সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

১০ কাঠা জমিতে ৯২ মন হলুদ উৎপাদন

পুঠিয়া উপজেলায় হলুদ চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জন

Md. Khorsed Alom (Lalon)
Md. Khorsed Alom (Lalon) - Divisional Beuru Chief Rajshahi, Rajshahi Division প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৯ পিএম | 80 বার পড়া হয়েছে
পুঠিয়া উপজেলায় হলুদ চাষে ব্যাপক সাফল্য অর্জন

রাজশাহী পুঠিয়ায় দেশের হলুদের চাহিদা পূরণ করতে অপরিসীম ভূমিকা রেখেছে,পুঠিয়া উপজেলার গন্ডগোহালী গ্রামের আদর্শ ব্যক্তি মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান) তিনি ১০-কাঠা জমিতে,৯২ মন হলুদের ফলন হয়েছে। সেই হলুদ দেখে গ্রামের অন্য কৃষকেরা উজ্জীবিত।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে হলুদ তোলার সময় এক একটি গাছের ছরিতে দেড় থেকে দুই কেজি হলুদ দেখা যায়। এ সময় হলুদ কেনার ব্যাপারে মাসুদ রানা বলেন,পুঠিয়া গন্ডগোহালী গ্রামে আমি এই জমিতে হলুদ কিনতে এসে দেখছি আমার ব্যবসার লাইফে এমন ফলনশীল হলুদ কোনদিন দেখিনি,এখানে দশ কাটা জমিতে আমি নিজে ৮০ মন হলুদ ওজন দিয়ে নিলাম,রাজশাহী জেলার বিভিন্ন জায়গাতে হলুদ কিনে থাকি কিন্তু পুঠিয়া এই অঞ্চলে এই প্রথম পাবনায়া জাতের হলুদ এত ফলনশীল এই প্রথম পেলাম।

এ সময় হলুদ চাষী মিজানুর রহমান (মিজান) বলেন,এই হলুদটা আমি চাষ করেছি এই হলুদটা হল পাবনায়া জাত,এই হলুদের চাষ করে আমি ১০-কাঠা জমিতে ফলন পেয়েছি ৮০-মন,আমার জানামতে বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম পাবনায়া জাতের হলুদ ফলন হয়েছে,যা আগে কখনো দেখা যায়নি। দশ কাঠা জমিতেই আমি ৮০-মন বিক্রি করেছি,আবার আমার নিজের জমিতে লাগানোর জন্য বাসাতে নিয়ে গিয়েছি ৪-মন,বাসাতে নিয়ে গিয়েছি হলুদের মোথা ৮-মনের মত,সব মিলিয়ে মোটামুটি ৯২ মন হলুদ পেয়েছি আমি ১০-কাঠা জমি থেকে,তিনি আরো বলেন, এই হলুদ চাষে আমার খরচ হয়েছে ২২ হাজার ৫০০ টাকা আজকে বিক্রি করলাম ১ হাজার ৬০০ টাকা মন তাহলে আমার কত টাকা সঞ্চয় হয়েছে, তিনি আরো বলেন, যদি আপনারা হলুদ চাষ করে থাকেন সেই ক্ষেত্রে আমি একটি কথা বলব,যদি বিজ কিনার ক্ষেত্রে বাজার মূল্য থেকে যদি ৫০০ টাকা বেশি লেগেও থাকে,তাও আপনারা ভালো বিজ সংগ্রহ করবেন,তাহলে ইনশাআল্লাহ এরকম ফলন পাবেন এবং হলুদ চাষে লাভবান হবেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার স্মৃতি রানী সরকার বলেন,আমরা সব সময় কৃষকের পাশে আছি এবং থাকবো,যেকোনো পরামর্শের জন্য আমরা সব সময় সহায়তা করব,বিভিন্ন উচু জমি,আমবাগান পরিত্যক্ত জমি সেই জমিগুলো হলুদের ফসলের আওতায় আসে,এমন ফলনশীল হলুদ সঠিক ভাবে চাষ করা হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!