বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো — বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর পক্ষ থেকে সবাইকে পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম | 44 বার পড়া হয়েছে
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো — বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর পক্ষ থেকে সবাইকে পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

আগামী ১৪ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, মঙ্গলবার—পহেলা বৈশাখ বাংলা শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত সাংবাদিকদের অন্যতম আশ্রয়স্থল সংগঠন বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর কেন্দ্রীয় কমিটি।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খান সেলিম রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার বুধবার (১ এপ্রিল) স্বাক্ষরিত এক শুভেচ্ছা বার্তায় উল্লেখ করেছেন—“পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব; এটি প্রায় ৪৫০ বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল ও গৌরবময় প্রতীক।”

বার্তায় বলা হয়েছে, পহেলা বৈশাখের আগমনে পুরোনো সব দুঃখ, কষ্ট ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার আলোয় উদ্ভাসিত হয় সমগ্র জাতি। বৈশাখ মানেই নতুনের আহ্বান—প্রকৃতির মতো মানুষের জীবনেও এই দিনটি নিয়ে আসে নির্মল সূচনা ও সতেজ জাগরণ। শুষ্ক ডালে সবুজের কোমল স্পর্শ, গাছে নবপল্লবের দোলা, মৃদুমন্দ বাতাস এবং রঙিন সাজে সেজে ওঠা প্রকৃতি যেন ঘোষণা দেয়—নতুন বছর এসেছে সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বার্তায় উল্লেখ করা হয়, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সূচনা মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে। খ্রিষ্টীয় ১৫৮৪ সালে তিনি ‘ফসলি সন’ বা বাংলা সনের প্রবর্তন করেন, যার উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের কাছ থেকে কর আদায়কে সহজ, সুশৃঙ্খল ও সময়োপযোগী করা। হিজরি চান্দ্রবর্ষের সঙ্গে কৃষিকাজের মৌসুমের সামঞ্জস্য না থাকায় কৃষকদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। নতুন সন সৌর বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়, ফলে ফসল তোলার উপযুক্ত সময়ে কর আদায় সম্ভব হয়।

সময়ের সঙ্গে এই দিনটি গ্রামবাংলার হালখাতা উৎসব থেকে শুরু হয়ে শহরে বিস্তৃত লোকউৎসবে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ নতুন সাংস্কৃতিক মাত্রা লাভ করেছে। ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, লোকসংগীত, আলপনা ও চারুকলার বর্ণিল আয়োজন—সব মিলিয়ে এটি আজ বাঙালির অন্যতম বৃহৎ অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

বার্তায় আরও বলা হয়, পহেলা বৈশাখ কোনো একক ধর্ম বা গোষ্ঠীর উৎসব নয়; এটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের মিলনোৎসব। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষ একসাথে এই দিন উদযাপন করে, যা বাঙালি জাতির ঐক্য, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের অনন্য দৃষ্টান্ত।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)– এর সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন, “পহেলা বৈশাখ আমাদের বাঙালি জাতিসত্তার অন্যতম প্রধান উৎসব। এটি শুধু নতুন বছরের সূচনা নয়, বরং আমাদের প্রায় চারশো পঞ্চাশ বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। এই দিনে আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়াই। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় পহেলা বৈশাখ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমি আশা করি, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ আমাদের সবার জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে আনবে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান সময়ে সাংবাদিক সমাজ নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করছে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীকভাবে সংবাদ পরিবেশন করা সহজ নয়। তবুও সাংবাদিকরা সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। নতুন বছরে সাংবাদিকদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)– এর সাধারণ সম্পাদক মো. মাহিদুল হাসান সরকার বলেন, “পহেলা বৈশাখ আমাদের জন্য আনন্দ, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে। এই দিনে আমরা অতীতের সব দুঃখ-দুর্দশা ভুলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাই। সমাজের সব স্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে এই উৎসব উদযাপন করে—যা আমাদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। সমাজের অন্যায়, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। অনেক সময় তারা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হন।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C) সবসময় নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। নতুন বছরে আমরা সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় আরও সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার করছি।”

পরিশেষে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়—আসুন, আমরা সবাই আনন্দ, উৎসাহ ও বাঙালিয়ানার গর্বে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করি।
তবে সেই আনন্দ যেন শালীনতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার সীমারেখার মধ্যে থাকে। সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতিও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করি।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)–এর পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাঙালিকে জানানো হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও অনাবিল আনন্দ।

🌺 শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ 🌼

বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
বালিয়াডাঙ্গীতে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড এলাকায় প্রায় দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বসবাস করে আসা এক অজ্ঞাতপরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ ১লা এপ্রিল বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশ থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত ওই ব্যক্তি দীর্ঘ প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে বালিয়াডাঙ্গী পাইলট স্কুল রোড সংলগ্ন এলাকায় একটি বাঁশ ঝাড়ের নিচে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং এই দীর্ঘ সময়ে ওই এলাকার মানুষের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। তবে এত বছরেও কেউ তাঁর নাম বা প্রকৃত ঠিকানার হদিস জানতে পারেনি। এলাকাবাসীর দেওয়া খাবার ও সাহায্যেই চলত তাঁর জীবন।

বুধবার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের পাশে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্থানীয় অনেক প্রবীণ ও প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণা, এই ব্যক্তির আদি বাড়ি পার্শ্ববর্তী রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় হতে পারে। দীর্ঘকাল বালিয়াডাঙ্গীতে থাকলেও তাঁর নাড়ির টানের খোঁজে কেউ আসেনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে একটি এলাকায় বসবাস করার পর এমন নিঃসঙ্গ মৃত্যুতে স্থানীয়রা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তারা চান, অন্তত শেষ বিদায়টা যেন তাঁর নিজ পরিবার বা স্বজনদের কাছে হয়।

উক্ত ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং তাঁর পরিবারের সন্ধান পেতে সংবাদটি জনস্বার্থে প্রচারের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৬ বছর আগে নেকমরদ বা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তির বর্ণনার সাথে মিল থাকলে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী থানা অথবা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৫ পিএম
পালিত হলো এ. টি. এম আমিনুর রহমান বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা২০২৫ গত ২২/১১/২০২৫ইং অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর ফলাফল ঘোষণা করা হয় ফেব্রুয়ারি,২০২৬ এ।পূর্ব ঘোষিত সময় অনুযায়ী ২৫ শে মার্চ ২০২৬ বিকাল তিন ঘটিকা থেকে এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ শে মার্চ,২৬ রোজ বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকায় এ.টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় যে সকল শিক্ষার্থী ট্যালেন্টফুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় মিরসরাই উপজেলার মিঠাছড়া বাজার সংলগ্ন এ. টি. একাডেমী স্কুল মাঠে।

মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষায় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি কামরুল হাসান সিদ্দিকী(এফ সি এ), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আনোয়ারুল হক, মিঠাছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামশেদ আলম, এ. টি. একাডেমীর প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন, মিরসরাই কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও অন উইথ কেজি স্কুলের পরিচালক আনোয়ার জাহেদ, মান্দার বাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সাফিয়া বেগম এবং উপস্থিত ছিলেন এ. টি. এম আমিনুর রহমান সিদ্দিকী স্মৃতি শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী, সদস্য আবু তারক সিদ্দিকী, রিফাত সিদ্দিকী, আকিব সিদ্দিকী সহ এ. টি. একাডেমীর শিক্ষক শিক্ষিকা মন্ডলী। উপস্থিত ছিলেন এ. টি এম আমিনুর রহমান স্মৃতিশিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষার সম্পাদক মাস্টার আব্দুল আলিম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র সদস্য আবু তারেক আকাশ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ক্রেস্ট, সনদ ও প্রাইজ বন্ড। শিক্ষার্থীরা তাদের পুরস্কার হাতে পেয়ে খুবই উচ্ছ্বাসিত ও আনন্দিত। এ. টি. এম আমিনুর রহমান স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ২য় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী।

সকলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তর উত্তর জীবনের উন্নতি কামনা করে সভাপতি অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, চিফ রিপোর্টার। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৩ পিএম
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের আয়োজনে স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য ও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক আনন্দঘন, তাৎপর্যপূর্ণ ও পেশাগত চেতনায় সমৃদ্ধ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(৩১’শে মার্চ ২০২৬) মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার সাবাহ্ গার্ডেন রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপনের সঞ্চালনায় ও শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী আসাদুজ্জামানের সার্বিক পরিচালনায় অনুষ্ঠানে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন স্বপন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক মোঃ শাহাদত হোসাইন, শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আল আমিন, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সোহাগ ভান্ডারী, সহ-সভাপতি শামীম আল মামুন, চ্যানেল এস এর সাংবাদিক মিজানুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল পাশা, যুগ্ম-সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাগর, সাংবাদিক দুর্জয়, সাংবাদিক বিলকিস, সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এনামুল হক প্রমুখ। এ সময় শ্রীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অন্যান্য সদস্য এবং জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পাশাপাশি সমসাময়িক গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ, পেশাগত দায়বদ্ধতা, সংবাদ পরিবেশনের নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়, বরং সত্য উদঘাটন, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং জনমত গঠনের শক্তিশালী হাতিয়ার। বক্তারা আরো বলেন, স্বাধীনতার চেতনা লালন এবং সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করার লক্ষে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পরে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

error: Content is protected !!