শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

উখিয়া উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছে সরওয়ার জাহান চৌধুরী

SIRAJUL KABIR BULBUL
SIRAJUL KABIR BULBUL - UKHIYA (COX’SBAZAR) CORRESPONDENT, COX’SBAZAR প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম | 63 বার পড়া হয়েছে
উখিয়া উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছে সরওয়ার জাহান চৌধুরী

জাতীয় নির্বাচন শেষ হতে না হতে চারিদিকে গুঞ্জন শুরু হয়েগেছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা। চায়ের টেবিলে গ্রামে মহল্লায় চলছে শুধু ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের আড্ডা সোসাল মিডিয়া ওপেন করলে এখন শুধু নতুন নতুন প্রার্থীর প্রার্থীত্ব ঘোষণা দেখা যায় ফেইসবুক স্ট্যাটাসে।

সে ধারা থেকে বাদপড়েনি উখিয়া উপজেলার অতিউৎসাহী জনতা। এই বারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উখিয়ায় আলোচনা শীর্ষ আছেন উখিয়া উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, উখিয়া উপজেলা বি এন পি দুঃসময়ের কান্ডারী উখিয়া উপজেলা বিএনপির একাধিক বারের নির্বাচিত সভাপতি রাজপথের অগ্রসেনানী সরওয়ার জাহান চৌধুরী।উল্লেখ্য যে তিনি উখিয়া টেকনাফের গণমানুষের নেতা পাঁচবারে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও হুইপ শাহজাহান চৌধুরী আদরের ছোট ভাই। তিনি একবার বিপুল ভোটে উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েও বিগত স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার ষড়যন্ত্রের কারনে তিন মাসের বেশিদিন টিকতে পারেননি। গতসতেরো বছরে ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকার কতৃক দায়েরকৃত পঞ্চাশটির বেশি মিথ্যা মামলা তাকে জড়িয়ে নাস্তানাবুদ করার করার পায়তারা করেন হাসিনা সরকার।

সরওয়ার জাহান চৌধুরী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস উখিয়া উপজেলার আহবায়ক জুলফিকার ভূট্টোর জানান সরওয়ার জাহান চৌধুরী একজন উচ্চশিক্ষিত জননেতা। সাধারণ মানুষের প্রতি তার অসাধারণ ভালবাসা রয়েছে। তিনিই হবেন ইনশাআল্লাহ উখিয়া উপজেলার আগামী দিনের নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরাম কক্সবাজার জেলা সভাপতি রাজীব বড়ুয়া রাজু জানান উখিয়া টেকনাফে শাহজাহান চৌধুরীর মতো নেতার যেমন বিকল্প নেই ঠিক তেমনই সরওয়ার জাহান চৌধুরীর মতো যোগ্য নেতা উখিয়া উপজেলায় নেই। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেতা বিএনপির জাতীয় স্থানীয় যে কোন কর্মসূচিতে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে আমরা তাকে দেখেছি। একমাত্র তিনি হতে পারেন উখিয়া উপজেলা বাসীর স্বপ্নের উপজেলা চেয়ারম্যান।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

দোয়ারাবাজারে ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৯ পিএম
দোয়ারাবাজারে ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার ১

র‍্যাব-৯ সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল দোয়ারাবাজারে অভিযান চালিয়ে ৭২ বোতল ভারতীয় মদসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া বাজারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৭২ বোতল বিদেশি মদসহ মো. জীবন মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার মৌলারপাড় গ্রামের মৃত অহেদ আলীর ছেলে।

র‍্যাব জানায়, বাংলাবাজার ইউনিয়নের মৌলারপাড় এলাকায় নিজের বাড়ির পুকুরপাড়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ভারতীয় মদগুলো নিয়ে আসেন জীবন মিয়া। আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ৭২ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব মদ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।

শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও জব্দকৃত আলামত দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‍্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্ণ ও টাকা ‍লুট

চট্টগ্রামের রাউজানে প্রবাসী পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

রাউজান প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৪ পিএম
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রবাসী পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

চট্টগ্রামের রাউজানে একটি প্রবাসী পরিবারে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সশস্ত্র ডাকাত দল অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৫১ ভরির অধিক স্বর্ণালংকার এবং ৪টি মোবাইল সেট লুট করে নিয়ে গেছে ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার ১১ নম্বর পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের গোরাছা ফকির পাড়ার বৃদ্ধ হাজী জহির আহমদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের হামলায় হাজী জহির আহমদ, তার স্ত্রী শামসুন নাহার, পুত্রবধূ রিনা আকতার এবং নাতি কলেজ ছাত্র রাতুল গুরুতর আহত হয়েছেন।
গৃহকর্তা হাজী জহির আহমদ বলেন, রাত ২টার দিকে ৬-৭ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ঘরে ঢুকে তাকে কম্বল পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে। তার স্ত্রী শামসুন নাহারের মুখে টিস্যু গুঁজে দিয়ে এবং মাথায় ও পিঠে আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়।
দ্বিতীয় তলায় থাকা পুত্রবধূ রিনা আকতার বলেন, ডাকাতরা তার পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয় এবং পরে স্প্রে করে তাকে ও তার সন্তানদের অজ্ঞান করে ফেলে।
আহতরা স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ডাকাতরা প্রায় ৩০-৪০ মিনিট ঘরে অবস্থান করে তাণ্ডব চালায়। যাওয়ার সময় প্রতিবেশীরা ধাওয়া দিলে ডাকাতরা পার্শ্ববর্তী বিল দিয়ে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পরদিন শুক্রবার সকালে পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মো. আকতার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তোশিবা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগে ব্যর্থতা

খুমেক হাসপাতালে দুই বছর ধরে বিকল ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন

মোঃ মামুন মোল্লা খুলনা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪১ পিএম
খুমেক হাসপাতালে দুই বছর ধরে বিকল ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ প্রায় দুই বছর ধরে ১৬০ স্লাইস সিটি স্ক্যান মেশিন (Model: Aquilion Prime, SN: 24CI843514, Brand: Toshiba, Origin: Japan) বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ২ আগস্ট মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত তা মেরামত না হওয়ায় রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিষয়টি অবহিত করার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রথমে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট মেশিনটি মেরামতের তারিখ নির্ধারণ করে। নির্ধারিত সময়েও কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুনরায় যোগাযোগ করলে ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই সময়েও মেশিনটি সচল করা হয়নি।
মেশিন মেরামতের বিষয়ে তোশিবা হেড অফিস কোম্পানির ম্যানেজার মো. আওয়াল সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দৈনিক খুলনা সমাচারের প্রতিনিধি একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর (০১৮১৯২৬২০৯৪) এ কল করেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এস এম আলতাপ হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও বারবার আশ্বাস ছাড়া বাস্তব কোনো অগ্রগতি নেই। এতে সাধারণ ও দরিদ্র রোগীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী মো. আইনুল ইসলাম বলেন, “মেশিনটি নষ্ট হওয়ার পর আমি নিজে ঢাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সরেজমিনে কথা বলে এসেছি। তারপরও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কার্যকর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দ্রুত মেশিনটি মেরামত করা গেলে আমরা গরিব ও অসহায় রোগীদের সেবা দিতে পারবো।”
চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে খুলনা অঞ্চলের হাজারো রোগীকে ব্যয়বহুল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত মেশিনটি সচল করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

error: Content is protected !!