বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

তিস্তা-ধরলা-করতোয়া বিধৌত মরা নদ-নদীর জীবনকে সচলের মাধ্যমে 

নর্থবেঙ্গলকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানী গড়ে তুলতে চাই: ডা.শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম | 61 বার পড়া হয়েছে
নর্থবেঙ্গলকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানী গড়ে তুলতে চাই: ডা.শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন ১০ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। জুলাই শহীদদের জন্য আমাদের হ্যাঁ ভোট দিয়ে তাদের ঋণ শোধ করতে হবে। তিস্তা-ধরলা- করতোয়াসহ অন্যান্য মরা নদীর অবস্থান হলো শরীরের রক্তনালীর মত। গোটা নর্থবেঙ্গলকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয় গোটা দেশের মরা নদীগুলো সচল করবো। মরা নদ-নদীর জীবনকে সামনে রেখে নর্থবেঙ্গলকে একটি কৃষিভিত্তিক রাজধানী গড়ে তুলতে চাই।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় পলাশবাড়ী সূতি মাহমুদ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের ডাকে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত ডা.শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী প্রচারের তৃতীয় দিন তিনি রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন।

এরআগে এদিন ভোর থেকেই জেলা ছাড়াও এ অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গা হতে খন্ড খন্ড মিছিলের ঢল নামে জনসভা -স্থলে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।কানায় কানায় পূর্ণ হয় বিশাল মাঠ।

এছাড়া সভাস্থলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় পলাশবাড়ী পৌরশহরের সর্বস্তরের জনমানুষ মাইকে প্রধান অতিথির বক্তব্য শোনার জন্য শহরের অসংখ্য পয়েন্টে অবস্থান নেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চুরির কালো টাকা ফিরিয়ে নিয়ে আসলে এবং এখনও যারা চুরি করছে তাদের হাত অবশ করে দিলেই এই অবহেলিত উত্তরাঞ্চল অনায়াসে উন্নতি লাভ করবে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে জনবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ্।আমরা এমন এক বাংলাদেশ চাই-যেখানে ধর্মে-ধর্মে কোন সংঘাত সৃষ্টি হবে না। আমি এসেছি মন্দসব পিছনে ফেলে সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নেয়ার কথা বলতে আমি এসেছি অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নকে তরান্বিত করার কথা বলতে। তিনি বলেন, আমরা কোন চাঁদাবাজি করতে দিব না। চাঁদাবাজিদের হাতকে কর্মের হাতে রূপান্তর করবো। তাদের মন্দ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। সারা বাংলাদেশের খাদ্য শস্যের তিন ভাগের এক ভাগ যোগান দেয় উত্তরাঞ্চল। এই জেলাগুলোতে কৃষি ভিত্তিক শিল্প- কলকারখানা গড়ে তোলা হবে। গাইবান্ধার বালাসী- বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

আমীরে জামায়াত স্বাস্থ্য শিক্ষা নিয়ে আরো বলেন, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য এ জেলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সাথে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। মানুষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি নারীদের ব্যাপারে বলেন, তারা মায়ের জাত। তাদের কর্মসংস্থানের বৃদ্ধির সবধরনের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা তাদের জন্য একসাথে বাসা- অফিসসহ সবক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করবো। আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।

তিনি আরো বলেন,আমরা লাল চক্ষুকে ভয় পাইনা। কোন আধিপত্যবাদ সহ্য করবো না। সকল দেশ এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক হবে সম্মানের এবং সুদৃঢ়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার রাজনৈতিক সেক্রেটারী গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর- পলাশবাড়ী) নির্বাচনি আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ (অব.) মাও. নজরুল ইসলাম লেবু’র সভাপতিত্বে ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাও.জহুরুল হক সরকারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাও. আবদুল হালিম ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী সিবগাতুল্লাহ সিবগা।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা আমীর মো.আব্দুল করিম, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ইউনিট সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের প্রার্থী ডা.আব্দুর রহিম সরকার, গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের প্রার্থী জেলা সিনিয়র নায়েবে আমীর বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ এবং গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোজাহিদ ফয়সাল, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান, মো.ফয়সাল কবির রানা, ছাত্রশিবির গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুমান,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ পরিষদের সভাপতি নুরুন্নবী প্রধান, জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা শহর শাখার আমীর অধ্যাপক ফেরদৌস আলম ছাড়াও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা শাখার সভাপতি মাও. আব্দুল হানিফ,জেলা এলডিপি’র সভাপতি শরিফুল ইসলাম, জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহবায়ক রাশিদুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা সদর উপজেলা আমীর মাও. নুরুল ইসলাম মন্ডল, গোবিন্দগঞ্জের আমীর আবুল হোসাইন মাস্টার, সাদুল্লাপুরের আমীর এরশাদুল হক ইমন, সাঘাটার আমীর মাও. ইব্রাহিম হোসাইন ও ফুলছড়ির আমীর মাও. সিরাজুল ইসলাম।সমাবেশে ১০ দলীয় ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দসহ গাইবান্ধা জেলার ৭টি উপজেলার দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!