সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

গভীর সমুদ্রের মেহমান: হযরত ইউনুস (আঃ)-এর কাহিনী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম | 25 বার পড়া হয়েছে
গভীর সমুদ্রের মেহমান: হযরত ইউনুস (আঃ)-এর কাহিনী

হযরত ইউনুস (আ.) আল্লাহর আদেশের অপেক্ষা না করেই যখন এক জাহাজ ভর্তি যাত্রীদের সাথে রওনা হলেন, তখন মাঝপথে এক প্রচণ্ড ঝড় শুরু হলো। জাহাজের ভার কমাতে লটারির আয়োজন করা হলে তিনবারই ইউনুস (আ.)-এর নাম উঠল। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মাঝে একটি জাহাজ বিপদে পড়েছিল। সেই জাহাজের যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন মহান আল্লাহর নবী হযরত ইউনুস (আঃ)। আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। আর সাথে সাথেই বিশাল এক মাছ আল্লাহর নির্দেশে তাঁকে গিলে ফেলল।
আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআন মাজিদে ইরশাদ করেনঃ
অর্থ: “অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলে, আর তিনি নিজেকে ভৎসনা করছিলেন।” (সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৪২)
১. মাছের প্রতি আল্লাহর নির্দেশ
ঠিক সেই মুহূর্তে আল্লাহর আদেশে সাগরের এক বিশাল মাছ দ্রুতগতিতে সেখানে উপস্থিত হলো। মাছটি কোনো সাধারণ শিকারি ছিল না, বরং সে ছিল আল্লাহর আজ্ঞাবহ এক দাস। মাছটি নবীকে গিলে ফেলল, কিন্তু তাকে চিবিয়ে খাওয়ার বা হজম করার কোনো অনুমতি তার ছিল না।
মাছের পেটে প্রবেশের পর হযরত ইউনুস (আঃ) যখন নিজেকে জীবিত আবিষ্কার করলেন, তখন এক অলৌকিক ঘটনা ঘটল। মাছটি নবীর সাথে কথা বলে উঠল। বিনীত স্বরে মাছটি বলল:
“হে আল্লাহর নবী! আপনাকে ভালোভাবে রাখার জন্য আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন আপনার কোনো কষ্ট না হয়। আমার পেট এখন আপনার কারাগারস্বরূপ। যখন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন, তখন আপনাকে মুক্তি দেবেন। আমার পেট সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা থেকে মুক্ত। আপনি সম্পূর্ণ পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন স্থানে অবস্থান করছেন। আমি সর্বদা আল্লাহ তাআলার যিকির ও তাসবিহ পাঠে নিমগ্ন থাকি। এখন আমার পেটই আপনার কারাগার।”
২. সাত সমুদ্রের গভীরে এক ইবাদতখানা
মাছের পেটের সেই অন্ধকার জগতটি হযরত ইউনুস (আঃ)-এর জন্য এক পবিত্র ইবাদতখানায় পরিণত হলো। মাছটি তাকে নিয়ে সাগরের তলদেশে ভ্রমণ করতে লাগল। এভাবে একে একে সাত সমুদ্রের গভীর তলদেশে মাছটি পৌঁছে গেল।
সেখানে এক অদ্ভুত দৃশ্য! গভীর পানির নিচেও হযরত ইউনুস (আঃ) আল্লাহর অগণিত নিদর্শন দেখতে পেলেন। তিনি শুনতে পেলেন সাগরের নুড়ি-পাথর, মাছ এবং জলজ প্রাণীরা আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করছে। নবীও সেই সুরের সাথে সুর মিলিয়ে অবিরাম আল্লাহর যিকিরে মগ্ন হয়ে রইলেন।
এভাবে চল্লিশ দিন কেটে গেল। মাছটি তার মুখ খোলা রাখত যাতে নবীর শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনো কষ্ট না হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় মাছের পেটে অবস্থান এবং মানসিক অস্থিরতায় তার শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজিদে ইরশাদ করেন—
অর্থ: “সুতরাং তিনি যদি তাসবিহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হতেন, তবে অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত সে মাছের পেটেই অবস্থান করতেন।”
(সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৪৩-১৪৪ )
৩. অন্ধকারের আর্তনাদ ও মুক্তি
গভীর সাগরের অন্ধকার, মাছের পেটের অন্ধকার এবং রাতের অন্ধকার—এই তিন অন্ধকারের মাঝখান থেকে হযরত ইউনুস (আঃ) কাতর স্বরে প্রভুকে ডাকলেন। তিনি বুঝতে পারলেন, আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া কওম ত্যাগ করা তার উচিত হয়নি। অনুতপ্ত হৃদয়ে তিনি সেই ঐতিহাসিক দোয়াটি পাঠ করলেন:
“লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমি মিন।” (অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আপনি পবিত্র, নিশ্চয়ই আমি অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত।)
আল্লাহ তাআলা তার প্রিয় নবীর এই আন্তরিক ডাক শুনলেন। তিনি মাছকে নির্দেশ দিলেন তার আমানত ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। আল্লাহর আদেশে মাছটি তীরের দিকে সাঁতার কাটল এবং এক নির্জন ও শুষ্ক নদীর পাড়ে হযরত ইউনুস (আঃ)-কে উগরে দিল।
৪. নতুন জীবন ও করুণার ছায়া
মাছের পেট থেকে মুক্তি পাওয়ার পর শুকরিয়াস্বরূপ হযরত ইউনুস (আঃ) চার রাকাত নামাজ আদায় করলেন, যা ছিল আসরের সময়। কিন্তু তখন তার শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। তার চামড়া গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল, শরীর ছিল একেবারে নিস্তেজ। সূর্যের প্রখর তাপ সহ্য করার মতো শক্তি তার ছিল না।
তখন আল্লাহর দয়ায় সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে একটি লাউগাছ (ইয়াকতিন) জন্মাল এবং দ্রুত বড় হয়ে তাকে ছায়া দিতে লাগল। এই গাছের বিশাল পাতাগুলো তাকে রোদের তাপ ও পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা করল। হযরত ইউনুস (আঃ) সেই গাছের লাউ খেয়ে ক্ষুধা নিবারণ করতে লাগলেন।
আল্লাহর কুদরতে সেখানে একটি পাহাড়ি বকরিও আসত। তিনি সেই বকরির দুধ পান করতেন। লাউয়ের পুষ্টি এবং বকরির দুধের শক্তিতে ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে লাগলেন। শরীরে বল ফিরে পেলেন এবং মনে প্রশান্তি অনুভব করলেন।
৫. জাতির কাছে প্রত্যাবর্তন
সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর আল্লাহর নির্দেশে তিনি আবার তার নিজ কওমের কাছে ফিরে গেলেন। যে এক লক্ষাধিক মানুষকে তিনি ছেড়ে এসেছিলেন, তারা ততদিনে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ঈমান এনেছিল। হযরত ইউনুস (আঃ)-কে ফিরে পেয়ে তারা আনন্দে আত্মহারা হলো। আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করলেন এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সুখ-শান্তিতে জীবনযাপনের সুযোগ দিলেন।
কিছুটা শক্তি ফিরে পাওয়ার পর আল্লাহ তাআলার নির্দেশে তিনি স্বীয় কওমের কাছে ফিরে যান। এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন—
অর্থ:
“অতঃপর আমি তাঁকে এক উন্মুক্ত ময়দানে স্থাপন করলাম, তখন তিনি অসুস্থ ছিলেন; এবং আমি তাঁর উপর একটি লতাযুক্ত ছায়াবৃক্ষ জন্মিয়েছিলাম। এরপর আমি তাঁকে এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি রাসূল করে পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর তারা ঈমান আনল, তাই আমি তাদেরকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ভোগ-বিলাসের সুযোগ দিয়েছিলাম।”
(সূরা আস-সাফফাত, আয়াত ১৪৫-১৪৮)
এই গল্পের শিক্ষা: বিপদ যত গভীরই হোক না কেন, আল্লাহকে ডাকার মতো ডাকলে তিনি অবশ্যই উদ্ধার করেন। হযরত ইউনুস (আঃ)-এর এই ঘটনা আমাদের শেখায় যে, ভুল স্বীকার করা এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা মুমিনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির উত্তরাঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌহিদ মো. সিয়াম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম লিখেছেন, ‘গত ২৮ মার্চ আমি জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে পদত্যাগ করেছি। এই পথচলায় যারা আমার সহযোদ্ধা ছিলেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। জাতীয় ছাত্রশক্তি ও এনসিপির নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।’

আবু তৌহিদ মো. সিয়াম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বাগছাসের নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের মাধ্যমে গত ২৩ অক্টোবর আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

এরপর ৩১ অক্টোবর সংগঠনটির চার সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক (উত্তরাঞ্চল) পদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু তৌহিদ মো. সিয়াম।

মোঃ সাকিব মুন্সী

মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ সাকিব মুন্সী প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
মদনে বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক, তিনি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার নিজ বাড়ির সামনে বিলে ঘাস কাটতে গেলে জমির মালিকানা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে একই গ্রামের মো. সোহেল (৩৫), তার ভাই মো. কায়েস (২৮), কাউসার (৩০) ও মো. সাগর (২২) মিলে তাকে মারধর করে এবং পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে রোববার মদন পৌরশহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা, এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত সোহেল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান আমার চাষকৃত জমিতে ঘাস কাটছিল। আমি বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। তবে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ সঠিক নয়।”
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বিতর্ক

জয়া আহসান এবং বিপাশা হায়াতকে নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নিউজফিডে অহেতুক একটা বিতর্ক দেখছি।
দুজনের বয়স কাছাকাছি, কিন্তু জয়া যেভাবে নিজেকে মেন্টেইন করেছেন, নিজের বয়সকে ধরে রেখেছেন, বিপাশা সেভাবে পারেননি,
তার শরীরে বয়সের ছাপ পড়েছে, চুল পেকেছে আরো কত কি।
সমস্যাটা আসলে কার চুল সাদা, কার ফিগার ছিপছিপে, কার মেকআপ কম সেটা না, সমস্যাটা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে।
একটা অদ্ভুত মানসিকতা ধীরে ধীরে সমাজে জায়গা করে নিয়েছে।
যেখানে একজন নারী বয়সকে যেভাবে গ্রহণ করবেন, সেটাকেই আদর্শ বানিয়ে অন্যদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিপাশা হায়াত যদি নিজের সাদা চুল, স্বাভাবিক বয়স এসবকে গ্রহণ করেন, সেটা তার ব্যক্তিগত পছন্দ, তার স্বাচ্ছন্দ্য।
কিন্তু সেই পছন্দকে মাপকাঠি বানিয়ে অন্য নারীদের বিচার করা এটা আসলে প্রশংসা না, এটা নিয়ন্ত্রণের আরেক রূপ।
একইভাবে, জয়া আহসান যদি নিজেকে ফিট রাখেন, স্টাইলিশ থাকেন, কিংবা নিজের মতো করে ইয়াং অনুভব করতে চান, তাহলে সেটাও তার অধিকার।
বয়স বাড়লেই কেন একজন নারীকে নির্দিষ্ট ছাঁচে ঢুকে যেতে হবে?
কেন তার সাজ, পোশাক, এমনকি নিজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি সবকিছু সমাজ ঠিক করে দেবে?
সবচেয়ে বড় সমস্যার বিষয় হলো এই তুলনাটা।
একজনকে তুলে ধরতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট করা।
একজন স্বাভাবিক, কারণ তিনি বয়স মেনে নিয়েছেন,
আরেকজন অস্বাভাবিক, কারণ তিনি নিজেকে ধরে রাখতে চান।
এই বিভাজনটা আসলে কতটা যুক্তিযুক্ত?
সত্যি বলতে, এখানে প্রশংসার আড়ালে একটা সূক্ষ্ম চাপ কাজ করে, তুমি এমন হও, না হলে তুমি ভুল, তুমি খারাপ।
কেউ সাদা চুলে স্বাচ্ছন্দ,
কেউ রঙ করে ভালো লাগে।
কেউ মেকআপ ছাড়াই স্বস্তিতে,
কেউ সাজতে ভালোবাসে।
এই ভিন্নতাই স্বাভাবিক।
সমালোচনা যদি করতেই হয়, তাহলে এই দ্বিমুখী মানসিকতারই করা উচিত।
যেখানে একজন নারীর স্বাধীন পছন্দকে আরেকজনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়।
কারণ শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ,
নারী কি নিজের মতো করে বাঁচতে পারবে?
নাকি তাকে সবসময় অন্যের পছন্দ অনুযায়ী বদলাতে হবে?

error: Content is protected !!