প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

গণভোট প্রতীক না থাকায় নিরক্ষর ব্যক্তিগণ ভোট প্রদানে অস্বীকৃতি

মো. আরফান আলী, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬, ১২ ফেব্রুয়ারী সর্বকালের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অন্তবর্তীকালীন সরকারও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। জনগণের ভোটের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নোতুন আইন প্রণয়ন ও পূরাতন আইন সংস্কার বা সংস্করণ করা হয়। সেই সাথে রাষ্ট্রের অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়।
প্রতীক হলো নামের সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতীক মাধ্যমে একটি দলের বা স্বতন্ত্র ব্যক্তিরগণের জনগণ ভোট প্রদান করে থাকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ এক সাথে হওয়ায় নিরক্ষর ব্যক্তি খুবই বিপাকে। তারা বুঝে উঠতে পারছে না। গণভোট কোন প্রতীক কে ভোট প্রদান করবে। গণভোট হ্যাঁ/না ব্যবস্থা থাকলেও কোন প্রতীক থাকছে না। তাই এই গণভোটে নিরক্ষর ব্যক্তি ভোট দিতে সক্ষম নয়। দুটি ব্যালট পেপার একজন ভোটারের মাঝে ফেরৎ যোগ্য সরবরাহ করা হবে। একটিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন জন্য প্রতীক বরাদ্দ আছে। গণভোটের জন্য কোন প্রতীক বরাদ্দ নাই। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সমানুপাতিক হারে ভোট কাষ্ট হবার কথা থাকলেও তা গণভোট প্রাপ্ত ফল কম দেখাবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বাংলাদেশ নাগরিক বিদেশে অবস্থানকারী ও সরকারী চাকরী জীবি পোস্টটাল ব্যলট পেপার ভোট প্রদান করে সক্ষম হয়েছে।
সরকারের উচিৎ গণভোট জন্য রাষ্ট্রীয় জাতীয় প্রতীক ব্যলট পেপার সংযোজন করা। বাংলাদেশে প্রথম ৩০ মে ১৯৭৭ সালে গণভোট প্রথা চালু করা হয়েছিল। ২০২৬ সালে চতূর্থ গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সুইজারল্যান্ড প্রথম গণভোট আত্মপ্রকাশ পায়।

প্রতিষ্ঠাতা, ক্যাপশন নিউজ এবং ভিডিও এডিটরঃ মো: রাজিবুল করিম রোমিও, এম, এস, এস (সমাজ কর্ম-রাজশাহী), প্রধান উপদেষ্টাঃ মো: সাদেকুল ইসলাম (কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংগঠক), উপদেষ্টাঃ মো: মাহিদুল হাসান সরকার, প্রকাশকঃ কামরুন নেছা তানিয়া, সম্পাদকঃ মো: আ: হান্নান মিলন, সহকারী সম্পাদকঃ রুবিনা শেখ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মো: আব্দুল আজিজ, বার্তা সম্পাদকঃ মো: মিজানুর সরকার

প্রিন্ট করুন