সদর ও কচুয়া জুড়ে দাঁড়িপাল্লা মার্কার গণজোয়ার
বাগেরহাট-২ আসনে বিজয়ের দারপ্রান্তে শেখ মনজুরুল হক রাহাদ
বাগেরহাট-২ সংসদীয় আসন (সদর ও কচুয়া) জুড়ে নির্বাচনী হাওয়া এখন একেবারেই একমুখী। সাধারণ ভোটারদের মুখে মুখে এখন একটাই নাম—শেখ মনজুরুল হক রাহাদ। পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই দাঁড়িপাল্লা মার্কার পক্ষে জোরালো আলোচনা ও জনসমর্থনের ঝড় বইছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ জনগণের দৃঢ় বিশ্বাস—শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। ভোটাররা বলছেন, “এইবার আমরা একজন সৎ, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকেই সংসদে পাঠাতে চাই।”
শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে বহু ত্যাগ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকলেও আদর্শ থেকে একচুলও সরে যাননি—এটাই তাকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে।

তার ব্যক্তিত্ব নিয়েও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক ধারণা রয়েছে। নম্র, ভদ্র ও সহজ-সরল আচরণ, আর সেই নিষ্পাপ হাসি—অনেক ভোটারের মতে, “এই হাসির আড়ালে লুকিয়ে আছে একজন দৃঢ়চেতা ও সাহসী নেতা।”
নির্বাচনী হিসাব অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি। মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র ও জনমতের ভিত্তিতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, শেখ মনজুরুল হক রাহাদ ২ লাখের বেশি ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করতে পারেন।
সদর ও কচুয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে তার নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা ইতোমধ্যে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সব মিলিয়ে বাগেরহাট-২ আসনে এবারের নির্বাচন যে শেখ মনজুরুল হক রাহাদের দিকেই ঝুঁকে আছে—সে বিষয়ে সাধারণ জনগণ এখন বেশ আত্মবিশ্বাসী।














