বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

পাবনা জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Md. Omar Faruk (Sunny)
Md. Omar Faruk (Sunny) - Staff Reporter, Pabna District প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩২ পিএম | 59 বার পড়া হয়েছে
পাবনা জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

২০ জানুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার) পাবনা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পাবনা জেলা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে অভিবাদন গ্রহণ করেন পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আনোয়ার জাহিদ। জেলা পুলিশের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যগণ মাস্টার প্যারেডে অংশগ্রহণ করেন।

প্যারেড অভিবাদন গ্রহণ শেষে সম্মানিত পুলিশ সুপার প্যারেডে অংশগ্রহণকারী সকল অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জেলা পুলিশের সকল সদস্যদেরকে ডিসিপ্লিন মেনে পেশাদারিত্বের সাথে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্রতী হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন জনাব, সাদিক আহমেদ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সুজানগর সার্কেল পাবনা )।

এরপরে, সকাল ১০.০০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এএসআই আব্দুল জলিল মিলনায়তনে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিগত মাসের কল্যাণ সভায় প্রস্তাবিত কল্যাণমূলক প্রস্তাবসমূহ অনুমোদনক্রমে বাস্তবায়ন করা হয় এবং একই সাথে অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করেন পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আনোয়ার জাহিদ।

দুপুর ১২.০০ ঘটিকায় এসপি অফিস সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

জেলার আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্তে পুলিশ সুপার মহোদয় জেলার সকল সিনিয়র কর্মকর্তা, অফিসার ইনচার্জগন, তদন্ত কেন্দ্র / ফাঁড়ি ও ক্যাম্প ইনচার্জগনকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং ডিসেম্বর মাসের শ্রেষ্ঠ অফিসার, শ্রেষ্ঠ থানার স্বীকৃতি স্বরূপ ০৫ জন অফিসার কে নগদ অর্থ প্রদান করেন এবং পিআরএল গমন কারি ০২ জন কে ক্রেস্ট এবং জায়নামাজ প্রদান করেন।

এসময় পাবনা জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগন ও অন্যান্য কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

শিক্ষায় আলোর পথ দেখাচ্ছে দেবপর্ণা শিশু নিকেতন

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৪ পিএম
শিক্ষায় আলোর পথ দেখাচ্ছে দেবপর্ণা শিশু নিকেতন

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার চাপানীহাট(ফেডারেশন সংলগ্ন) ডালিয়া,টু জলঢাকা সড়কের পাশে অবস্থিত দেবপর্ণ শিশু নিকেতন’ এখন শিশু শিক্ষায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাবপ্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়ে এলাকাবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য—শিশুদের আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বিত চর্চা। শিক্ষার্থীদের মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়। আধুনিক পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা, চারিত্রিক উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ শেখানো হয় শিশুদের শৈশব থেকেই।
প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ২৫০ জন শিক্ষার্থী পাঠগ্রহণ করছে। পাঠদান পরিচালনায় রয়েছেন একঝাঁক অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা। পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন ৫ জন নিবেদিত প্রাণ সদস্য, যাঁরা নিয়মিত শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শ্রী নরায়ন রায় যিনি একজন অভিজ্ঞ সম্পন্ন ব্যক্তি, তিনি জানান,শুধু পরীক্ষার ফল নয়, আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। সুশিক্ষিত ও নৈতিক গুণে গুণান্বিত নাগরিক তৈরিই আমাদের মূল লক্ষ্য।
প্রতিবছর দেবপর্ণ শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এবং উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রতিবছরই শতভাগ পাসের হার অর্জন করে, এই কৃতিত্বের পেছনে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা।
শিক্ষকরা জানান,আমরা শিশুকে শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখি না। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সহপাঠ কার্যক্রম, খেলাধুলা, কাব্যচর্চা, ধর্মীয় জ্ঞান ও আচরণগত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেই। ফলে শিশুদের ভিত শক্ত হচ্ছে।
দেবপর্ন শিশু নিকেতন শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি স্বপ্নের কারখানা—যেখানে শিশুরা গড়ে উঠছে আলোকিত ভবিষ্যতের নির্মাতা হিসেবে।

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার হাউলী ইউনিয়ন পরিষদে ভি ডব্লিউ বি চাউল বিতরণ

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৩ পিএম
চুয়াডাঙ্গার হাউলী ইউনিয়ন পরিষদে ভি ডব্লিউ বি চাউল বিতরণ

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ০৬ নং হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের অর্ন্তগত গ্রামের অসহায় দুস্থ পরিবারের মধ্যো ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের ভি ডব্লিউ বি কার্ডধারী ৩৭৪ জন সদস্যদের কে বিনামুল্যে ৩০ কেজি হারে প্রত্যেক কে ০১ বস্তা করে চাউল দেওয়া হয়।

এ সময় ভি ডব্লিউ বি কার্ডধারীদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি।

প্রত্যেক ভি ডডব্লিউ বি কার্ডধারী সদস্যদেরকে ৩০ কেজি করে চাউল দেওয়া হয়।

ভি ডব্লিউ বি চাউল শুরু হয় বেলা ১১:০০ টার সময়। চাউল বিতরনের সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়নের চেয়্যারম্যান ( ভারপ্রাপ্ত ) মোঃ নিজাম উদ্দীন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব/ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান , ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মোঃ আতিকুর রহমান উপজেলা স্বাস্হ্য কর্মকর্তা দামুড়হুদা চুয়াডাঙ্গা। মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০২ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০৩ মোঃ আব্দুল হান্নান ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০৪ মোঃ শহিদুল ইসলাম ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০৫ মোঃ রিকাত আলী ইউপি সদস্য ওয়ার্ড মোছাঃ রওশনারা খাতুন, ইউপি সদস্য সংরক্ষিত ০১.০২.০৩ মোছাঃ রহিমা খাতুন, ইউপি সদস্য সংরক্ষিত ০৭.০৮.০৯ ইউপি হিসাব সহকারী মোঃ সাজিবুল ইসলাম ( মিলন)

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলো দামুড়হুদা উপজেলা হাউলী ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী , বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর হাউলী ইউনিয়ন আমীর মোঃ ওবাইদুল হক সহ গ্রাম পুলিশের সদস্যবৃন্দু।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

রাজারহাটে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
রাজারহাটে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাইভেট পড়ানোর সময় এক দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক বিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রুহুল আমিন। তিনি উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের ফুলখাঁ চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক এবং সাকোয়াঁ গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ফুলখাঁ চাকলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ‘উন্নয়ন সমাজকল্যাণ সংস্থা’ ভবনে বিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন রুহুল আমিন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রতিদিনের মতোই প্রাইভেট পড়তে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীও সেখানে উপস্থিত ছিল। অভিযোগে বলা হয়, প্রাইভেট চলাকালে একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে ছাত্রীটিকে একা পেয়ে তাকে পাশবিক নির্যাতন, স্পর্শকাতর স্থানে হাত, ধর্ষণের চেষ্টা চালান এই শিক্ষক।
এ সময় ভুক্তভোগী ছাত্রীটি ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় সেখান থেকে বের হয়ে বাড়িতে চলে যায়। পরে কান্নায় ভেঙে পড়ে পুরো ঘটনা তার মাকে জানায়। ঘটনার খবর মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিবাদী স্বর উচ্চারিত হয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ফুলখাঁর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র রায় কাজ্জী বলেন, “রুহুল আমিন আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

error: Content is protected !!