সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা

সোনাগাজীতে আবদুল আউয়াল মিন্টু: রাজনীতিবিদরা সবাই চোর, এই ধারণা ভাঙতেই রাজনীতিতে এসেছি

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৩ পিএম | 173 বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজীতে আবদুল আউয়াল মিন্টু: রাজনীতিবিদরা সবাই চোর, এই ধারণা ভাঙতেই রাজনীতিতে এসেছি

“রাজনীতিবিদরা সবাই চোর”—সমাজে প্রচলিত এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ (দাগনভুঁইয়া–সোনাগাজী) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, তিনি রাজনীতি করেন মানুষের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য, ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আটটায় ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “আমি ১৯৮০ সাল থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই সংসদ সদস্য হতে চাই। ব্যবসায় আমি কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য। ব্যবসা শুধু মুনাফার জায়গা নয়, এটি মানুষের সেবারও একটি মাধ্যম।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সমাজে আজ রাজনীতিবিদ মানেই চোর, ব্যবসায়ী মানেই মুনাফাখোর আর কৃষক মানেই অপরাধী—এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে। অথচ কৃষকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলান মানুষের খাদ্যের জন্য।
নিজের স্বচ্ছতা তুলে ধরে মিন্টু বলেন, “আমি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছি, সময়মতো পরিশোধ করেছি। কখনও এক টাকাও ঋণ মওকুফ চাইনি। আমাকে কেউ ঋণখেলাপি বা ব্যাংক থেকে ঋণ মাফ নেওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি ‘এপস্টেইন’ ইস্যুতে তার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেখানে যাওয়ার মতো সামর্থ্যই আমার নেই। সেখানে বিশ্বের বড় বড় ধনীদের নাম এসেছে। অথচ এসব গুজব ছড়িয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সোনাগাজীতে গ্যাস সংযোগ, উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ, লালপুলে আন্ডারপাস, অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নসহ জনগণের কাছ থেকে পাওয়া সব সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তি-শৃঙ্খলার বিষয়েও পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “ব্যবসার প্রসার ঘটাতে হলে আগে পরিবেশ ঠিক করতে হবে। দেশের সামগ্রিক পরিবেশ ভালো থাকলে বিনিয়োগ বাড়বে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করে মিন্টু বলেন, “সংসদে আমি স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য কথা বলবো। কর্পোরেট হাউজ মালিকদের নামে গণমাধ্যমের নিবন্ধনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেব।”
এছাড়াও তিনি জানান, জনগণের চাওয়া-পাওয়া ও সমস্যা সরাসরি জানার জন্য দাগনভুঁইয়া ও সোনাগাজীতে দুটি আলাদা অফিস খোলা হবে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুই উপজেলায় কোনো বৈষম্য করা হবে না।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শাহানা আক্তার শানু, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা, প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক সলিম উল্যাহ মেজবাহসহ সোনাগাজীতে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান মানবাধিকার সংগঠনের

ফেনীতে সাংবাদিকের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলার অভিযোগ

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৫ এএম
ফেনীতে সাংবাদিকের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলার অভিযোগ

ফেনীতে এক সাংবাদিকের ওপর কিশোর গ্যাং সদস্যদের হামলার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী আশরাফুল ইসলাম স্থানীয় দৈনিক সময়ের পত্রিকা–এর ফেনী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশরাফুল ইসলাম ট্রাংক রোড থেকে রাজাজির দীঘির পাড় হয়ে নিজ গন্তব্যে যাওয়ার পথে শামীম নামের এক ব্যক্তি হঠাৎ করে তার ওপর হামলা চালায়।

এ সময় তিনি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলেও অভিযুক্ত শামীম তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার সময় হামলাকারীর সঙ্গে আরও চারজন কিশোর গ্যাং সদস্য উপস্থিত ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

তারা সম্মিলিতভাবে আশরাফুল ইসলামকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

হামলার পরপরই রাজাজির দীঘির পাড় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ হানিফ এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মাষ্টার আবুল কাশেম এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তারা অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

তারা বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”

এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকেও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ললিতপুরের আনফা কমপ্লেক্সে স্বাগতিকদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামা বাংলাদেশ এবার নেপালকে পেল সেমিফাইনালেই। এবারও ফাইনালে উঠতে আত্মবিশ্বাসী মার্ক কক্সের শিষ্যরা।

গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ। অপরাজিত হয়ে সেমিতে উঠলেও মার্ক কক্সের শিষ্যরা ভারতের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছেন। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বাংলাদেশ। অপর গ্রুপ (‘এ’ গ্রুপ) থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নেপাল সেমিতে উঠেছে। সেমিফাইনাল সামনে রেখে বাংলাদেশ দল প্রস্তুতি নিচ্ছে জোরকদমে। আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এক ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমার বিশ্বাস খেলোয়াড়রা সেরাটা দিয়ে সেমিফাইনালে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠব।’

বাংলাদেশ-নেপাল সেমিফাইনাল হবে ১ এপ্রিল মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে। নকআউট পর্বের ম্যাচ সামনে রেখে আজ রিকভারি সেশন করেছে দল। মূলত নেপাল ম্যাচ সামনে রেখে ফুটবলারদের উজ্জীবিত রাখতেই এমন কিছু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিপ্লব। বাফুফের ভিডিও বার্তায় গোলরক্ষক বলেন, ‘গত দুটি ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে অনেক বড় ম্যাচ খেলেছি। ফুটবলারদের ওপর ধকল গেছে। এখন আমরা রিকভারি ট্রেনিং করছি সুইমিংপুলে এসে। স্ট্রেসিং ছিল। সামনে সেমিফাইনালের মতো অনেক বড় একটা ম্যাচ। দলকে ভালো একটা অবস্থায় আনার চেষ্টা করছি। খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করতে প্রত্যেক মুহূর্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

নেপাল ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠেছে সেমিফাইনালে। ভুটান-শ্রীলঙ্কাকে হারানো নেপাল ড্র করেছে মালদ্বীপের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত নেপাল দিয়েছে চার গোল এবং দুই গোল হজম করেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলেও ফাইনালে ওঠার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফুটবলার ডেকলান সুলিভান। বাফুফের ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘দলের সঙ্গে রিকভারি সেশন মাত্র শেষ হলো। সেশনটা ভালো ছিল। আমরা এখানেই থামব না। পরের ম্যাচে আমাদের জিততেই হবে।’

অনূর্ধ্ব-২০ সাফ শুরুর আগেই আলোচনায় ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দুই যমজ রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান। রোনান পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। ডেকলান দুই ম্যাচের একটিতেও খেলার সুযোগ পাননি। ১ এপ্রিল আরেক সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-ভুটান। ভারত-বাংলাদেশ দুই দলের পয়েন্ট চার। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ভারত। গতকাল ১-১ গোলে ড্র হওয়া বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচে দেখা গেছে জোড়া লাল কার্ড।

 

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা

ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

‎মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা, গাইবান্ধা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম
ফুলছড়িতে বিএনপি নেতার বাড়িতে তাণ্ডব

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে জাসাস নেতার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় রীতিমতো ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

‎গত ১৯ মার্চ বিকেলে ফুলছড়ি ইউনিয়নে জাসাসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেনের বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

স্থানীয়দের দাবি, একাধিক হত্যা ও ডাকাতি মামলার আসামি মোহাম্মদ আলী ও তার সশস্ত্র বাহিনী এ হামলার নেতৃত্ব দেয়।

‎ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বাধা ও ছাত্র হত্যা দায়ে ঢাকা উত্তরা থানার মামলার আসামি শুকুর আলী ফিরোজের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই নৃশংস হামলা সংঘটিত হয়েছে। বাড়িতে পুরুষ সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে হামলার ছক কষা হলেও ঘটনাস্থলে লোকজন থাকায় আগুন দিতে ব্যর্থ হয়ে হামলাকারীরা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।

‎এ সময় ফরহাদ হোসেনের বাবা জামাল বাদশাসহ অন্তত ১৩ জনকে লাঠি, রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। গুরুতর আহতদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন—কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

‎আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার। যেকোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কায় তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

‎ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা বলছেন, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নইলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

‎ফুলছড়ি থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন ৫১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

error: Content is protected !!