বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা

সোনাগাজীতে আবদুল আউয়াল মিন্টু: রাজনীতিবিদরা সবাই চোর, এই ধারণা ভাঙতেই রাজনীতিতে এসেছি

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৩ পিএম | 161 বার পড়া হয়েছে
সোনাগাজীতে আবদুল আউয়াল মিন্টু: রাজনীতিবিদরা সবাই চোর, এই ধারণা ভাঙতেই রাজনীতিতে এসেছি

“রাজনীতিবিদরা সবাই চোর”—সমাজে প্রচলিত এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ (দাগনভুঁইয়া–সোনাগাজী) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, তিনি রাজনীতি করেন মানুষের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য, ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত আটটায় ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “আমি ১৯৮০ সাল থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই সংসদ সদস্য হতে চাই। ব্যবসায় আমি কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য। ব্যবসা শুধু মুনাফার জায়গা নয়, এটি মানুষের সেবারও একটি মাধ্যম।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সমাজে আজ রাজনীতিবিদ মানেই চোর, ব্যবসায়ী মানেই মুনাফাখোর আর কৃষক মানেই অপরাধী—এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে। অথচ কৃষকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল ফলান মানুষের খাদ্যের জন্য।
নিজের স্বচ্ছতা তুলে ধরে মিন্টু বলেন, “আমি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছি, সময়মতো পরিশোধ করেছি। কখনও এক টাকাও ঋণ মওকুফ চাইনি। আমাকে কেউ ঋণখেলাপি বা ব্যাংক থেকে ঋণ মাফ নেওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে। এমনকি ‘এপস্টেইন’ ইস্যুতে তার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সেখানে যাওয়ার মতো সামর্থ্যই আমার নেই। সেখানে বিশ্বের বড় বড় ধনীদের নাম এসেছে। অথচ এসব গুজব ছড়িয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সোনাগাজীতে গ্যাস সংযোগ, উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ, লালপুলে আন্ডারপাস, অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রাস্তা-ঘাট উন্নয়নসহ জনগণের কাছ থেকে পাওয়া সব সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তি-শৃঙ্খলার বিষয়েও পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “ব্যবসার প্রসার ঘটাতে হলে আগে পরিবেশ ঠিক করতে হবে। দেশের সামগ্রিক পরিবেশ ভালো থাকলে বিনিয়োগ বাড়বে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করে মিন্টু বলেন, “সংসদে আমি স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য কথা বলবো। কর্পোরেট হাউজ মালিকদের নামে গণমাধ্যমের নিবন্ধনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেব।”
এছাড়াও তিনি জানান, জনগণের চাওয়া-পাওয়া ও সমস্যা সরাসরি জানার জন্য দাগনভুঁইয়া ও সোনাগাজীতে দুটি আলাদা অফিস খোলা হবে এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুই উপজেলায় কোনো বৈষম্য করা হবে না।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট শাহানা আক্তার শানু, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা, প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক সলিম উল্যাহ মেজবাহসহ সোনাগাজীতে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

বিক্রি করিনি ভোটাধিকার

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
বিক্রি করিনি ভোটাধিকার

বিক্রি এখনো করিনি আমার
অধিকারের ভোট ,
চোখ রাঙাতে দেবোনা কাউকে
লাড়তে দেবো না ঠোঁট ।

সবাই জানে মানুষের দাম
নির্বাচনের বাজারে ,
পাঁচশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে
কেউ বা আবার হাজারে ।

আমার ভোট আমি দেবো
যাচাই-বাছাইয়ের পরে ,
সুখ শান্তি আসে যেন ফিরে
বাংলার মানুষের ঘরে ।

মুখের জবান ঠিক রাখলে
ভোট পাবে যোগ্য প্রার্থী ,
গাদ্দারি যদি করতে চাও তবে
ভোটে পড়বে ঘাটতি ।

অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবো
দলের দোহাই বাদ ,
বাংলার জনগণ ফিরে পাবে
নির্বাচনে আসল স্বাদ ।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান

সাতক্ষীরায় মাঠে সক্রিয় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍্যাব

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম
সাতক্ষীরায় মাঠে সক্রিয় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍্যাব

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলায় মোট ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। সকাল থেকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিতরণ কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপার, সিল, ভোটার তালিকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের কঠোর পাহারায় এসব সরঞ্জাম নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দিচ্ছেন। পুরো প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন আরও জানায়, জেলার ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৭৯টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত বলেন, নির্বাচনী সরঞ্জামাদি সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্যরা সার্বক্ষণিক মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি আরও জানান, ভোটের দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।

মোঃ ওমর ফারুক (সানি), স্টাফ রিপোর্টার

পাবনা জেলা ডিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার-৩

মোঃ ওমর ফারুক (সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম
পাবনা জেলা ডিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার-৩

জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পাবনার বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ম্যাগাজিন, কার্তুজ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধারসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি।

জেলা গোয়েন্দা শাখা, পাবনার সাধারণ ডায়েরি নং–৭৩, (তারিখ: ১০/০২/২০২৬ খ্রি.) এর আলোকে পুলিশ সুপার জনাব আনোয়ার জাহিদ এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রেজিনুর রহমান (ক্রাইম এন্ড অপস) এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে এবং পুলিশ পরিদর্শক মোঃ রাশিদুল ইসলাম, ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, পাবনার নেতৃত্বে এস আই অসিত কুমার বসাক, এসআই বেনু রায় পিপিএম, এস আই আব্দুল লতিফ, এসআই জাকারিয়া, এসআই বুরজাহান, এস আই মহিদুল ইসলাম ও এস আই সেলিম রেজার সমন্বয়ে পাবনা জেলা ডিবির একটি চৌকস দল ঈশ্বরদী থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ঈশ্বরদী থানাধীন পাকশী মেরিন পাড়া এলাকায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আওতাধীন ওয়াসা প্রজেক্টের গেস্ট হাউজ সংলগ্ন টিনের তৈরি স্টোর রুমের ভিতর এবং বাহিরে থকে গ্রেফতারকৃত মোঃ শাহিন (২০), পিতা মোঃ কামাল, সাং চিংড়াখালী, থানা কাঠালিয়া, জেলা ঝালকাঠী (বর্তমানে পাকশী, ঈশ্বরদী) থেকে নিম্নলিখিত আলামত উদ্ধার করা হয়—
আলামতের বর্ননা:

১। একটি বিদেশি তৈরি সচল সেমি-অটোমেটিক সেলফ লোডেড রাইফেল (এসএলআর)সহ লোডেড ম্যাগাজিন ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ

২। একটি বিদেশি .২২ বোর রাইফেলসহ ম্যাগাজিন ও তাজা কার্তুজ

৩। একটি কাঠের বাটযুক্ত একনলা বন্দুক
৪। একটি মোবাইল ফোন
৫। একটি কালো ব্যাগ

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামি শাহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সহযোগী আসামি মোঃ হযরত প্রামানিক (৪৭), সাং দিয়ার বাঘইল, থানা ঈশ্বরদী, জেলা পাবনাকে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আসামীদের নাম-ঠিকানা:
১। মোঃ শাহিন (২০), পিতা মোঃ কামাল, সাং চিংড়াখালী, থানা কাঠালিয়া, জেলা ঝালকাঠী , বর্তমানে সাং- পাকশী, থানা-ঈশ্বরদী, জেলা- পাবনা

২। মোঃ হযরত প্রামানিক (৪৭), সাং দিয়ার বাঘইল, থানা ঈশ্বরদী, জেলা পাবনা
ঘটনার প্রেক্ষিতে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878 এর ১৯(এ)/১৯(এফ) ধারায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

অন্যদিকে অপর একটি ডিবির অভিযানে জেলা গোয়েন্দা শাখা, পাবনার সাধারণ ডায়েরি নং–৭৩, তারিখ ১০/০২/২০২৬,
ভোরে ঈশ্বরদী থানাধীন মানিকনগর পশ্চিমপাড়া থেকে গ্রেফতারকৃত মোঃ মমিনুর ইসলাম খোকন (৩৩), পিতা মোঃ বাদশা মিয়া, মাতা কোহিনুর বেগম, সাং বড়ই চারা, থানা ঈশ্বরদী, জেলা পাবনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অনুযায়ী ঈশ্বরদী থানাধীন মানিকনগর পশ্চিমপাড়া এলাকায় বাবুল আর্মির পরিত্যক্ত মিলের পশ্চিম পাশে অবস্থিত একটি লোহার তৈরি পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকের ভিতর থেকে নিম্নলিখিত আলামত উদ্ধার করা হয় ।
আলামতের বর্ননা:

১। একটি বিদেশী সচল ৯ এমএম পিস্তলসহ একটি লোডেড ম্যাগাজিন ও মোট ৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ।

২। একটি বিদেশি তৈরি সচল ৭.৬৫ এমএম পিস্তলসহ একটি লোডেড ম্যাগাজিন ও মোট ১০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ।

৩। মোট ৩১ রাউন্ড ১২ বোর তাজা কার্তুজ।

৪। একটি কালো ব্যাগ উদ্ধার করা হয়।
৫। একটি বাটম মোবাইল

আসামীর নাম-ঠিকানা: মোঃ মমিনুর ইসলাম খোকন (৩৩), পিতা মোঃ বাদশা মিয়া, মাতা কোহিনুর বেগম, সাং বড়ই চারা, থানা ঈশ্বরদী, জেলা পাবনা
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878 এর ১৯(এ)/১৯(এফ) ধারায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।