মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৫ পিএম | 88 বার পড়া হয়েছে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো?

রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
অথচ কোচ হিসেবে বায়ার লেভারকুসেনে জাভি আলোনসোর অভূতপূর্ব সাফল্যই কার্লো আনচেলত্তির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ভাবতে শিখিয়েছিল তাঁকে। ২০২২-২৩ মৌসুমে বুন্দেসলিগার দলটির যখন দায়িত্ব নেন আলোনসো, তখন অবনমন অঞ্চলের আশেপাশে ছিল লেভারকুসেন। সে সময় দলটির কোচ জেরার্দো সিওয়ানের অধীনে ৮ ম্যাচের মাত্র একটি জিতেছিল দলটি। আলোনসো আসার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত টেবিলের ছয় নম্বরে থেকে লিগ শেষ করে। পরের মৌসুমে সাফল্য লুটিয়ে পড়ে আলোনসোর পায়ে! লিগ শিরোপাসহ ঘরোয়া ট্রেবল জেতে লেভারকুসেন। যারা কখনো লিগ জেতেনি, সেই লেভারকুসেন জেতে বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ। আর আলোনসোর দল বুন্দেসলিগা জেতে অপরাজিত থেকে। তখন আলোনসোর ছোঁয়ায় লেভারকুসেন যেন অন্যরকম এক দল।
কোচ হিসেবে আলোনসোর এই অভাবিত সাফল্যে আকৃষ্ট হন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা পরের মৌসুমে না থাকলেও ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া কার্লো আনচেলত্তির জায়গায় রিয়ালে পেরেজ নিয়ে আসেন আলোনসোকে। নিজের মতো করে দল গোছানোর স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মৌসুমের শুরুটা দুর্দান্তই হয়েছিল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪ ম্যাচের ১৩টিতেই জিতেছিল রিয়াল। এখনো কি খুব খারাপ রিয়ালের পারফরম্যান্স? আলোনসোর অধীনে ৩৪ ম্যাচের ২৪টিতেই জিতেছে রিয়াল। ৪টিতে ড্র করেছে, হার ৬টিতে। কিন্তু ফ্লোরেন্তিনোর ধ্যানধারণায় যে ‘অজেয় রিয়াল’! ক্লাব কর্তাদের চাহিদা মতো রিয়ালকে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি আলোনসো!
কেন পারেননি, এ নিয়েও হতে পারে আলোচনা। যে ফুটবলীয় দর্শন—হাই প্রেস, গতি আর পজিশনাল ফুটবল লেভারকুসেনে তাঁকে সাফল্য পাইয়ে দিয়েছিল, সেটা তিনি বার্নাব্যুতে বাস্তবায়ন করতে পারেননি। মৌসুমের শুরু থেকেই চোটমুক্ত আদর্শ একটা দল পাননি তিনি। দলীয় খেলোয়াড়দের মধ্যেও আশানুরূপ উন্নতি দেখা যায়নি। কারও কারও আচরণ এমনও ছিল, যেন তাঁরা কোচের জন্য খেলেননি!
একটু রয়েসয়েই রিয়ালের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন আলোনসো। কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। লম্বা মৌসুমে শেষ খেলোয়াড়েরা ছিলেন বিশ্রামের মেজাজে। কেউ কেউ পরের মৌসুমে বার্নাব্যুতে থাকবেন কি না, তা নিয়েও একটা অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু এসব নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁর চাহিদামতো যেসব খেলোয়াড়কে দলে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাঁরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন। রিয়ালে যোগ দেওয়ার আগে ফ্রাস্কো মাস্তানতুয়ানোকে নিয়ে যত আলোচনা হয়েছে, সে তুলনায় মাঠে কিছুই করতে পারেননি। একমাত্র কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাদ দিলে সেভাবে আর কেউই কোচের চাহিদামতো দলের হয়ে খেলতে পারেননি। অধারাবাহিক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আগের এল ক্লাসিকোয় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ায় যেভাবে ক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, সেটাই দলের ওপর আলোনসোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে কি না প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। বিনি সুতোর মালা হয়ে দলকে একই সুতোয় বাঁধতে পারেননি তিনি।
একটা উল্টোভাবে বলে এটাও বলা যায়, দলকে একই সূত্রে গাঁথার স্বাধীনতা তাঁকে দেওয়া হয়নি, স্বাধীনতা দেওয়ার মতো আস্থা তাঁর ওপর ছিল না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের।
তাই রিয়ালে কাজ শুরুর এক বছরও পূর্ণ করতে পারলেন না আলোনসো। ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দীর্ঘ সভাপতিত্বে তিনিই দশম কোচ, যাঁকে অসম্পূর্ণ মৌসুমেই বিদায় নিতে হলো। তাঁর জায়গায় রিয়াল কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন আলভারো আরবেলোয়ার হাতে। যিনি এর আগে রিয়াল একাডেমির কোচ ছিলেন। এই হুটহাট কোচ বদলে রিয়ালের সত্যিকারের সমস্যাগুলো কি আড়ালে ঢাকা পড়ল না!
রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায় কোচ হয়ে আসার পর হ্যান্সি ফ্লিকের পারফরম্যান্সও ছিল নড়বড়ে। কিন্তু ক্যাম্প ন্যুতে মানিয়ে নেওয়ার পর ঠিকই তিনি বার্সায় সফল হয়েছেন। আলোনসোকে সেই সময়টাই দিলেন না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!