মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২

বিসিবির দিকে সবার কৌতূহলী নজর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০২ পিএম | 13 বার পড়া হয়েছে
বিসিবির দিকে সবার কৌতূহলী নজর

‘আমি তো পালিয়ে গেলাম!’—কথাটা বলেই বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের অট্টহাসি। গতকাল বিকেলে যখন ফোনে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে কথা হয়, তখন তিনি ব্যাংককে, অস্ট্রেলিয়ার যাওয়ার পথে ট্রানজিটে ছিলেন। বিসিবি সভাপতির পরিবার থাকে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে। গত ৮ মাসে বিসিবি সভাপতি হওয়ার পর নিয়মিত ঢাকা-মেলবোর্ন করেছেন বুলবুল। তবু তাঁর পরিবারের কাছে যাওয়া যেন অনেকের কাছে ‘চাঞ্চল্যকর’ এক খবর! সে কারণে কিছুদিন আগে একাধিকবার তাঁর অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের কাছে যাওয়ার বিষয়টি ছড়িয়েছে।

পরিবারের কাছে যাওয়ার বিষয়ে গতকাল আজকের পত্রিকাকে বুলবুল বললেন, ‘বিসিবি সভাপতিকে তো প্রতিদিন অফিসে আসতে হয় না। কারও কাছে ছুটিও নিতে হয় না। সেখানে গত দুই মাস টানা প্রতিদিন অফিস করেছি। আর আমি আমার পরিবারের কাছে যেতেই পারি। (পরিচালকদের) সবার কাছে বলে এসেছি।’

গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পর টানা দুই মাস কাজ করেছেন বুলবুল। এই সময়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ—অল্প সময়ে দুটি ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছেন। তবে তাঁর বেশি ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়েছে জাতীয় দল নিয়ে। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা না-খেলা নিয়ে বিনিদ্র রাত কেটেছে প্রায় দেড় মাস। সরকারের সিদ্ধান্তে দল পাঠাতে পারেননি বিশ্বকাপে। তবে সেটির খেসারত দিয়ে যেন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি কিংবা অন্য কোনো শাস্তি না পেতে হয়, সে লক্ষ্যে আইসিসি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে একাধিক সভা করেছেন।

গত অক্টোবরে বিসিবির নির্বাচনের পর থেকে শোনা গেছে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ছিল তখনকার ক্রীড়া উপদেষ্টা এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদের সমর্থিত। যদিও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল কদিন আগে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘একটা নির্বাচিত ক্রিকেট বোর্ড, যারা চার বছরের জন্য ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছে। (জাতীয়) নির্বাচনের সঙ্গে এটার তো কোনো সম্পর্ক দেখি না। আর সরকারি হস্তক্ষেপ কখনোই হয় না বাংলাদেশ ক্রিকেটে, হবেও না। আইসিসির যে রেগুলেশনস আছে, সেটির মধ্যেই আমাদের থাকা উচিত।’

বুলবুলের কথায় পরিষ্কার, নতুন সরকার নির্বাচিত বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে চাইলে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। যেমনটা দেখা গিয়েছিল ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) ক্ষেত্রে। কিন্তু বিসিবিতে সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো বিষয় যদি আইসিসিতে যায়, ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে কতটা সমর্থন পাবেন বুলবুল ও তাঁর বোর্ড? আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহর সমর্থন কি থাকবে বুলবুলের বোর্ডের দিকে? কদিন আগে সরকারি সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশ দলকে ভারতে না পাঠানোর ঘটনায় জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসির বিরাগভাজনই হয়ে পড়েছিলেন বুলবুল। তবে বিসিবির একাধিক পরিচালকের সঙ্গে গত কয়েক দিনে কথা বলে যা বোঝা গেছে, সর্বশেষ লাহোর সফরে ভালোভাবেই জয় শাহর আইসিসির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের কাজটি সেরে রেখেছেন বুলবুল। বর্তমান মেয়াদ শেষে জয় শাহকে পুনরায় আইসিসির চেয়ারম্যান হতে হলে বাংলাদেশের ভোটটি খুব দরকার হবে। জয় শাহ যদি বুলবুলের কাছ থেকে ভোটটা নিশ্চিত করতে চান, তাহলে বিসিবি সভাপতির ভবিষ্যতের সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি এসে যাবে।

শেষ পর্যন্ত ‘খেলাটা কোন লেভেলে’ যাবে, সেটির একটি পূর্বাভাস মিলবে আজকের মন্ত্রিসভা দেখে। ক্রীড়ামন্ত্রী কে হচ্ছেন, সেটির ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। বর্তমান বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের অধিকাংশ সদস্যের বিশ্বাস, বিএনপি সরকার এসেই বোর্ড ভাঙার মতো ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চাইবে না। আপাতত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কোটায় দুজন পরিচালক সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে তাদের সর্বোচ্চ পদক্ষেপ।

সব মিলিয়ে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সবার কৌতূহলী নজর বিসিবির দিকে।

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।