বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

লোভের বিষাক্ত পরিণতি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম | 29 বার পড়া হয়েছে
লোভের বিষাক্ত পরিণতি

একবার রুহুল্লাহ হযরত ঈসা (আঃ) এক ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে সফরে বের হলেন। তাঁদের সাথে খাবারের সম্বল ছিল মাত্র তিনটি রুটি। পথের এক নদীর তীরে বসে তাঁরা দুটি রুটি খেয়ে নিলেন। এরপর ঈসা (আঃ) পানি পান করতে নদীর কিনারে গেলেন। ফিরে এসে দেখলেন ঝুড়িতে থাকা অবশিষ্ট একটি রুটি উধাও!
তিনি সাথীকে জিজ্ঞেস করলেন, “তৃতীয় রুটিটি কে নিয়েছে?” লোকটি নির্বিকার চিত্তে উত্তর দিল, “আমি জানি না।” ঈসা (আঃ) চুপ থাকলেন এবং পুনরায় পথ চলা শুরু করলেন।
অলৌকিক নিদর্শন ও একগুঁয়ে মিথ্যা
পথে যেতে যেতে তাঁরা একটি হরিণী ও তার দুটি বাচ্চা দেখতে পেলেন। ঈসা (আঃ) একটি বাচ্চাকে ডাক দিলেন। বাচ্চাটি কাছে এলে তিনি সেটিকে জবাই করে তার গোশত ভুনা করলেন এবং দুজনে মিলে আহার করলেন। খাওয়া শেষে তিনি হাড়গুলো একত্র করে বললেন, “আল্লাহর হুকুমে জীবিত হয়ে যাও!” মুহূর্তেই হরিণটি জীবিত হয়ে দৌড়ে পালাল।
ঈসা (আঃ) লোকটিকে বললেন, “যিনি হরিণটি জীবিত করার মোজেজা দেখালেন তাঁর কসম! বলো রুটিটি কে নিয়েছে?” লোকটি এবারও বলল, “আমি জানি না।” কিছুদূর পর সামনে পড়ল এক উত্তাল নদী। কোনো নৌকা নেই। ঈসা (আঃ) লোকটির হাত ধরে পানির ওপর দিয়ে হেঁটে নদী পার হলেন। ওপাড়ে পৌঁছে তিনি বললেন, “যিনি পানির ওপর দিয়ে হাঁটার শক্তি দিলেন তাঁর কসম! বলো রুটিটি কে নিয়েছে?” লোকটি একইভাবে বলল, “আমি জানি না।”
সোনার পাহাড় ও মিথ্যার অবসান
এক বনের কাছে পৌঁছে ঈসা (আঃ) অনেকগুলো বালি স্তূপ করলেন এবং বললেন, “হে বালি! আল্লাহর হুকুমে সোনা হয়ে যাও।” অমনি বালির স্তূপটি খাঁটি সোনায় পরিণত হলো। ঈসা (আঃ) সোনাগুলোকে সমান তিন ভাগ করে বললেন:
“এক ভাগ আমার, এক ভাগ তোমার; আর তৃতীয় ভাগটি তার—যে ওই রুটিটি নিয়েছিল।”
সোনা দেখে লোকটির চোখ চকচক করে উঠল। সে আর নিজেকে সামলাতে না পেরে বলে উঠল, “হে আল্লাহর নবী! রুটি তো আমিই নিয়েছিলাম!” ঈসা (আঃ) দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “তবে এই সব সোনাই তোমার। তুমি এগুলো নিয়ে থাকো, আমি চললাম।” এই বলে তিনি লোভী লোকটিকে বনের ধারে রেখে চলে গেলেন।
লোভের বিষাক্ত শেষ অঙ্ক
লোকটি এখন অগাধ সোনার মালিক। সে যখন সেই সম্পদ সরাবে, এমন সময় সেখানে আরও দুই পথচারী উপস্থিত হলো। তারা সোনার লোভে লোকটিকে হত্যার হুমকি দিল। লোকটি চালাকি করে বলল, “মারামারি না করে চলো আমরা তিন ভাগে সোনা ভাগ করে নিই। তবে তার আগে আমাদের খাওয়া দরকার। একজন বাজারে গিয়ে খাবার নিয়ে এসো।”
একজন বাজারে গেল। তার মনে কুচিন্তা এল— “খাবারে বিষ মিশিয়ে দিলে ওরা দুজন মারা যাবে আর সব সোনা আমার হবে।” সে খাবারে বিষ মিশিয়ে দিল। ওদিকে বাকি দুজন বনের ধারে বসে পরামর্শ করল— “ও বাজার থেকে ফিরলেই আমরা ওকে মেরে ফেলব, তাহলে সোনা দুভাগে ভাগ হবে এবং আমরা বেশি পাব।”
বাজার থেকে লোকটি খাবার নিয়ে আসামাত্রই বাকি দুজন তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে হত্যা করল। এরপর তারা মনের আনন্দে বিষ মেশানো সেই খাবার খেতে বসল। কয়েক গ্রাস খাওয়ার পরই বিষক্রিয়ায় তারা দুজনও ছটফট করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল।
সম্পদ ও বাস্তবতার শিক্ষা
কিছুদিন পর ঈসা (আঃ) আবার সেই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, সোনার তিনটি স্তূপ নিঝুম বনে অযত্নে পড়ে আছে, আর তার পাশে পড়ে আছে তিনটি পচা লাশ। তিনি সাথীদের ডেকে বললেন:
“দেখো! এটাই হলো দুনিয়ার সম্পদের হাকীকত। এটি মানুষের মাঝে লোভের জন্ম দেয় এবং শেষে কাউকেই সুখী হতে দেয় না। তাই সম্পদের এই বিধ্বংসী লোভ থেকে নিজেদের বাঁচাও।”
গল্পের শিক্ষা:
১. লোভের পরিণতি: লোভ মানুষকে অন্ধ করে দেয় এবং চূড়ান্ত লাঞ্ছনা ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। ২. মিথ্যার ধ্বংস: মিথ্যা বলে পার্থিব সম্পদ পাওয়া গেলেও তা কখনো বরকত বা স্থায়ী সুখ আনে না। ৩. দুনিয়ার অসারতা: মানুষ সম্পদের পেছনে দৌড়ায়, কিন্তু শেষে সম্পদ পড়ে থাকে আর মানুষ শূন্য হাতে বিদায় নেয়।

বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড এলাকায় প্রায় দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বসবাস করে আসা এক অজ্ঞাতপরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ ১লা এপ্রিল বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশ থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত ওই ব্যক্তি দীর্ঘ প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁশ ঝাড়ের নিচে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং এই দীর্ঘ সময়ে ওই এলাকার মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। তবে এত বছরেও কেউ তাঁর নাম বা প্রকৃত ঠিকানার হদিস জানতে পারেনি। এলাকাবাসীর দেওয়া খাবার ও সাহায্যেই চলত তাঁর জীবন।

বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় অনেক প্রবীণ ও প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণা, এই ব্যক্তির আদি বাড়ি পার্শ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় হতে পারে। দীর্ঘকাল বালিয়াডাঙ্গীতে থাকলেও তাঁর নাড়ির টানের খোঁজে কেউ আসেনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে একটি এলাকায় বসবাস করার পর এমন নিঃসঙ্গ মৃত্যুতে স্থানীয়রা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তারা চান, অন্তত শেষ বিদায়টা যেন তাঁর নিজ পরিবার বা স্বজনদের কাছে হয়।

উক্ত ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং তাঁর পরিবারের সন্ধান পেতে সংবাদটি জনস্বার্থে প্রচারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছর আগে নেকমরদ বা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির বর্ণনার সাথে মিল থাকলে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী থানা অথবা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ পিএম
পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা২০২৫ গত ২২/১১/২০২৫ইং অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ফলাফল ঘোষণা করা হয় ফেব্রুয়ারি,২০২৬ এ।পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী ২৫ শে মার্চ ২০২৬ বিকাল তিন ঘটিকা থেকে এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ শে মার্চ,২৬ রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকায় এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী ট্যালেন্টফুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজার সংলগ্ন এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে।

মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কামরুল হাসান সিদ্দিকী(এফ সি এ), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আনোয়ারুল হক, মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামশেদ আলম, এ. টি. একাডেমীর প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন, মিরসরাই কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন উইথ কেজি স্কুলের পরিচালক আনোয়ার জাহেদ, মান্দার বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাফিয়া বেগম এবং উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, সদস্য আবু তারক সিদ্দিকী, রিফাত সিদ্দিকী, আকিব সিদ্দিকী সহ এ. টি. একাডেমীর শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী। উপস্থিত ছিলেন এ. টি এম আমিনুর রহমান স্মৃতিশিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার সম্পাদক মাস্টার আব্দুল আলিম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সদস্য আবু তারেক আকাশ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ক্রেস্ট, সনদ ও প্রাইজ বন্ড। শিক্ষার্থীরা তাদের পুরস্কার হাতে পেয়ে খুবই উচ্ছ্বাসিত ও আনন্দিত। এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ২য় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী।

সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তর উত্তর জীবনের উন্নতি কামনা করে সভাপতি অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৩ পিএম
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক আনন্দঘন, তাৎপর্যপূর্ণ ও পেশাগত চেতনায় সমৃদ্ধ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(৩১’শে মার্চ ২০২৬) মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার সাবাহ্ গার্ডেন রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপনের সঞ্চালনায় ও শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী আসাদুজ্জামানের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ শাহাদত হোসাইন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমিন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোহাগ ভান্ডারী, সহ-সভাপতি শামীম আল মামুন, চ্যানেল এস এর সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল পাশা, যুগ্ম-সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাগর, সাংবাদিক দুর্জয়, সাংবাদিক বিলকিস, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এনামুল হক প্রমুখ। এ সময় শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অন্যান্য সদস্য এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ, পেশাগত দায়বদ্ধতা, সংবাদ পরিবেশনের নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং সত্য উদঘাটন, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং জনমত গঠনের শক্তিশালী হাতিয়ার। বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার চেতনা লালন এবং সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করার লক্ষে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

error: Content is protected !!