সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৫ পিএম | 87 বার পড়া হয়েছে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো?

রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
অথচ কোচ হিসেবে বায়ার লেভারকুসেনে জাভি আলোনসোর অভূতপূর্ব সাফল্যই কার্লো আনচেলত্তির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ভাবতে শিখিয়েছিল তাঁকে। ২০২২-২৩ মৌসুমে বুন্দেসলিগার দলটির যখন দায়িত্ব নেন আলোনসো, তখন অবনমন অঞ্চলের আশেপাশে ছিল লেভারকুসেন। সে সময় দলটির কোচ জেরার্দো সিওয়ানের অধীনে ৮ ম্যাচের মাত্র একটি জিতেছিল দলটি। আলোনসো আসার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত টেবিলের ছয় নম্বরে থেকে লিগ শেষ করে। পরের মৌসুমে সাফল্য লুটিয়ে পড়ে আলোনসোর পায়ে! লিগ শিরোপাসহ ঘরোয়া ট্রেবল জেতে লেভারকুসেন। যারা কখনো লিগ জেতেনি, সেই লেভারকুসেন জেতে বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ ও জার্মান সুপার কাপ। আর আলোনসোর দল বুন্দেসলিগা জেতে অপরাজিত থেকে। তখন আলোনসোর ছোঁয়ায় লেভারকুসেন যেন অন্যরকম এক দল।
কোচ হিসেবে আলোনসোর এই অভাবিত সাফল্যে আকৃষ্ট হন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। সাফল্যের সেই ধারাবাহিকতা পরের মৌসুমে না থাকলেও ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়া কার্লো আনচেলত্তির জায়গায় রিয়ালে পেরেজ নিয়ে আসেন আলোনসোকে। নিজের মতো করে দল গোছানোর স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মৌসুমের শুরুটা দুর্দান্তই হয়েছিল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৪ ম্যাচের ১৩টিতেই জিতেছিল রিয়াল। এখনো কি খুব খারাপ রিয়ালের পারফরম্যান্স? আলোনসোর অধীনে ৩৪ ম্যাচের ২৪টিতেই জিতেছে রিয়াল। ৪টিতে ড্র করেছে, হার ৬টিতে। কিন্তু ফ্লোরেন্তিনোর ধ্যানধারণায় যে ‘অজেয় রিয়াল’! ক্লাব কর্তাদের চাহিদা মতো রিয়ালকে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি আলোনসো!
কেন পারেননি, এ নিয়েও হতে পারে আলোচনা। যে ফুটবলীয় দর্শন—হাই প্রেস, গতি আর পজিশনাল ফুটবল লেভারকুসেনে তাঁকে সাফল্য পাইয়ে দিয়েছিল, সেটা তিনি বার্নাব্যুতে বাস্তবায়ন করতে পারেননি। মৌসুমের শুরু থেকেই চোটমুক্ত আদর্শ একটা দল পাননি তিনি। দলীয় খেলোয়াড়দের মধ্যেও আশানুরূপ উন্নতি দেখা যায়নি। কারও কারও আচরণ এমনও ছিল, যেন তাঁরা কোচের জন্য খেলেননি!
একটু রয়েসয়েই রিয়ালের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন আলোনসো। কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। লম্বা মৌসুমে শেষ খেলোয়াড়েরা ছিলেন বিশ্রামের মেজাজে। কেউ কেউ পরের মৌসুমে বার্নাব্যুতে থাকবেন কি না, তা নিয়েও একটা অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু এসব নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাঁর চাহিদামতো যেসব খেলোয়াড়কে দলে নিয়ে আসা হয়েছিল, তাঁরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন। রিয়ালে যোগ দেওয়ার আগে ফ্রাস্কো মাস্তানতুয়ানোকে নিয়ে যত আলোচনা হয়েছে, সে তুলনায় মাঠে কিছুই করতে পারেননি। একমাত্র কিলিয়ান এমবাপ্পেকে বাদ দিলে সেভাবে আর কেউই কোচের চাহিদামতো দলের হয়ে খেলতে পারেননি। অধারাবাহিক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আগের এল ক্লাসিকোয় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ায় যেভাবে ক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, সেটাই দলের ওপর আলোনসোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে কি না প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। বিনি সুতোর মালা হয়ে দলকে একই সুতোয় বাঁধতে পারেননি তিনি।
একটা উল্টোভাবে বলে এটাও বলা যায়, দলকে একই সূত্রে গাঁথার স্বাধীনতা তাঁকে দেওয়া হয়নি, স্বাধীনতা দেওয়ার মতো আস্থা তাঁর ওপর ছিল না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের।
তাই রিয়ালে কাজ শুরুর এক বছরও পূর্ণ করতে পারলেন না আলোনসো। ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের দীর্ঘ সভাপতিত্বে তিনিই দশম কোচ, যাঁকে অসম্পূর্ণ মৌসুমেই বিদায় নিতে হলো। তাঁর জায়গায় রিয়াল কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন আলভারো আরবেলোয়ার হাতে। যিনি এর আগে রিয়াল একাডেমির কোচ ছিলেন। এই হুটহাট কোচ বদলে রিয়ালের সত্যিকারের সমস্যাগুলো কি আড়ালে ঢাকা পড়ল না!
রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনায় কোচ হয়ে আসার পর হ্যান্সি ফ্লিকের পারফরম্যান্সও ছিল নড়বড়ে। কিন্তু ক্যাম্প ন্যুতে মানিয়ে নেওয়ার পর ঠিকই তিনি বার্সায় সফল হয়েছেন। আলোনসোকে সেই সময়টাই দিলেন না ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ।

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী

নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩০ পিএম
নোয়াখালীতে মাদক দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জেরে মো. নিরব (২৬) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার দুপুরে উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মাইজচরা গ্রামের বাংলাবাজারের উত্তর পাশে কালা দুলালের বাপের বাড়ির সামনে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহত নিরব একই ওয়ার্ডের আব্দুল গনি বাড়ির আব্দুল গনির ছেলে। তিনি পেশায় একজন স’মিল শ্রমিক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিরব কিছুদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। কয়েকদিন আগে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক রুবেল মাঝির (২৮) ভাতিজার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
ওই বিরোধের জেরে রোববার সকাল ১০টার দিকে নিরব তার তিন সহযোগীকে নিয়ে বাংলাবাজারের উত্তর পাশে রুবেল মাঝির ওপর হামলা চালায়। এ সময় ছুরিকাঘাতে রুবেল মাঝির ৩-৪ জন অনুসারী আহত হয়।

পরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দুপুর ১২টার দিকে নিরবের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ রুবেল মাঝির বাড়ির সামনে চলে গেলে রুবেল মাঝির লোকজন ধাওয়া দিয়ে নিরবকে আটক করে। পরে তাকে বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিরবকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. জহির ওরফে আব্দুল গনি রোববার রাতে ২২ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মাইজচরা গ্রাম থেকে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

SIRAJUL KABIR BULBUL

উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
উখিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সহ সাধারণ  সম্পাদক কারানির্যাতিত সাবেক, ছাত্রনেতা, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

SIRAJUL KABIR BULBUL

নিরাপত্তা ও বৈধতা নিয়েও শঙ্কা, সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২১ পিএম
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন “সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম”-এর পরিচালক মো: সেলিম রানা। তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সকল প্রবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

তার দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “যারা সৌদি আরবে আছেন, তারা অপ্রয়োজনে বাইরে বের হবেন না। আকামার মেয়াদ ও কাগজপত্র বৈধ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক হওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উমরাহ বা হজের উদ্দেশ্যে চলাচলের সময়ও অনেক প্রবাসী সমস্যায় পড়ছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের আটক করে জেল খাটিয়ে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে করে শত শত বাংলাদেশি প্রবাসী চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এবং তাদের পরিবারগুলোও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।
১০১ টিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে অনেক প্রবাসী কান্না ও আহাজারির মধ্য দিয়ে দেশে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় হতাশা বাড়ছে প্রবাসীদের মধ্যে।
এ বিষয়ে ১০১ টিমের সদস্য ফয়সাল, জাহিদ ও নাঈম বলেন, “আমরা জানতে চাই—বৈধভাবে সৌদি আরবে থাকার পরও কেন আমরা নিরাপদ নই? আমাদের সমস্যা কে দেখবে?”
তারা আরও দাবি জানান, বাংলাদেশের সরকারকে দ্রুত এ বিষয়ে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি আরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয় এবং ভিসা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়। তাই প্রবাসীদের সবসময় নিজেদের কাগজপত্র হালনাগাদ রাখা, নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলা এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উপসংহার:
বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য সচেতনতা ও সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গা পুনরুদ্ধার করতে।

error: Content is protected !!