহারুল ইসলাম (৫০) হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ চারজনকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত ১২টা ১০ মিনিটে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানাধীন পূর্ব চান্দুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন ১. মোঃ মিলন ওরফে মিলু (৫২) – (মামলার ১ নং আসামি)২. মোঃ সুমন (১৯) – (মামলার ২ নং আসামি)
৩. মোঃ কাওছার হোসেন (২৫) – (মামলার ৩ নং আসামি)
৪. মিল্টন (৩০) – (মামলার ৫ নং আসামি)

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে পূর্ব শত্রুতার জেরে তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে আসামিরা বাহারুল ইসলামের নিজ বাড়িতে ঢুকে হাসুয়া দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ (সিপিএসসি) এবং র‍্যাব-১ (সিপিএসসি)-এর একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুরে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব আরও জানায় যে, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় তাদের এ ধরনের আপসহীন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

দোয়ারাবাজারে ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৯ পিএম
দোয়ারাবাজারে ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১

র‍্যাব-৯ সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল দোয়ারাবাজারে অভিযান চালিয়ে ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া বাজারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৭২ বোতল বিদেশি মদসহ মো. জীবন মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার মৌলারপাড় গ্রামের মৃত অহেদ আলীর ছেলে।

র‍্যাব জানায়, বাংলাবাজার ইউনিয়নের মৌলারপাড় এলাকায় নিজের বাড়ির পুকুরপাড়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ভারতীয় মদগুলো নিয়ে আসেন জীবন মিয়া। আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ৭২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব মদ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।

শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও জব্দকৃত আলামত দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্ণ ও টাকা ‍লুট

চট্টগ্রামের রাউজানে প্রবাসী পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

রাউজান প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৪ পিএম
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রবাসী পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

চট্টগ্রামের রাউজানে একটি প্রবাসী পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সশস্ত্র ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৫১ ভরির অধিক স্বর্ণালংকার এবং ৪টি মোবাইল সেট লুট করে নিয়ে গেছে ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ১১ নম্বর পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের গোরাছা ফকির পাড়ার বৃদ্ধ হাজী জহির আহমদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের হামলায় হাজী জহির আহমদ, তার স্ত্রী শামসুন নাহার, পুত্রবধূ রিনা আকতার এবং নাতি কলেজ ছাত্র রাতুল গুরুতর আহত হয়েছেন।
গৃহকর্তা হাজী জহির আহমদ বলেন, রাত ২টার দিকে ৬-৭ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ঘরে ঢুকে তাকে কম্বল পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে। তার স্ত্রী শামসুন নাহারের মুখে টিস্যু গুঁজে দিয়ে এবং মাথায় ও পিঠে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়।
দ্বিতীয় তলায় থাকা পুত্রবধূ রিনা আকতার বলেন, ডাকাতরা তার পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয় এবং পরে স্প্রে করে তাকে ও তার সন্তানদের অজ্ঞান করে ফেলে।
আহতরা স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ডাকাতরা প্রায় ৩০-৪০ মিনিট ঘরে অবস্থান করে তাণ্ডব চালায়। যাওয়ার সময় প্রতিবেশীরা ধাওয়া দিলে ডাকাতরা পার্শ্ববর্তী বিল দিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পরদিন শুক্রবার সকালে পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মো. আকতার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তোশিবা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগে ব্যর্থতা

খুমেক হাসপাতালে দুই বছর ধরে বিকল ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন

মোঃ মামুন মোল্লা খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪১ পিএম
খুমেক হাসপাতালে দুই বছর ধরে বিকল ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ প্রায় দুই বছর ধরে ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন (Model: Aquilion Prime, SN: 24CI843514, Brand: Toshiba, Origin: Japan) বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত তা মেরামত না হওয়ায় রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিষয়টি অবহিত করার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রথমে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট মেশিনটি মেরামতের তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত সময়েও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুনরায় যোগাযোগ করলে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সময়েও মেশিনটি সচল করা হয়নি।
মেশিন মেরামতের বিষয়ে তোশিবা হেড অফিস কোম্পানির ম্যানেজার মো. আওয়াল সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দৈনিক খুলনা সমাচারের প্রতিনিধি একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর (০১৮১৯২৬২০৯৪) এ কল করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এস এম আলতাপ হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও বারবার আশ্বাস ছাড়া বাস্তব কোনো অগ্রগতি নেই। এতে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলাম বলেন, “মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর আমি নিজে ঢাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরেজমিনে কথা বলে এসেছি। তারপরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কার্যকর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দ্রুত মেশিনটি মেরামত করা গেলে আমরা গরিব ও অসহায় রোগীদের সেবা দিতে পারবো।”
চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খুলনা অঞ্চলের হাজারো রোগীকে ব্যয়বহুল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত মেশিনটি সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

error: Content is protected !!