বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

✍️ জাহারুল ইসলাম জীবন এর লেখা ও সম্পাদনায় রচিত নারী ও পুরুষের দেহতত্ত্বের গবেষণা‌‌

রতি থেকে জ্যোতি: দেহতত্ত্ব ও লতিফা সাধনার আধ্যাত্মিক রসায়ন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম | 114 বার পড়া হয়েছে
রতি থেকে জ্যোতি: দেহতত্ত্ব ও লতিফা সাধনার আধ্যাত্মিক রসায়ন

দেহতত্ত্ব ও তাসাউফ শাস্ত্রের এই নিগূঢ় তত্ত্বটি অত্যন্ত চমৎকার এবং সুশৃঙ্খলিত। আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমে স্থূল দেহকে (Physical Body) সূক্ষ্ম দেহে (Subtle Body) এবং কামকে (Lust) নূরে (Divine Light) রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াটি মূলত ‘ইনসানে কামেল’ বা পূর্ণাঙ্গ মানুষ তথা মুক্তিপ্রাপ্ত মানুষ হওয়ার পথ। বলাবাহুল্য যে, তাসাউফ বা সুফিবাদ কেবল তাত্ত্বিক কোনো দর্শন নয়, বরং এটি দেহ-মন ও আত্মার এক সমন্বিত ধর্ম তাত্বিক বাস্তব সম্মত বিজ্ঞান। এই বিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের ভেতরে সুপ্ত থাকা পাশবিক প্রবৃত্তিকে স্বর্গীয় জ্যোতিতে রূপান্তরিত করা। এই রূপান্তরের প্রধান সোপান হলো ‘লতিফা’ এবং এর জ্বালানি হলো দেহের ‘পঞ্চরস’।
নীচে লতিফা সমূহ ও পঞ্চরসের উপর আপনাদের সমীপে আলোচনা করা হলো:
**১. সপ্ত লতিফা:> আধ্যাত্মিক উত্তরণের সাতটি তোরণ কেবল মানুষের দেহে রক্ত-মাংসের আধার নয়, বরং এটি সাতটি লতিফা বা সূক্ষ্ম শক্তি কেন্দ্রের এক অপূর্ব বিন্যাস। সাধক যখন কামের স্তর থেকে নূরের স্তরে আরোহণ করেন, তখন তাকে এই সাতটি তোরণ অতিক্রম করতে হয়:-
* লতিফায়ে নফস (নাভি):- এটি প্রবৃত্তি ও কামনার মূল কেন্দ্র। এর রঙ্গ নীল। সাধনার প্রথম যুদ্ধ শুরু হয় এখান থেকেই-যাকে বলা হয় ‘জেহাদে আকবর’।
* লতিফায়ে কলব (হৃদয়):- বাম স্তনের নিচে অবস্থিত এই কেন্দ্রের রঙ্গ লাল। এটি প্রেমের জন্মভূমি। এখানে এসে কাম-ভাবনা প্রথম প্রেমে রূপান্তরিত হওয়ার দীক্ষা পায়।
* লতিফায়ে রুহ (আত্মা):- ডান স্তনের নিচে অবস্থিত এই কেন্দ্রের রঙ্গ হলুদ। এটি আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রবেশ দ্বার।
* লতিফায়ে সিরর/সের/ছের (রহস্য):- বাম স্তনের ওপরে অবস্থিত সাদা রঙের এই কেন্দ্রে সৃষ্টির নিগূঢ় রহস্যের পর্দা উন্মোচিত হয়।
* লতিফায়ে খফি (গোপন):- ডান স্তনের ওপরে অবস্থিত এই কেন্দ্রটি কালো রঙ্গের। এখানে সাধক আল্লাহর নৈকট্য ও সান্নিধ্য অনুভব করেন।
* লতিফায়ে আখফা (অতি গোপন):- বুকের মাঝখানে অবস্থিত সবুজ রঙ্গের এই কেন্দ্রটি হলো ‘ফানা-ফিলাহ’ বা ‘পরম সত্তায়’ বিলীন হওয়ার স্তর।
* লতিফায়ে সুলতানুল আজকার (মস্তিষ্ক):- এটি ব্রহ্মতালু বা জ্যোতি দেশ। এখানে সব লতিফার নূর একত্রিত হয়ে সাধককে নূরের মহাসমুদ্রে নিমজ্জিত করে।
**২. পঞ্চরস ও লতিফার আধ্যাত্মিক মেলবন্ধন
দেহের পঞ্চরস-সোডিয়াম, কার্বোনেট, নাইট্রোজেন, সালফার ও ফসফরাস-কেবল রাসায়নিক উপাদান নয়, বরং এগুলো সাধনার মূল কাঁচামাল।
* শোধন প্রক্রিয়া:- জিকির ও ধ্যানের স্পন্দনে লতিফায়ে কলব ও নফসে এক ধরনের আধ্যাত্মিক দহন তৈরি হয়। এর ফলে সোডিয়াম ও ফসফরাসের মতো উপাদানগুলো জৈবিক উত্তাপ ত্যাগ করে আধ্যাত্মিক শক্তিতে পরিণত হতে থাকে।
* উর্ধ্বগমন:- সাধারণ অবস্থায় এই রস নিচের দিকে প্রবাহিত হয়ে ক্ষয় হয়। কিন্তু ‘দমের চাবিকাঠি’ বা শ্বাসক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণে সাধক এই রসকে ঊর্ধ্বগামী করেন।
* রূপান্তর:- যখন এই পঞ্চরস লতিফায়ে আখফা অতিক্রম করে মস্তিষ্কে (সুলতানুল আজকার) পৌঁছায়, তখন তা আর তরল থাকে না; বরং তা ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক বা তড়িৎ-চৌম্বকীয় জ্যোতিতে রূপান্তরিত হয়। একেই দেহতত্ত্বের ভাষায় ‘রতি থেকে মতি’ প্রাপ্তি বলা হয়।
**৩. মুর্শিদ:> এই দুর্গম পথের দিশারী লতিফা জাগ্রত করা এবং পঞ্চরসকে সংরক্ষণ করার এই পথ অত্যন্ত পিচ্ছিল দূর্ভেদ্যও বটে্। তাই এখানে, মুর্শিদ বা গুরুর ভূমিকা অপরিহার্য:
* দৃষ্টির কিমিয়া:- মুর্শিদ সাধককে শেখান কীভাবে কামুক দৃষ্টির পরিবর্তে দয়ার নজরে জগৎকে দেখতে হয়।
* দমের নিয়ন্ত্রণ:- সঠিক শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে কীভাবে রতিকে ঊর্ধ্বে চালিত করতে হয়, তা গুরুর হাতে-কলমে শিক্ষা ছাড়া অসম্ভব।
* রাবেতা:- সাধক যখন বিচলিত হন, তখন মুর্শিদের আধ্যাত্মিক নেক নজর বা ফয়েজ তার ভেতরের পাশবিকতাকে ভস্ম করে নূরের শিখা প্রজ্বলিত রাখে।
এখানে সর্বপরি বলাবাহুল্য যে, সাধনার মাধ্যমে- নূর’ যখন মানব দেহে রূপান্তরিত হয়ে লতিফা গুলোকে জাগ্রত করে তোলে এবং ‘পঞ্চরস- তখন পরিশোধিত হয়ে মস্তিষ্কে জ্যোতি দেশে মিলিত হয়, তখন সাধক লাভ করেন ‘ইনসানে কামেল’ বা পূর্ণাঙ্গ মানবের মর্যাদা। তখন তার দেখা হয় স্রষ্টার দেখা, তার কাজ হয় স্রষ্টার ইচ্ছা। হাদিসে কুদসির সেই মহান বাণীর প্রতিফলন ঘটে তার (সাধকের) জীবনে-সে তখন মাটির মানুষ হয়েও নূরের আভায় জ্যোতিষ্ময় ভাস্বর হয়ে ওঠে।
এই সাধনা পূর্ণ করতে হলে দেহের ভেতরের ‘আদম’ ও ‘হাওয়া’-র (পুরুষ ও নারী শক্তি) ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করতে হয় এবং পঞ্চরস সংরক্ষণে খাদ্যতালিকায় (Dietary Discipline) কী ধরনের আমূল পরিবর্তন আনা জরুরী- এই বিষয়টি নিয়ে পর্ব-৪, এ বিস্তারিত আলোচনা করবো ইনশাল্লাহ- আমিন> চলমান পাতা।

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!