মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

ফেনীতে তীব্র শীতে বোরো চারা নষ্ট

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম | 66 বার পড়া হয়েছে
ফেনীতে তীব্র শীতে বোরো চারা নষ্ট

ফেনী জেলায় চলমান তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলার দাগনভূঞা, ফুলগাজী, সোনাগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের আলো না পাওয়ায় বীজতলার চারার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এতে চারা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদন খরচ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ১০ থেকে ২০ দিন বয়সী অনেক বীজতলায় চারার রং হলুদাভ হয়ে যাচ্ছে, কাণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং কোথাও কোথাও পাতা বের হওয়ার আগেই চারা নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে নিচু জমি ও চরাঞ্চলে শীত ও কুয়াশার প্রভাব বেশি পড়ছে। দাগনভূঞা উপজেলার বারাহী গোবিন্দসহ আশপাশের এলাকায় নিচু জমিতে তৈরি বীজতলাগুলোতে শীতের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা গেছে। ফুলগাজীর বাসুদেবপুর এলাকায় আগাম বীজতলার চারা তুলনামূলক ভালো থাকলেও মধ্যমেয়াদি বীজতলায় কুয়াশার কারণে বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। সোনাগাজীর চরচান্দিয়া ও উপকূলঘেঁষা চরাঞ্চলে রাতের ঠান্ডা বেশি থাকায় বীজতলা ঢেকে না রাখলে চারা টিকে থাকছে না। একই চিত্র ছাগলনাইয়ার গতিয়া এলাকাতেও দেখা গেছে।

দাগনভূঞার কৃষক রহিম উল্লাহ বলেন, “সময়মতো বীজতলা তৈরি করেছিলাম। কিন্তু কয়েক দিন ধরে কনকনে ঠান্ডা আর কুয়াশায় অনেক চারা ঠিকমতো শক্ত হচ্ছে না। এ অবস্থা চললে আবার নতুন করে বীজতলা করতে হতে পারে।”
ফুলগাজীর কৃষক সাদেক জানান, “এ বছর বীজ, সার আর শ্রমের খরচ আগের চেয়ে অনেক বেশি। এখন যদি চারা নষ্ট হয়, তাহলে বাইরে থেকে চারা কিনে লাগাতে হবে। এতে একরপ্রতি কয়েক হাজার টাকা খরচ বাড়বে।”
সোনাগাজীর চরাঞ্চলের কৃষক মোস্তফা বলেন, “চর এলাকায় শীত বেশি পড়ে। রাতে কুয়াশা আর ঠান্ডায় বীজতলা ঢেকে না রাখলে চারা নষ্ট হয়ে যায়। কৃষি অফিসের পরামর্শে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখছি, তবুও দুশ্চিন্তা কাটছে না।”
কৃষকদের অভিযোগ, বর্তমান আবহাওয়া আরও কয়েক দিন স্থায়ী হলে অনেককে নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে হতে পারে। এতে সময়ের পাশাপাশি উৎপাদন খরচও বাড়বে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা বেশি চাপে পড়বেন বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

এ বিষয়ে ফেনী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিক উল্লাহ বলেন, “বোরো আবাদকে ঘিরে ফেনী জেলায় সার্বিক প্রস্তুতি ভালো রয়েছে। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে কিছু বীজতলায় সাময়িক সমস্যা দেখা দিলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চারা সংকটের আশঙ্কা নেই। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি চলছে।” অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. মাসুদ হোসেন বলেন, “শীতের সময় বীজতলা খোলা থাকলে চারার ক্ষতি হয়। তাই স্বচ্ছ পলিথিন বা ছাউনি দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখা, প্রতিদিন সকালে পানি পরিবর্তন করা এবং কুয়াশা কেটে গেলে সূর্যের আলো নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারি মাসজুড়ে প্রয়োজনে নতুন করে চারা উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।”

মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি তুলে ধরে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “১৫ থেকে ২০ দিন বয়সী বীজতলাগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে কৃষকরা পরামর্শ মেনে চললে ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমানো সম্ভব।” অন্যদিকে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল বাতেন জানান, “চর ও নিচু এলাকায় বিশেষ নজরদারি চলছে। বিকল্প বীজতলা প্রস্তুত রাখতে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো কারণে চারা নষ্ট হলেও নির্ধারিত সময়ে রোপণ ব্যাহত না হয়।” কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে ফিরলে ফেনী জেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বোরো আবাদ সম্ভব হবে এবং বড় কোনো সংকট দেখা দেবে না।

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার

কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

নুরুল হোসাইন,কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম
কক্সবাজারে সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম এরশাদের স্মরণে দোয়া, মিলাদ ও স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) কক্সবাজারের হোটেল মিশুক রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হাফেজ আনোয়ার হোসেন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন এবং মরহুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এরশাদকে আমরা হারাবো এটা কখনো ভাবিনি। তিনি ছিলেন একজন পরিশ্রমী, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল মানুষ। আমাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থাকলেও সম্পর্ক ছিল গভীর। তার মৃত্যুতে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

অনুষ্ঠানে মরহুমের সুযোগ্য সন্তান অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

বক্তব্য রাখেন,কক্সবাজার জেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ শামসুল আলম শ্রাবণ, ইমাম খাইর, টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল হোসাইন, মোহাম্মদ আয়াজ রবি, কবি জসিম উদ্দিন, নাছিমা আক্তার, দিদারুল আলম, ফরিদ আলম রনি, নাজিম উদ্দিন, আমিন উল্লাহ, জাহেদ হোসেন, মোঃ হাসান, আলাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবু মুছা, আমিনুল ইসলাম, ডা. এরফান প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এম আলাউদ্দিন, এম জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম বাবু, হাফেজ আনোয়ার, সোলতান, কামরুল ইসলামসহ অসংখ্য সাংবাদিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফরিদুল আলম শাহীন বলেন, এরশাদ ভাই ছিলেন সাহসী ও আপসহীন এক কলমযোদ্ধা। সাংবাদিকতার শুরু থেকে তিনি অন্যায়, দুর্নীতি, মাদক ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে লিখেছেন। বহু হুমকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মানুষ হিসেবে এরশাদ ভাই ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, বন্ধুবৎসল ও পরোপকারী। সহকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন অভিভাবকের মতো। তার শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।

বক্তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম
কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা: তুর্কি নারী আটক

পবিত্র মসজিদুল হারামে কাবার গিলাফ (কিসওয়া) কাটার চেষ্টার অভিযোগে এক তুর্কি নারীকে আটক করেছে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী। একটি তুর্কি হজ কাফেলার সঙ্গে আসা ওই নারী কাঁচি দিয়ে গিলাফের একটি অংশ কেটে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, ওই নারী যখন কাঁচি দিয়ে কাবার গিলাফ কাটার চেষ্টা করছিলেন, তখন পাশে থাকা অন্য মুসল্লিরা তাঁকে বাধা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, উপস্থিত লোকজন তাঁকে ‘হাজি, এটা হারাম (নিষিদ্ধ)’ বলে সতর্ক করছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে মসজিদুল হারামের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকেই তাঁকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ওই নারী মিসরীয় নাগরিক। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক ইনফরমেশন’-এর প্রতিনিধি ওতাইবি নিশ্চিত করেছেন যে, আটক নারী প্রকৃতপক্ষে তুরস্কের নাগরিক এবং তিনি একটি তুর্কি হজ কাফেলার সদস্য হিসেবে সৌদি আরব ভ্রমণ করছিলেন। ফলে মিসরীয় নাগরিক হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন

 

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
ওয়ার্ল্ড মিডিয়া প্রেস ক্লাব

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার এক মহান অঙ্গীকার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের দর্পণ, যিনি সত্যকে নির্ভীকভাবে তুলে ধরেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। কিন্তু বাস্তবতায় অনেক সাংবাদিকই নির্যাতন, নিপীড়ন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা, এমনকি প্রাণনাশের হুমকির শিকার হচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো—সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা প্রদান, এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটি এমন একটি সংগঠন, যেখানে সাংবাদিকরা বৈধভাবে, নিরাপদভাবে এবং নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

🌟 মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:

✔ অধিকার রক্ষা: সাংবাদিকদের মৌলিক ও পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
✔ আইনি সহায়তা: মিথ্যা মামলা, হয়রানি বা নির্যাতনের শিকার সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত ও কার্যকর আইনি সহযোগিতা প্রদান।
✔ নিরাপদ কর্মপরিবেশ: মাঠপর্যায়ে কাজ করা সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সাথে সমন্বয়।
✔ হয়রানি প্রতিরোধ: ক্ষমতার অপব্যবহার, রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবশালী মহলের অন্যায় হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ।
✔ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন: সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিকতা ও পেশাগত মান উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন।
✔ ঐক্য গঠন: সারাদেশের সাংবাদিকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনে ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তোলা।
✔ বৈধ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ: ভুয়া বা প্রতারক সাংবাদিকদের প্রতিরোধ করে প্রকৃত ও নিবন্ধিত সাংবাদিকদের সুরক্ষা প্রদান।

📌 প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম:

🔹 নির্যাতিত সাংবাদিকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত
🔹 দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ
🔹 মানবাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা
🔹 সাংবাদিকদের জন্য আইডেন্টিটি যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিতকরণ
🔹 মিডিয়া নীতিমালা ও আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
🔹 জরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা ও সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলা

🎯 আমাদের অঙ্গীকার:

আমরা বিশ্বাস করি—সাংবাদিকতা একটি পবিত্র দায়িত্ব। তাই এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
👉 সত্যের পক্ষে থাকবো
👉 অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবো
👉 সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করবো
👉 একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক গণমাধ্যম পরিবেশ গড়ে তুলবো

পরিশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগটি শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়—এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। কারণ, সাংবাদিক নিরাপদ থাকলে সত্য প্রকাশ পায়, আর সত্য প্রকাশ পেলে সমাজ এগিয়ে যায়।

error: Content is protected !!