মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান
সময় যত এগোচ্ছে ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন ততই বাড়ছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীন বলেছেন, সময় যত এগোচ্ছে ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন ততই বাড়ছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মাধ্যমে সরকার গঠন করবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড় ফুটবল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় কাজী আলাউদ্দীন বলেন, “জামায়াত বুঝতে পেরেছে যে এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে রয়েছে। সে কারণে তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে দলের ভেতরে বিভক্তি তৈরির চেষ্টা করেছে এবং একটি প্রতীক ব্যবহার করে ভোট বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু জনগণ এসব ষড়যন্ত্র ভালোভাবেই বুঝে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, আশাশুনিবাসী যদি বারবার ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে এই জনপদ আরও অবহেলিতই থেকে যাবে। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালীন সারাদেশে উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি চালু করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দুঃখজনক হলেও সত্য, ৫৪ বছরে আশাশুনি কখনো জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ সদস্য পায়নি বলেই আজ এখানকার মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত।”
আশাশুনি ও কালিগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে কাজী আলাউদ্দীন বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে এই অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আমি আপনাদের পাশে থেকে উন্নয়নের রাজনীতি বাস্তবায়ন করব।
শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুজ্জামান ছোট্টুর সভাপতিত্বে এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা আনিসুর রহমান, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স. ম. হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট গোলাম গণি দুদু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন বাবু এবং শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মান্নাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজার হাজার বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে জনসভাটি গণসমাবেশে রূপ নেয়।











