বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

তেহরানের আকাশে রুশ ছায়া কেন? 

শেষ মুহূর্তে থমকে গেল ট্রাম্পের ‘অপারেশন ইরান’?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১০ পিএম | 88 বার পড়া হয়েছে
শেষ মুহূর্তে থমকে গেল ট্রাম্পের ‘অপারেশন ইরান’?

ওয়াশিংটন বনাম তেহরান সপ্তাহজুড়ে টানটান উত্তজনা। পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীর মহড়া এবং হোয়াইট হাউসের ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ হুশিয়ারি-সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ কেবল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু গত বুধবার রাতে নাটকীয়ভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি এখনই যুদ্ধ চান না। ট্রাম্পের এই ‘শান্তিবাদী’ ইমেজের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক চাঞ্চল্যকর সামরিক গোয়েন্দা তথ্য।
রাশিয়ার সেই রহস্যময় কার্গো বিমান:- গোয়েন্দা সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহে রাশিয়ার মস্কো থেকে কয়েকটি বিশালকায় সামরিক কার্গো বিমান (সম্ভবত Ilyushin Il-76 বা An-124) তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এই বিমানগুলো থেকে ভারী কন্টেইনার খালাস করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই কার্গোতে ছিল রাশিয়ার সর্বশেষ প্রযুক্তির S-400 ট্রায়াম্ফ অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট সিস্টেমের উন্নত সংস্করণ এবং Krasukha-4 এর মতো শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম।
সামরিক হিসাব-নিকাশ কেন উল্টে গেল?- প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার পিছু হঠার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ কাজ করেছে:
** ১. অজেয় আকাশ প্রতিরক্ষা:- রাশিয়ার সরবরাহ করা নতুন রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইরানের আকাশসীমাকে কার্যত একটি ‘লৌহবর্ম’-এ পরিণত করেছে। মার্কিন স্টিলথ ফাইটার বা ড্রোন হামলার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় পেন্টাগন পুনরায় চিন্তা করতে বাধ্য হয়েছে।
** ২. ইলেকট্রনিক জ্যামিং:- রাশিয়ার অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক সরঞ্জামগুলো মার্কিন জিপিএস এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অচল করে দিতে সক্ষম। এর ফলে হামলার শুরুতে যে নিখুঁত লক্ষ্যভেদের প্রয়োজন হয়, তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
** ৩. আঞ্চলিক তেলের বাজার:- সৌদি আরব, কাতার ও ওমান স্পষ্টভাবে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করেছে যে, ইরানে হামলা হলে জ্বালানি তেলের বাজারে যে ধস নামবে, তার দায়ভার আমেরিকার অর্থনীতিকেও বইতে হবে।
ট্রাম্পের কৌশল কি ‘শান্তি’ নাকি পিছুটান?- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জনসমক্ষে বলছেন, “আমি ইরানিদের হত্যা করতে চাই না, আমি শান্তি চাই।” কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, এটি আসলে একটি কৌশলগত পশ্চাদপসরণ। ট্রাম্প প্রশাসনের ভয় ছিল, সরাসরি সংঘাতে গেলে রাশিয়া ও চীন ইরানের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে পারে, যা একটি বৈশ্বিক যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি ও ভূরাজনীতি:- বর্তমানে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ এড়ানো গেলেও ছায়াযুদ্ধ (Proxy War) এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে। ইরান রাশিয়ার সহায়তায় নিজেদের সামরিক শক্তি আরও সংহত করছে, আর ট্রাম্প প্রশাসন বিকল্প পথে (যেমন: ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি) তেহরানকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে।
শেষ প্রর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই দাবা খেলায় রাশিয়ার ‘গোপন কার্গো বিমান’ একটি শক্তিশালী ‘চাল’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ওয়াশিংটন বুঝতে পেরেছে যে, ২০২৬ সালের ইরান আগের মতো একা নয়। মস্কোর সরাসরি সামরিক সহায়তা তেহরানের আত্মবিশ্বাসকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যেখানে আমেরিকার মতো পরাশক্তিকেও হামলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসতে হয়েছে অবশেষে।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!