সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

✍️ জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনায় রচিত নারী ও পুরুষের দেহতত্ত্বের গবেষণা‌‌

রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৪

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম | 130 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি☞পর্ব:-৪

আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে যখন শরীরকে কেবল একটি জৈবিক যন্ত্র হিসেবে দেখা হয়, তখন প্রাচীন দেহতাত্ত্বিক দর্শন আমাদের শেখায় যে, এই দেহ-ই হলো এক পবিত্র ‘ব্রহ্মাণ্ড’ বা ‘মসজিদ’। এই সাধনার মূল লক্ষ্য হলো শরীরের ভেতরকার সুপ্ত ঐশী শক্তিকে জাগ্রত করা এবং সৃষ্টির আদি উৎস ‘আদম-হাওয়া’র সেই বিচ্ছেদ ঘুঁচিয়ে এক পরম নূরে মিলিত হওয়া।
**১. সৃষ্টির নিগূঢ়তম রহস্যে আদম-হাওয়া ও দর্পণ তত্ত্ব:- সুফি ও মরমি দর্শনে নারী ও পুরুষ আলাদা কোনো সত্তা নয়। হাওয়া (আ:)-কে আদমের পাঁজরের হাড় থেকে সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টি মূলত অবিচ্ছেদ্য একত্বের প্রতীক।
* আয়না বা দর্পণতত্ত্ব:- একজন পুরুষ যখন নারীর সান্নিধ্যে আসে, সে মূলত তার নিজের ভেতরের সুপ্ত কোমলতা বা ঐশী সৌন্দর্যকেই প্রত্যক্ষ করে। বর্তমানের যান্ত্রিক জীবনে যেখানে সম্পর্কগুলো কেবল ভোগকেন্দ্রিক, সেখানে এই ‘দর্পণ তত্ত্ব’ কামকে প্রেমে রূপান্তরের প্রধান হাতিয়ার হতে পারে।
**২. পঞ্চরস ও বীর্য সংরক্ষণ-ই জৈব-রাসায়নিক রূপান্তর:- দেহতত্ত্ব অনুযায়ী, শরীরের পঞ্চরস (সোডিয়াম, নাইট্রোজেন, ফসফরাস ইত্যাদি) চঞ্চল হয়ে উঠলেই কামের উদয় হয়। একে নূরে পরিণত করার প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
* সাত্ত্বিক জীবনশৈলী:- অতিরিক্ত উত্তেজক খাবার রক্তে এড্রিনালিন ও চঞ্চলতা বাড়ায়। তাই সাধকগণ প্রাকৃতিক ও শীতল খাবার (দুধ, মধু, ফল) গ্রহণ করেন যা দেহের সোডিয়াম ও ফসফরাসের ভারসাম্য রক্ষা করে।
* দমের নিয়ন্ত্রণ (Respiratory Control):- বিজ্ঞানে যাকে আমরা ‘অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেম’ বলি, সাধকগণ তাকে ‘হাবসে দম’ বা প্রাণায়ামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করেন। বায়ুর চাপকে ঊর্ধ্বমুখী করে তারা রতিকে মস্তিষ্কের লতিফায় বা ‘পাইনিয়াল গ্ল্যান্ড’ (Pineal Gland)-এর দিকে প্রবাহিত করেন।
* গ্রন্থি ও হরমোনের প্রভাব:- পবিত্র চিন্তা শরীরের অন্তক্ষরা গ্রন্থিগুলো (Glands) থেকে নির্গত রসকে বিষাক্ত হতে দেয় না, বরং তা জীবনী শক্তি বা ‘ওজঃ শক্তিতে’ রূপান্তরিত হয়।
**৩. চার তরীকা ও চার ইমামের দেহতাত্ত্বিক বিন্যাস:- এই সাধনাকে কেবল আধ্যাত্মিক বললে ভুল হবে, এর সাথে ইসলামী শরীয়ত ও মারফতের এক গভীর যোগসূত্র রয়েছে। চার ইমামের পথকে সাধকগণ দেহের চারটি স্তর হিসেবে দেখেন:
* শরীয়ত (শৃঙ্খলা/আদেশ-নিষেধ):- বাহ্যিক পবিত্রতা ও রতি অপচয় রোধের প্রাথমিক নিয়ম।
* তরীকত (পদ্ধতি/কার্য্য):- কাম-ভাবনাকে শোধন করে মুর্শিদের নির্দেশে প্রেমের স্তরে উন্নীত হওয়া।
* হাকিকত (সত্য/হক):- রতিকে কেবল তরল না ভেবে একে ঘনীভূত ‘নূর’ হিসেবে উপলব্ধি করা।
* মারেফাত (মিলন/অর্জিত শক্তিতে লিন হওয়া):- নিজের আমিত্ব বিসর্জন দিয়ে স্রষ্টার নূরে বিলীন হওয়া।
**৪. মুরাকাবা বা ধ্যানের বিশেষ পদ্ধতি:- আধ্যাত্মিক মিলনের সময়কার ‘মুরাকাবা’ হলো কামকে জয় করার চূড়ান্ত রণকৌশল। এতে চোখের দৃষ্টি (নজর বার কদম) এবং হৃদয়ের স্পন্দন (লতিফায়ে কলব)-এর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়। বর্তমানে ‘মাইন্ডফুলনেস’ বা সচেতন মিলনের যে ধারণা পাশ্চাত্যে জনপ্রিয় হচ্ছে, তার অনেক উন্নত এবং আধ্যাত্মিক রূপ হলো এই প্রাচীন মুরাকাবা। এর মাধ্যমে যৌন শক্তি ক্ষয় না হয়ে বরং মস্তিষ্কের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আধ্যাত্মিক শক্তিকে শাণিত করে।
**৫. নারীর ক্ষমতা ও চালিকাশক্তি:- নারী কেবল সাধনার সঙ্গিনী নয়, বরং সে ‘মহামায়া’ বা ‘সিদ্দিকা’। নারীর অন্তরের ভক্তি ও প্রেমরস যখন জাগ্রত হয়, তখন তার প্রভাবে পুরুষের পাশবিক প্রবৃত্তি দমিত হয় এবং তা ঐশী প্রেমে রূপ নেয়। এটি-ই মূলত সৃষ্টির সেই আদি শক্তি যা জগৎকে পরিচালনা করছে।
সর্বপরি, দেহে-ই ব্রহ্মাণ্ড:- যা আছে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে, তা-ই আছে এই মানবদেহে। পঞ্চরস যখন লতিফার সাতটি স্তরে পরিশোধিত হয়, তখন সাধক আর সাধারণ মানুষ থাকেন না, তিনি হয়ে ওঠেন নূরের আধার। এই দর্শনের চূড়ান্ত বিজয় হলো ‘মতির’ (শুদ্ধ বিবেক) সাথে ‘রতির’ মিলন, যা মানুষকে পশুর স্তর থেকে ইনসানে কামেল বা পূর্ণ মানবে পরিণত করে।
পরবর্তী পদক্ষেপে আমরা- এই সাধনার চূড়ান্ত ফলাফল অর্থাৎ ‘মরণ জিতা’ বা আধ্যাত্মিক অমরত্বের ধারণাটি নিয়ে এবং মানুষের দেহের ভেতরের সাতটি লতিফা বা চক্রের সাথে আদম সৃষ্টির যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তাহা নিয়ে ইনশাল্লাহ্ বিস্তারিত আলোচনা করবো -আমিন>চলমান পাতা।

কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
কুড়িগ্রামে জেলা পর্যায়ে বিকেএসপির খেলোয়াড় বাছাই অনুষ্টিত

কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থা, (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করেছে।

মানসন্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)’র তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম ২০২৬’ এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন- সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, এ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মোঃ সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রীকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমূখ।

খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ, যথাক্রমে আর্চারি, এ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শ্যুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, উত্ত, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০-১৩ বৎসর এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিক্স, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮-১৪ বৎসর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতিত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।

নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের ১টি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের ১টি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়াও কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপিতে (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সাজ-সরঞ্জাম প্রদান করা হবে।প্রশিক্ষণে সকল খেলোয়াড়দের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৪ পিএম
গোমস্তাপুরে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অঞ্জনা চৌধুরী, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ

কাজিপুর পৌরসভার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন

অঞ্জনা চৌধুরী, কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
কাজিপুর পৌরসভার রাস্তা পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তার পাকাকরণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার আলমপুর এনএম উচ্চ বিদ্যালয় হতে কবিহার পর্যন্ত এক কিলোমিটার আরসিসি রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান। ১ কোটি ২২ লক্ষ ৫৯ হাজার ২২ টাকা ব্যয় বরাদ্দে কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স জিন্না এন্টার প্রাইজ।
উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম লিটন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে পক্ষে সাইফুল ইসলাম।
ইউএনও বলেন, “ গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (বেড-এ-২) এর আওতায় এই রাস্তাটি নির্মিত হলে কয়েক হাজার পৌরবাসীর চলাচলের দুর্ভোগ লাঘব হবে। কাজটি ড্রইং, ডিজাইন ও এস্টিমেট অনুযায়ী হচ্ছে কিনা তা কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে।” (ছবি আছে)

 

error: Content is protected !!